
ডায়াবেটিস, ডাক্তার আর এক সুন্দরী রোগিনীর মিষ্টি গল্প
(আমাদের টেকো বুড়ো ডাক্তার বড্ড বকবক করেন – রোগীরা সাক্ষী – সুতরাং ধৈর্য ধরুন।) সেদিন সন্ধ্যায় যখন সূয্যি ডোবার পরে আকাশ কালো আর কমলা রংএ

(আমাদের টেকো বুড়ো ডাক্তার বড্ড বকবক করেন – রোগীরা সাক্ষী – সুতরাং ধৈর্য ধরুন।) সেদিন সন্ধ্যায় যখন সূয্যি ডোবার পরে আকাশ কালো আর কমলা রংএ

আমাদের আধবুড়ো টেকো ডাক্তার নিশ্চিত জানেন উনি আদ্যন্ত একজন নিপাট হাতুড়ে। সামনের খালের পাতি হাঁসগুলো পর্যন্ত ওনাকে দেখলে কোয়াক কোয়াক বলে বিচ্ছিরি সুরে আওয়াজ দেয়।

থাইরয়েড একটা প্রজাপতি আকৃতির গ্রন্থি। গ্রন্থি কথাটা আমার পছন্দ নয় বরং গ্ল্যান্ড বলাই ভালো। এটা গলার সামনে মাঝামাঝি থেকে একটু নিচে থাকে। দেহ অংশ থাকে

জ্বর কিংবা জারি/ মহা কিংবা মারি?/ অ্যান্টি বায়োটিকটিকি/ সারাবে কি ঠিক ঠিকই?/ ম্যালেরিয়া ফ্যালেরিয়া,/ কর্কশ কর্কট ভয়ে/ যদি কভু কাঁপে হিয়া/ ঠিক হবে কী দিয়া?/

লিভার নিয়ে আমাদের চিরকালের দুশ্চিন্তা। এই বুঝি খারাপ হল! এই বুঝি জন্ডিস হল! কী খাব কীই বা খাব না, কী ভাবে চলব নিজের পেটটুকু সামলে

বিধান রায় ভগবান ছিলেন না। সামান্য মানুষ মাত্র। কবির প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের জন্য ইউরিন সম্পূর্ণ আটকে কিডনি ফেইলিওর হচ্ছিল ( high urea level )। এবং উনি

গুঁফো ডাক্তার চেম্বারে বসে আছেন এমন সময় বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো রোরুদ্যমানা একজন মহিলা ওনার বরের কাঁধে ভর দিয়ে চেম্বারে ঢুকে ভয়ানক হাঁফাতে লাগলেন ।

বাসের জানালার ধারে বৃদ্ধ বসে। মাঘী বাতাসে কাঁপুনি। জানালার কাঁচ নামিয়ে মাথা ঠেকিয়ে ভীড়ের গুঞ্জরণ আর কন্ডাক্টরের হাঁকাহাঁকির ফাঁকে ফাঁকে কখন যেন মশার পিনপিনানির মতোন

ফাঁকা চেম্বার। আমাদের ডাক্তারবাবু যথারীতি চেম্বারলীন হয়ে সান্ধ্য নিদ্রার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বয়স হয়েছে তো …. সন্ধ্যায় বড়ো ঘুম পায়। রিসেপনিস্ট সুন্দরী কানে হেডফোন গুঁজে মৃদুমন্দ

তখন ভরা ভর্তি দুপুর। খটখটে সূর্য আকাশ জুড়ে চমকাচ্ছে। আমাদের দীর্ঘনাসা ইন্দ্রলুপ্তযুক্ত আধবুড়ো ডাক্তার ছাতপাখার তলায় টেবিলে মাথা রেখে ঝিমুচ্ছেন। ওঁর সুন্দরী পিসিমা কানে যন্ত্র

সেদিন হেমন্তের মায়ালু কমলা চাঁদ পূর্ব দিগন্ত ছাড়িয়ে পুকুর পাড়ের ছাদের ফাঁক দিয়ে উঁকি দিচ্ছে। রোগীহীন বৃদ্ধ ডাক্তার টেবিলে মাথা রেখে নিদ্রামগ্ন। ওনার সুন্দরী পিসিমা

আমাদের বুড়ো ডাক্তার শূন্য খুপরিতে বসে আছেন। নিয়নের আলো ওনার নিটোল টাকে পড়ে পিছলে যাচ্ছে। বাইরে ওনার পিসিমা থুড়ি সুন্দরী রিসেপশনিস্ট চোখ বন্ধ করে একটি

(আমাদের টেকো বুড়ো ডাক্তার বড্ড বকবক করেন – রোগীরা সাক্ষী – সুতরাং ধৈর্য ধরুন।) সেদিন সন্ধ্যায় যখন সূয্যি ডোবার পরে আকাশ কালো আর কমলা রংএ

আমাদের আধবুড়ো টেকো ডাক্তার নিশ্চিত জানেন উনি আদ্যন্ত একজন নিপাট হাতুড়ে। সামনের খালের পাতি হাঁসগুলো পর্যন্ত ওনাকে দেখলে কোয়াক কোয়াক বলে বিচ্ছিরি সুরে আওয়াজ দেয়।

থাইরয়েড একটা প্রজাপতি আকৃতির গ্রন্থি। গ্রন্থি কথাটা আমার পছন্দ নয় বরং গ্ল্যান্ড বলাই ভালো। এটা গলার সামনে মাঝামাঝি থেকে একটু নিচে থাকে। দেহ অংশ থাকে

জ্বর কিংবা জারি/ মহা কিংবা মারি?/ অ্যান্টি বায়োটিকটিকি/ সারাবে কি ঠিক ঠিকই?/ ম্যালেরিয়া ফ্যালেরিয়া,/ কর্কশ কর্কট ভয়ে/ যদি কভু কাঁপে হিয়া/ ঠিক হবে কী দিয়া?/

লিভার নিয়ে আমাদের চিরকালের দুশ্চিন্তা। এই বুঝি খারাপ হল! এই বুঝি জন্ডিস হল! কী খাব কীই বা খাব না, কী ভাবে চলব নিজের পেটটুকু সামলে

বিধান রায় ভগবান ছিলেন না। সামান্য মানুষ মাত্র। কবির প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের জন্য ইউরিন সম্পূর্ণ আটকে কিডনি ফেইলিওর হচ্ছিল ( high urea level )। এবং উনি

গুঁফো ডাক্তার চেম্বারে বসে আছেন এমন সময় বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো রোরুদ্যমানা একজন মহিলা ওনার বরের কাঁধে ভর দিয়ে চেম্বারে ঢুকে ভয়ানক হাঁফাতে লাগলেন ।

বাসের জানালার ধারে বৃদ্ধ বসে। মাঘী বাতাসে কাঁপুনি। জানালার কাঁচ নামিয়ে মাথা ঠেকিয়ে ভীড়ের গুঞ্জরণ আর কন্ডাক্টরের হাঁকাহাঁকির ফাঁকে ফাঁকে কখন যেন মশার পিনপিনানির মতোন

ফাঁকা চেম্বার। আমাদের ডাক্তারবাবু যথারীতি চেম্বারলীন হয়ে সান্ধ্য নিদ্রার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বয়স হয়েছে তো …. সন্ধ্যায় বড়ো ঘুম পায়। রিসেপনিস্ট সুন্দরী কানে হেডফোন গুঁজে মৃদুমন্দ

তখন ভরা ভর্তি দুপুর। খটখটে সূর্য আকাশ জুড়ে চমকাচ্ছে। আমাদের দীর্ঘনাসা ইন্দ্রলুপ্তযুক্ত আধবুড়ো ডাক্তার ছাতপাখার তলায় টেবিলে মাথা রেখে ঝিমুচ্ছেন। ওঁর সুন্দরী পিসিমা কানে যন্ত্র

সেদিন হেমন্তের মায়ালু কমলা চাঁদ পূর্ব দিগন্ত ছাড়িয়ে পুকুর পাড়ের ছাদের ফাঁক দিয়ে উঁকি দিচ্ছে। রোগীহীন বৃদ্ধ ডাক্তার টেবিলে মাথা রেখে নিদ্রামগ্ন। ওনার সুন্দরী পিসিমা

আমাদের বুড়ো ডাক্তার শূন্য খুপরিতে বসে আছেন। নিয়নের আলো ওনার নিটোল টাকে পড়ে পিছলে যাচ্ছে। বাইরে ওনার পিসিমা থুড়ি সুন্দরী রিসেপশনিস্ট চোখ বন্ধ করে একটি







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে