
কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি
সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

মেসি: এসেছি একটু খেলব না? এত দর্শক আমার খেলা দেখতে এয়েছে… অবি: খেলতে পারেন, তবে যত স্কয়ার ফিট জুড়ে খেলবেন, সেই হিসাবে কাটমানি লাগবে কিন্তু…

মেডিক্যাল কলেজে হোস্টেলে একটা জিনিস শিখেছিলাম, সিনিয়রের প্রতি অগাধ আনুগত্য। সিনিয়রের কথা অমৃত সমান, সে পড়াশোনার ক্ষেত্রে হোক বা জীবনের চলার পথে। উভয় ক্ষেত্রেই যে

ক’দিন আগে অব্দি এসএসকেএমে কার্ডিওলজি রেসিডেন্সি করেছি। সোমবার ক্যাথল্যাব থাকতো, সকাল সাড়ে আটটা থেকে সন্ধ্যা অব্দি কেস চলতো, দুপুরে খাওয়াদাওয়ার কোনো গল্প ছিল না। ডিউটি

পৃথিবীতে মানুষের জীবিকার থেকেও তার ইন্টেনশনটা বেশি ইম্পর্ট্যান্ট। একজন ডাক্তার আপাতভাবে খুব ভালো মনে হতে পারেন। কিন্তু তিনি মনে মনে ঠিক চান যে আপনি অসুস্থ

অত্যধিক বকার দোষে আমি একখান লাথ খেয়ে কলকাতা থেকে মেদিনীপুরে গিয়ে পড়েছি। আরেকখান লাথ খেলে যদি সৌভাগ্যবশত পশ্চিমবঙ্গের বাইরে গিয়ে পড়ি, সেই উদ্দেশ্যে লেখাটা দিচ্ছি।

বাংলা পিছিয়ে পড়েছিল সব কিছুতে – শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতি। বাম অপশাসনের শেষে ভারতের মানচিত্রে বাংলাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সেই সময় ক্ষমতায় এলেন অগ্নিকন্যা, আজ

মেডিক্যাল ফিল্ডে বিভিন্ন জিনিসের নামকরণ পরিবর্তিত হতে থাকে। কখনো সেটা বেশি খাপ খায় বলে, কখনো সেটা বিতর্কিত মানুষদের প্রসঙ্গ দূরে রাখতে। যেমন ধরুন হার্ট অ্যাটাকের

বামপন্থী জুনিয়র ডাক্তাররা আন্দোলন হাইজ্যাক করে নিয়ে পূজ্যপাদ শ্রী শ্রী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মহাশয়কে আন্দোলনে শামিল হতে দেয় নি, তাই আজ সারদা কাণ্ডে জামিন হয়ে গেলো।

ডাক্তারি পড়ুয়ারা এমবিবিএস করেই এন্সিওর করে তার ভাত কাপড়ের অভাব হবে না। তারপর সে তার অ্যাকাডেমিক ড্রিম চেস করার জন্য স্পেশালিটি করে… এক্সিস্টেনশিয়াল ক্রাইসিস দূর

গতকাল একটা নোটিশে আমার পিজি হাসপাতালে সাত বছরের যাত্রা আপাতত সমাপ্ত হলো, আমার বন্ড পোস্টিং মেদিনীপুরে হয়েছে এবং আগামী সপ্তাহেই সেখানে জয়েন করবো। সাত বছর

অবশেষে স্বাস্থ্য অধিকর্তা সেদিন মঞ্চে উঠে বলে দিলেন, এখন ডাক্তারদের ট্রেনিং ঠিকঠাক হচ্ছে না! তাঁর বক্তব্যকে নিয়ে অনেক জলঘোলা করার চেষ্টা হলো। কিন্তু দিনের শেষে

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

মেসি: এসেছি একটু খেলব না? এত দর্শক আমার খেলা দেখতে এয়েছে… অবি: খেলতে পারেন, তবে যত স্কয়ার ফিট জুড়ে খেলবেন, সেই হিসাবে কাটমানি লাগবে কিন্তু…

মেডিক্যাল কলেজে হোস্টেলে একটা জিনিস শিখেছিলাম, সিনিয়রের প্রতি অগাধ আনুগত্য। সিনিয়রের কথা অমৃত সমান, সে পড়াশোনার ক্ষেত্রে হোক বা জীবনের চলার পথে। উভয় ক্ষেত্রেই যে

ক’দিন আগে অব্দি এসএসকেএমে কার্ডিওলজি রেসিডেন্সি করেছি। সোমবার ক্যাথল্যাব থাকতো, সকাল সাড়ে আটটা থেকে সন্ধ্যা অব্দি কেস চলতো, দুপুরে খাওয়াদাওয়ার কোনো গল্প ছিল না। ডিউটি

পৃথিবীতে মানুষের জীবিকার থেকেও তার ইন্টেনশনটা বেশি ইম্পর্ট্যান্ট। একজন ডাক্তার আপাতভাবে খুব ভালো মনে হতে পারেন। কিন্তু তিনি মনে মনে ঠিক চান যে আপনি অসুস্থ

অত্যধিক বকার দোষে আমি একখান লাথ খেয়ে কলকাতা থেকে মেদিনীপুরে গিয়ে পড়েছি। আরেকখান লাথ খেলে যদি সৌভাগ্যবশত পশ্চিমবঙ্গের বাইরে গিয়ে পড়ি, সেই উদ্দেশ্যে লেখাটা দিচ্ছি।

বাংলা পিছিয়ে পড়েছিল সব কিছুতে – শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতি। বাম অপশাসনের শেষে ভারতের মানচিত্রে বাংলাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সেই সময় ক্ষমতায় এলেন অগ্নিকন্যা, আজ

মেডিক্যাল ফিল্ডে বিভিন্ন জিনিসের নামকরণ পরিবর্তিত হতে থাকে। কখনো সেটা বেশি খাপ খায় বলে, কখনো সেটা বিতর্কিত মানুষদের প্রসঙ্গ দূরে রাখতে। যেমন ধরুন হার্ট অ্যাটাকের

বামপন্থী জুনিয়র ডাক্তাররা আন্দোলন হাইজ্যাক করে নিয়ে পূজ্যপাদ শ্রী শ্রী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মহাশয়কে আন্দোলনে শামিল হতে দেয় নি, তাই আজ সারদা কাণ্ডে জামিন হয়ে গেলো।

ডাক্তারি পড়ুয়ারা এমবিবিএস করেই এন্সিওর করে তার ভাত কাপড়ের অভাব হবে না। তারপর সে তার অ্যাকাডেমিক ড্রিম চেস করার জন্য স্পেশালিটি করে… এক্সিস্টেনশিয়াল ক্রাইসিস দূর

গতকাল একটা নোটিশে আমার পিজি হাসপাতালে সাত বছরের যাত্রা আপাতত সমাপ্ত হলো, আমার বন্ড পোস্টিং মেদিনীপুরে হয়েছে এবং আগামী সপ্তাহেই সেখানে জয়েন করবো। সাত বছর

অবশেষে স্বাস্থ্য অধিকর্তা সেদিন মঞ্চে উঠে বলে দিলেন, এখন ডাক্তারদের ট্রেনিং ঠিকঠাক হচ্ছে না! তাঁর বক্তব্যকে নিয়ে অনেক জলঘোলা করার চেষ্টা হলো। কিন্তু দিনের শেষে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে