
আয়নায় এক দুই
বাঁশবনে বৃষ্টির মতো হিন্দুয়ানির একটানা গোঁড়ামি আটকাতে বসে সেকালের ব্রাহ্মসংস্কারকরা যে নিজেদের তৈরি করা সংস্কার বাতিকে বেশি ডুবুডুবু হয়েছিলেন —এমনটাই দাবি ১৮৭০ এর বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের|

বাঁশবনে বৃষ্টির মতো হিন্দুয়ানির একটানা গোঁড়ামি আটকাতে বসে সেকালের ব্রাহ্মসংস্কারকরা যে নিজেদের তৈরি করা সংস্কার বাতিকে বেশি ডুবুডুবু হয়েছিলেন —এমনটাই দাবি ১৮৭০ এর বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের|

বছর দুই আগে| আমার মায়ের বাড়ির পাশেই থাকত দুটো মিষ্টি-মস্তি বাচ্চা| মিষ্টি-মস্তি মানে —যেমন ফুলের মত দেখতে তাদের তেমনি শস্যশ্যামল তাদের মন| দিনের সবসময়ই আনন্দের

Differently abled বাচ্চাদের ক্লাস করি আমি| মজা করেই করি| বাচ্চারাও মজা পায়| দুপক্ষে মজা লোটালুটি করতে করতে কেমন এক মালার মত প্রীতি জন্মায়| ক্লাস শেষে

সে এক দিন| মারীর আভাস পাইনি তখনো| বাচ্চাগুলো তখন নাচতে নাচতে কিংবা রাস্তা ধরে এক আধলা খোয়া পাথর নিয়ে ল্যাং মারামারি করতে করতে স্কুলে আসত|

আমাদের স্কুলে বধির বা hearing impaired বিভাগে একটি দারুণ বাঁদর আর দারুণ সোনা ছেলে আছে| বাঁদরামি আর সোনামি দুইয়ে মিলে fantastic হয়ে গেছে আমাদের লিডার|

মাথাটা আমার বেহেড খারাপ করে দিলদার| দিলদার আমার সবচেয়ে মজাদার ছাত্র| দিন শুরু করে সে কদম কদম বাড়ায়ে চল গান দিয়ে| তারপর সারাটাদিন প্রতিটি স্টেপে

লাভলী| আমাদের স্কুলের ছাত্রী| এই ডাউন সিনড্রোম বাচ্চাটি তার স্বাভাবিক স্বভাব মাধুর্যে অচেনাকে কাছে টানতে পারে মাত্তর মিনিট পাঁচের মধ্যে| কী বলব আপনাদের, এনতার চুমু

কেরালা গিয়েছিলাম বেশ কবছর আগে| এমন ঘন সবুজে ছাওয়া দেশ– আগে দেখিনি| এতো গাছ আর সে গাছে এমন বড় বড় পাতা– মনে হয় সবুজের একটা

আমার একটি জড়বুদ্ধি ছাত্র আছে| বড় ভালোবাসত সে মনীষী ও দেশনেতাদের গল্প শুনতে| অন্য পড়া তার অল্প বুদ্ধি দিয়ে মনে রাখতে না পারলেও রবীন্দ্রনাথ, নজরুল

“গা জনগণমন অধিনায়ক| গা বলছি| ঠিক দশ গুণব| তার মধ্যে না গাইলে স্কেল|” — কোনো এক ভোরে একটা স্কুলের পাশ দিয়ে যেতে গিয়ে এই পিকুইলিয়ার

আমার মেজকাকার কাছে সম্প্রতি দুটি বাচ্চা ছেলে আসাযাওয়া করছে| পাশের বাড়ির গৃহরক্ষকের দুই ছেলে| দুই ভাই| আমার মেজকাকা ইতিহাসের একনিষ্ঠ পণ্ডিত মানুষ| সারাদিন নিজের বই

কপালে দুর্বাসা বসেছিল সেদিন| কপালে দুর্বাসা বসা —শব্দগুলো আমার ঠাকুমা রাধারাণীর আবিষ্কার| খুব মুডি আমি| ইচ্ছে আর অনিচ্ছেতে দুলতেই থাকি সারা দিন| সারা মাস| বছর

বাঁশবনে বৃষ্টির মতো হিন্দুয়ানির একটানা গোঁড়ামি আটকাতে বসে সেকালের ব্রাহ্মসংস্কারকরা যে নিজেদের তৈরি করা সংস্কার বাতিকে বেশি ডুবুডুবু হয়েছিলেন —এমনটাই দাবি ১৮৭০ এর বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের|

বছর দুই আগে| আমার মায়ের বাড়ির পাশেই থাকত দুটো মিষ্টি-মস্তি বাচ্চা| মিষ্টি-মস্তি মানে —যেমন ফুলের মত দেখতে তাদের তেমনি শস্যশ্যামল তাদের মন| দিনের সবসময়ই আনন্দের

Differently abled বাচ্চাদের ক্লাস করি আমি| মজা করেই করি| বাচ্চারাও মজা পায়| দুপক্ষে মজা লোটালুটি করতে করতে কেমন এক মালার মত প্রীতি জন্মায়| ক্লাস শেষে

সে এক দিন| মারীর আভাস পাইনি তখনো| বাচ্চাগুলো তখন নাচতে নাচতে কিংবা রাস্তা ধরে এক আধলা খোয়া পাথর নিয়ে ল্যাং মারামারি করতে করতে স্কুলে আসত|

আমাদের স্কুলে বধির বা hearing impaired বিভাগে একটি দারুণ বাঁদর আর দারুণ সোনা ছেলে আছে| বাঁদরামি আর সোনামি দুইয়ে মিলে fantastic হয়ে গেছে আমাদের লিডার|

মাথাটা আমার বেহেড খারাপ করে দিলদার| দিলদার আমার সবচেয়ে মজাদার ছাত্র| দিন শুরু করে সে কদম কদম বাড়ায়ে চল গান দিয়ে| তারপর সারাটাদিন প্রতিটি স্টেপে

লাভলী| আমাদের স্কুলের ছাত্রী| এই ডাউন সিনড্রোম বাচ্চাটি তার স্বাভাবিক স্বভাব মাধুর্যে অচেনাকে কাছে টানতে পারে মাত্তর মিনিট পাঁচের মধ্যে| কী বলব আপনাদের, এনতার চুমু

কেরালা গিয়েছিলাম বেশ কবছর আগে| এমন ঘন সবুজে ছাওয়া দেশ– আগে দেখিনি| এতো গাছ আর সে গাছে এমন বড় বড় পাতা– মনে হয় সবুজের একটা

আমার একটি জড়বুদ্ধি ছাত্র আছে| বড় ভালোবাসত সে মনীষী ও দেশনেতাদের গল্প শুনতে| অন্য পড়া তার অল্প বুদ্ধি দিয়ে মনে রাখতে না পারলেও রবীন্দ্রনাথ, নজরুল

“গা জনগণমন অধিনায়ক| গা বলছি| ঠিক দশ গুণব| তার মধ্যে না গাইলে স্কেল|” — কোনো এক ভোরে একটা স্কুলের পাশ দিয়ে যেতে গিয়ে এই পিকুইলিয়ার

আমার মেজকাকার কাছে সম্প্রতি দুটি বাচ্চা ছেলে আসাযাওয়া করছে| পাশের বাড়ির গৃহরক্ষকের দুই ছেলে| দুই ভাই| আমার মেজকাকা ইতিহাসের একনিষ্ঠ পণ্ডিত মানুষ| সারাদিন নিজের বই

কপালে দুর্বাসা বসেছিল সেদিন| কপালে দুর্বাসা বসা —শব্দগুলো আমার ঠাকুমা রাধারাণীর আবিষ্কার| খুব মুডি আমি| ইচ্ছে আর অনিচ্ছেতে দুলতেই থাকি সারা দিন| সারা মাস| বছর







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে