
দিনলিপিঃ বছর শেষ
বছরটা তাহলে শেষ হয়েই গেল। সব খারাপ সময়ই তো আর চলতে থাকে না। কষ্ট পেতে পেতে আচমকাই একদিন শেষ হয়ে যায়। অনেক দুঃখ, কষ্ট, বিষাদ

বছরটা তাহলে শেষ হয়েই গেল। সব খারাপ সময়ই তো আর চলতে থাকে না। কষ্ট পেতে পেতে আচমকাই একদিন শেষ হয়ে যায়। অনেক দুঃখ, কষ্ট, বিষাদ

আজ সারাদিন কেটেছে তুমুল ব্যস্ততায়। লক্ষ্য করে দেখছি বিগত কয়েকদিন ধরে একটু কাজের চাপ বেড়েছে।আউটডোর, ইমার্জেন্সি আর সার্জারি র হার হাসপাতালের সব ডিপার্টমেন্টে ই ধীরে

কোভিড মহামারীর খুব সম্ভবত শেষ পর্যায়এসে পড়েছে আমাদের দেশ। এটা অবশ্য আমার ব্যক্তিগত ধারণা নয়। এই ধারণার স্বপক্ষে কিছু যুক্তিসঙ্গত ব্যাখাও রয়েছে। অন্তত ভারত সরকারের

জর্জ মাইকেলের সেই বিখ্যাত ‘লাস্ট ক্রিসমাস’ গানটা মনে আছে নিশ্চয়ই। এই গানটা যখন প্রথম শুনি সেইবার সদ্য মাধ্যমিক পাস করেছি। ডিসেম্বর মাস চলছে তখন, শীতকাল।

চলে গেলেন দাদা। আশা আর আশঙ্কার মধ্যে দুলতে থাকা হাসপাতাল বা তার বাইরের, বন্ধু অথবা নিকট আত্মীয়দের, সবাইকে ফেলে রেখে। আমরা যারা ডাক্তার, যারা জীবন

শুভাশিসদার সাথে আমার পরিচয় প্রায় বছর দশেক আগে। আমি যখন প্রথম এই হাসপাতালে যোগ দিই জেনারেল সার্জারি বিভাগে, তার কিছুদিন পরেই গাইনোকলজিতে শুভাশিসদা যোগ দেন।বয়সে

সপ্তমী দিনটা ছুটি পেলেও মহাষ্টমী কেটে গেল কাজের চাপে। সারাদিন ধরে ইমার্জেন্সি করে সন্ধ্যাটাও বাদ গেল না। বাড়ি ফিরতে ফিরতে প্রায় মাঝরাত। তবে যাতায়াতের পথে

আকাশে বাতাসে এখন সাজো সাজো রব। যে কোনো বাঙালির জীবনে সেই আদি অকৃত্রিম দুর্গোৎসবের আকর্ষণ তো আর বলবার অপেক্ষা রাখে না। তবে এবারের পুজোর আবেদন

শুরুটা দেখে অনেকে চমকে যেতে পারেন। ভাবতে পারেন একজন শিক্ষিত মানুষের এ হেন শব্দ চয়নের কি কারণ?বাংলা ভাষায় বিরক্তির মনোভাবকে প্রকাশ করার মতো প্রতিশব্দের তো

আপনার বা আমাদের সবার মস্তিষ্ক কি ঠিকঠাক কাজ করে সবসময়? উত্তরটা হ্যাঁ বা না যাই হোক না কেন তার ব্যাখ্যা কিন্তু একটাই। আমাদের সবার ভিতরেই

শোনা যাচ্ছে মেডিক্যাল কলেজের প্রায় ৩৮ জন ডাক্তার কোভিড পজিটিভ। তাদের কোয়ার্যান্টাইন বা আইসোলেশনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বেসরকারি ডাক্তারদের কাছে আবেদন করেছেন সংক্রামিত

কাল মাঝরাতে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল।ইমার্জেন্সি পেসেন্ট দেখে ফিরতে ফিরতে রাত গড়িয়ে যায় অনেকটাই।বরাবর দেখেছি ফিরে আসার সময় আমার মেজাজ টা বেশ ফুরফুরে হয়ে যায়।ফাঁকা রাস্তায়

বছরটা তাহলে শেষ হয়েই গেল। সব খারাপ সময়ই তো আর চলতে থাকে না। কষ্ট পেতে পেতে আচমকাই একদিন শেষ হয়ে যায়। অনেক দুঃখ, কষ্ট, বিষাদ

আজ সারাদিন কেটেছে তুমুল ব্যস্ততায়। লক্ষ্য করে দেখছি বিগত কয়েকদিন ধরে একটু কাজের চাপ বেড়েছে।আউটডোর, ইমার্জেন্সি আর সার্জারি র হার হাসপাতালের সব ডিপার্টমেন্টে ই ধীরে

কোভিড মহামারীর খুব সম্ভবত শেষ পর্যায়এসে পড়েছে আমাদের দেশ। এটা অবশ্য আমার ব্যক্তিগত ধারণা নয়। এই ধারণার স্বপক্ষে কিছু যুক্তিসঙ্গত ব্যাখাও রয়েছে। অন্তত ভারত সরকারের

জর্জ মাইকেলের সেই বিখ্যাত ‘লাস্ট ক্রিসমাস’ গানটা মনে আছে নিশ্চয়ই। এই গানটা যখন প্রথম শুনি সেইবার সদ্য মাধ্যমিক পাস করেছি। ডিসেম্বর মাস চলছে তখন, শীতকাল।

চলে গেলেন দাদা। আশা আর আশঙ্কার মধ্যে দুলতে থাকা হাসপাতাল বা তার বাইরের, বন্ধু অথবা নিকট আত্মীয়দের, সবাইকে ফেলে রেখে। আমরা যারা ডাক্তার, যারা জীবন

শুভাশিসদার সাথে আমার পরিচয় প্রায় বছর দশেক আগে। আমি যখন প্রথম এই হাসপাতালে যোগ দিই জেনারেল সার্জারি বিভাগে, তার কিছুদিন পরেই গাইনোকলজিতে শুভাশিসদা যোগ দেন।বয়সে

সপ্তমী দিনটা ছুটি পেলেও মহাষ্টমী কেটে গেল কাজের চাপে। সারাদিন ধরে ইমার্জেন্সি করে সন্ধ্যাটাও বাদ গেল না। বাড়ি ফিরতে ফিরতে প্রায় মাঝরাত। তবে যাতায়াতের পথে

আকাশে বাতাসে এখন সাজো সাজো রব। যে কোনো বাঙালির জীবনে সেই আদি অকৃত্রিম দুর্গোৎসবের আকর্ষণ তো আর বলবার অপেক্ষা রাখে না। তবে এবারের পুজোর আবেদন

শুরুটা দেখে অনেকে চমকে যেতে পারেন। ভাবতে পারেন একজন শিক্ষিত মানুষের এ হেন শব্দ চয়নের কি কারণ?বাংলা ভাষায় বিরক্তির মনোভাবকে প্রকাশ করার মতো প্রতিশব্দের তো

আপনার বা আমাদের সবার মস্তিষ্ক কি ঠিকঠাক কাজ করে সবসময়? উত্তরটা হ্যাঁ বা না যাই হোক না কেন তার ব্যাখ্যা কিন্তু একটাই। আমাদের সবার ভিতরেই

শোনা যাচ্ছে মেডিক্যাল কলেজের প্রায় ৩৮ জন ডাক্তার কোভিড পজিটিভ। তাদের কোয়ার্যান্টাইন বা আইসোলেশনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বেসরকারি ডাক্তারদের কাছে আবেদন করেছেন সংক্রামিত

কাল মাঝরাতে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল।ইমার্জেন্সি পেসেন্ট দেখে ফিরতে ফিরতে রাত গড়িয়ে যায় অনেকটাই।বরাবর দেখেছি ফিরে আসার সময় আমার মেজাজ টা বেশ ফুরফুরে হয়ে যায়।ফাঁকা রাস্তায়







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে