
‘World Restart a Heart Day’ পালন করুন
এইডস আর ক্যান্সার (স্তন, ফুসফুস, কোলন ও প্রোস্টেট) থেকে যত মানুষ মারা যান তার চেয়ে বেশি মানুষ মারা যান হঠাৎ করে হার্ট বন্ধ হয়ে। হাসপাতালের

এইডস আর ক্যান্সার (স্তন, ফুসফুস, কোলন ও প্রোস্টেট) থেকে যত মানুষ মারা যান তার চেয়ে বেশি মানুষ মারা যান হঠাৎ করে হার্ট বন্ধ হয়ে। হাসপাতালের

कुछ मस्ती में तो कुछ अभिमान के तहत मैं कहा करता था- मैं नियोगी की बी टीम का आदमी हूं। ए- टीम में विनायकदा (सेन),आशीषदा

সাড়ে ছয় বছর হতে চলল। ২০১৭-র মার্চ মাসে রাজ্য সরকার নিয়ে এলো নতুন ক্লিনিকাল এস্টাব্লিশমেন্ট অ্যাক্ট। সরকার ও শাসক দলের প্ররোচনায় চিকিৎসক ও সামনের সারির

রাজ্যের স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে আয়োজিত Hack-O-Med নামক অনুষ্ঠানে বড় মাপের দুর্নীতি এবং স্বজন পোষণের আশঙ্কা করেছিল জয়েন্ট প্লাটফর্ম অফ ডক্টরস, ওয়েস্ট বেঙ্গল।

মি টু ড্রাগ (Me too drugs)-এর বাংলা কি হবে? আমিও ওষুধ! বহু প্রচলিত, পরিচিত একটা ওষুধের গঠনে সামান্য পরিবর্তন এনে যে বা যেসব ওষুধ তৈরি

ভারতে প্রথম কয়েক ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ নিষিদ্ধ হয় ১৯৮৩ সালে। ঠিক তার আগের বছর প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ নিষিদ্ধ করেছে ১০৯৯টা ক্ষতিকর বা অপ্রয়োজনীয় ওষুধ, ঘোষণা

চলে গেলেন বিশিষ্ট ক্যান্সার চিকিৎসক ডা স্থবির দাশগুপ্ত। দক্ষিণ কলকাতার এক ছোট নার্সিংহোমে উচ্চ রক্তচাপ, সিওপিডি এবং শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ নিয়ে কিছুদিন ভর্তি ছিলেন তিনি। শারীরিক

আজ থেকে ৪০বছরেরও বেশী সময় আগে হাতি কমিটি বলেছিল—১১৭টা ওষুধ দিয়ে ভারতের অধিকাংশ মানুষের অধিকাংশ রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব। সেটাই এদেশের প্রথম অত্যাবশ্যক ওষুধের তালিকা।

প্রায় ৪০ বছর আগে আশির দশকের শুরুতে প্রশ্ন উঠেছিল–ওষুধের জন্য মানুষ না মানুষের জন্য ওষুধ? অর্থাৎ ওষুধ কোম্পানির লাভের জন্য মানুষ ব্যবহৃত হবে নাকি মানুষের

সম্প্রতি ন্যাশানাল মেডিকাল কমিশন নির্দেশ দিয়েছেন–সমস্ত রেজিস্টার্ড মেডিকাল প্র্যাকটিশনারকে জেনেরিক নামে প্রেসক্রিপশন করতে হবে, নির্দেশ উল্লঙ্ঘনকারীদের জন্য শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে। বিষয়টা নতুন নয়। ২০০২-এ

আকাঙ্ক্ষা ছিল ডক্টর নর্মান বেথুন বা দ্বারকানাথ কোটনিসের মত মানুষের মুক্তির সংগ্রামে চিকিৎসক প্রধানত সার্জেনের ভূমিকা পালন করা। পোস্ট গ্রেজুয়েশন করবো না আগে থেকেই ঠিক

দেড়শ’ বছর আগে ডেঙ্গি মহামারী এড়াতে বালক রবীন্দ্রনাথের পরিবার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ী ছেড়ে পেনেটি-র বাগানবাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। চলতি কথায় ডেঙ্গু বলা হলেও রোগটার আসল নাম ডেঙ্গি।

এইডস আর ক্যান্সার (স্তন, ফুসফুস, কোলন ও প্রোস্টেট) থেকে যত মানুষ মারা যান তার চেয়ে বেশি মানুষ মারা যান হঠাৎ করে হার্ট বন্ধ হয়ে। হাসপাতালের

कुछ मस्ती में तो कुछ अभिमान के तहत मैं कहा करता था- मैं नियोगी की बी टीम का आदमी हूं। ए- टीम में विनायकदा (सेन),आशीषदा

সাড়ে ছয় বছর হতে চলল। ২০১৭-র মার্চ মাসে রাজ্য সরকার নিয়ে এলো নতুন ক্লিনিকাল এস্টাব্লিশমেন্ট অ্যাক্ট। সরকার ও শাসক দলের প্ররোচনায় চিকিৎসক ও সামনের সারির

রাজ্যের স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে আয়োজিত Hack-O-Med নামক অনুষ্ঠানে বড় মাপের দুর্নীতি এবং স্বজন পোষণের আশঙ্কা করেছিল জয়েন্ট প্লাটফর্ম অফ ডক্টরস, ওয়েস্ট বেঙ্গল।

মি টু ড্রাগ (Me too drugs)-এর বাংলা কি হবে? আমিও ওষুধ! বহু প্রচলিত, পরিচিত একটা ওষুধের গঠনে সামান্য পরিবর্তন এনে যে বা যেসব ওষুধ তৈরি

ভারতে প্রথম কয়েক ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ নিষিদ্ধ হয় ১৯৮৩ সালে। ঠিক তার আগের বছর প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ নিষিদ্ধ করেছে ১০৯৯টা ক্ষতিকর বা অপ্রয়োজনীয় ওষুধ, ঘোষণা

চলে গেলেন বিশিষ্ট ক্যান্সার চিকিৎসক ডা স্থবির দাশগুপ্ত। দক্ষিণ কলকাতার এক ছোট নার্সিংহোমে উচ্চ রক্তচাপ, সিওপিডি এবং শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ নিয়ে কিছুদিন ভর্তি ছিলেন তিনি। শারীরিক

আজ থেকে ৪০বছরেরও বেশী সময় আগে হাতি কমিটি বলেছিল—১১৭টা ওষুধ দিয়ে ভারতের অধিকাংশ মানুষের অধিকাংশ রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব। সেটাই এদেশের প্রথম অত্যাবশ্যক ওষুধের তালিকা।

প্রায় ৪০ বছর আগে আশির দশকের শুরুতে প্রশ্ন উঠেছিল–ওষুধের জন্য মানুষ না মানুষের জন্য ওষুধ? অর্থাৎ ওষুধ কোম্পানির লাভের জন্য মানুষ ব্যবহৃত হবে নাকি মানুষের

সম্প্রতি ন্যাশানাল মেডিকাল কমিশন নির্দেশ দিয়েছেন–সমস্ত রেজিস্টার্ড মেডিকাল প্র্যাকটিশনারকে জেনেরিক নামে প্রেসক্রিপশন করতে হবে, নির্দেশ উল্লঙ্ঘনকারীদের জন্য শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে। বিষয়টা নতুন নয়। ২০০২-এ

আকাঙ্ক্ষা ছিল ডক্টর নর্মান বেথুন বা দ্বারকানাথ কোটনিসের মত মানুষের মুক্তির সংগ্রামে চিকিৎসক প্রধানত সার্জেনের ভূমিকা পালন করা। পোস্ট গ্রেজুয়েশন করবো না আগে থেকেই ঠিক

দেড়শ’ বছর আগে ডেঙ্গি মহামারী এড়াতে বালক রবীন্দ্রনাথের পরিবার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ী ছেড়ে পেনেটি-র বাগানবাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। চলতি কথায় ডেঙ্গু বলা হলেও রোগটার আসল নাম ডেঙ্গি।







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে