
হাসপাতাল মানেই নরক গুলজার
মেডিক্যাল কলেজে আমি ১৯৭৮-এর ব্যাচ। ক্লাস শুরু হয়েছিল ১৯৭৯-এর জানুয়ারীতে। শুরু থেকেই আমি মেডিক্যাল কলেজ ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস’ অ্যাসোশিয়েসনের সদস্য। এমসিডিএসএ ১৯৭৭-এ গড়ে উঠছিল আভ্যন্তরীণ জরুরী

মেডিক্যাল কলেজে আমি ১৯৭৮-এর ব্যাচ। ক্লাস শুরু হয়েছিল ১৯৭৯-এর জানুয়ারীতে। শুরু থেকেই আমি মেডিক্যাল কলেজ ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস’ অ্যাসোশিয়েসনের সদস্য। এমসিডিএসএ ১৯৭৭-এ গড়ে উঠছিল আভ্যন্তরীণ জরুরী

আকাঙ্ক্ষা ছিল ডক্টর নর্মান বেথুন বা দ্বারকানাথ কোটনিসের মত মানুষের মুক্তির সংগ্রামে চিকিৎসক প্রধানত সার্জেনের ভূমিকা পালন করা। পোস্ট গ্রেজুয়েশন করবো না আগে থেকেই ঠিক

১৬ ই অক্টোবর ২০২৩ অভিজিৎ মিত্র মেমোরিয়াল চেরিটেবল সোসাইটি প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত কর্মশালার ভিডিও রেকর্ডিং।

(কমরেড শংকর গুহ নিয়োগীর ৩২ তম শহীদ দিবস উপলক্ষে ফেসবুকে লিখিত স্মৃতিচারণ।) শেষ যে দায়িত্ব দিয়েছিলেন সে দায়িত্ব পালন করতে পারিনি। হঠাৎ করে যদি তাঁর

কিছুটা মজা করে, কিছুটা অভিমানে বলতাম—আমি নিয়োগীর ‘বি’-টিমের লোক। ‘এ’-টিমে ছিলেন বিনায়কদা (সেন), আশীষদা (কুমার কুন্ডু)। শৈবালদা (জানা), চঞ্চলাদি (সমাজদার) আর আমি হাসপাতাল সামলাতাম। ওঁরা

I used to say, somewhat in amusement and somewhat grievingly, “I belong to the B-team of Niyogi”. The A-team consisted of Binayak (Sen) da and

এইডস আর ক্যান্সার (স্তন, ফুসফুস, কোলন ও প্রোস্টেট) থেকে যত মানুষ মারা যান তার চেয়ে বেশি মানুষ মারা যান হঠাৎ করে হার্ট বন্ধ হয়ে। হাসপাতালের

कुछ मस्ती में तो कुछ अभिमान के तहत मैं कहा करता था- मैं नियोगी की बी टीम का आदमी हूं। ए- टीम में विनायकदा (सेन),आशीषदा

সাড়ে ছয় বছর হতে চলল। ২০১৭-র মার্চ মাসে রাজ্য সরকার নিয়ে এলো নতুন ক্লিনিকাল এস্টাব্লিশমেন্ট অ্যাক্ট। সরকার ও শাসক দলের প্ররোচনায় চিকিৎসক ও সামনের সারির

রাজ্যের স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে আয়োজিত Hack-O-Med নামক অনুষ্ঠানে বড় মাপের দুর্নীতি এবং স্বজন পোষণের আশঙ্কা করেছিল জয়েন্ট প্লাটফর্ম অফ ডক্টরস, ওয়েস্ট বেঙ্গল।

মি টু ড্রাগ (Me too drugs)-এর বাংলা কি হবে? আমিও ওষুধ! বহু প্রচলিত, পরিচিত একটা ওষুধের গঠনে সামান্য পরিবর্তন এনে যে বা যেসব ওষুধ তৈরি

ভারতে প্রথম কয়েক ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ নিষিদ্ধ হয় ১৯৮৩ সালে। ঠিক তার আগের বছর প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ নিষিদ্ধ করেছে ১০৯৯টা ক্ষতিকর বা অপ্রয়োজনীয় ওষুধ, ঘোষণা

মেডিক্যাল কলেজে আমি ১৯৭৮-এর ব্যাচ। ক্লাস শুরু হয়েছিল ১৯৭৯-এর জানুয়ারীতে। শুরু থেকেই আমি মেডিক্যাল কলেজ ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস’ অ্যাসোশিয়েসনের সদস্য। এমসিডিএসএ ১৯৭৭-এ গড়ে উঠছিল আভ্যন্তরীণ জরুরী

আকাঙ্ক্ষা ছিল ডক্টর নর্মান বেথুন বা দ্বারকানাথ কোটনিসের মত মানুষের মুক্তির সংগ্রামে চিকিৎসক প্রধানত সার্জেনের ভূমিকা পালন করা। পোস্ট গ্রেজুয়েশন করবো না আগে থেকেই ঠিক

১৬ ই অক্টোবর ২০২৩ অভিজিৎ মিত্র মেমোরিয়াল চেরিটেবল সোসাইটি প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত কর্মশালার ভিডিও রেকর্ডিং।

(কমরেড শংকর গুহ নিয়োগীর ৩২ তম শহীদ দিবস উপলক্ষে ফেসবুকে লিখিত স্মৃতিচারণ।) শেষ যে দায়িত্ব দিয়েছিলেন সে দায়িত্ব পালন করতে পারিনি। হঠাৎ করে যদি তাঁর

কিছুটা মজা করে, কিছুটা অভিমানে বলতাম—আমি নিয়োগীর ‘বি’-টিমের লোক। ‘এ’-টিমে ছিলেন বিনায়কদা (সেন), আশীষদা (কুমার কুন্ডু)। শৈবালদা (জানা), চঞ্চলাদি (সমাজদার) আর আমি হাসপাতাল সামলাতাম। ওঁরা

I used to say, somewhat in amusement and somewhat grievingly, “I belong to the B-team of Niyogi”. The A-team consisted of Binayak (Sen) da and

এইডস আর ক্যান্সার (স্তন, ফুসফুস, কোলন ও প্রোস্টেট) থেকে যত মানুষ মারা যান তার চেয়ে বেশি মানুষ মারা যান হঠাৎ করে হার্ট বন্ধ হয়ে। হাসপাতালের

कुछ मस्ती में तो कुछ अभिमान के तहत मैं कहा करता था- मैं नियोगी की बी टीम का आदमी हूं। ए- टीम में विनायकदा (सेन),आशीषदा

সাড়ে ছয় বছর হতে চলল। ২০১৭-র মার্চ মাসে রাজ্য সরকার নিয়ে এলো নতুন ক্লিনিকাল এস্টাব্লিশমেন্ট অ্যাক্ট। সরকার ও শাসক দলের প্ররোচনায় চিকিৎসক ও সামনের সারির

রাজ্যের স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে আয়োজিত Hack-O-Med নামক অনুষ্ঠানে বড় মাপের দুর্নীতি এবং স্বজন পোষণের আশঙ্কা করেছিল জয়েন্ট প্লাটফর্ম অফ ডক্টরস, ওয়েস্ট বেঙ্গল।

মি টু ড্রাগ (Me too drugs)-এর বাংলা কি হবে? আমিও ওষুধ! বহু প্রচলিত, পরিচিত একটা ওষুধের গঠনে সামান্য পরিবর্তন এনে যে বা যেসব ওষুধ তৈরি

ভারতে প্রথম কয়েক ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ নিষিদ্ধ হয় ১৯৮৩ সালে। ঠিক তার আগের বছর প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ নিষিদ্ধ করেছে ১০৯৯টা ক্ষতিকর বা অপ্রয়োজনীয় ওষুধ, ঘোষণা







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে