
জেলকোস্টমি
এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগে ডিউটি। সন্ধ্যের রাউন্ড চলছে। জুনিয়র ডাক্তার কৃষ্ণেন্দু ছুটে এলো। দাদা, একটু নিচের তলায় মেল এমারজেন্সি বিভাগে যেতে হবে। মধ্য

এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগে ডিউটি। সন্ধ্যের রাউন্ড চলছে। জুনিয়র ডাক্তার কৃষ্ণেন্দু ছুটে এলো। দাদা, একটু নিচের তলায় মেল এমারজেন্সি বিভাগে যেতে হবে। মধ্য

মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ইমারজেন্সি বিভাগে কর্মরত তখন। রাত প্রায় একটা। একঘেয়ে অভ্যস্ত স্ট্রেচারের ঘ্যাঁচর ঘোঁচর আওয়াজে বছর কুড়ির তরুণীর পেটের যন্ত্রণায় কাতর প্রবেশ। “সকাল থেকে

চৈত্রের দুপুরে হাসপাতালে ডিউটি। রোগীর ভিড়ে উপচে পড়ছে ছোট্ট হাসপাতাল চত্ত্বর। পিলের জ্বর আর পান্ডুরোগের ভিড়ে প্রসব যন্ত্রণা আর দুর্ঘটনার উপর্যুপরি আর্তনাদ। আর একা কুম্ভ

গেল নভেম্বরের চার তারিখ। দেওয়ালীর দুপুর। গ্যাংটকের রাস্তায় মেল্লিতে নেমেছিলাম তিস্তার ওপর জীবনের প্রথম র্যাফটিং এর জন্য। গাইডের অকুতোভয়ে সাঁতার না জানা সহধর্মিণীও লাইফ জ্যাকেট

বরষার মাঝে ডেবরা হাসপাতালে সেদিন ডিউটি আমার। মেঘের কর্কশ আওয়াজের সাথে সাথে লোডশেডিং। চারিদিক প্রায় অন্ধকার। দুপুরের রোদ মেঘের প্রাচুর্যে মলিন। বাইরে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি। তাও

পশ্চিম মেদিনীপুরের মফঃস্বলে তখন নতুন প্র্যাকটিস শুরু করেছি। এক তপ্ত দুপুরে চেম্বারের ভিড়ে বছর তেরোর এক রোগা মেয়েকে নিয়ে তার বাবা এসেছেন চোখেমুখে যথেষ্ট উদবেগ

বছর দশেক আগের কথা। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের পুরোনো হাসপাতাল বিল্ডিং-এর নিচ তলায় তখন পুড়ে যাওয়া রোগিনীদের রাখা হত। রান্না ঘরে অসাবধানতার কারণেই হোক বা সন্ধ্যা

সেদিন ছিলো পয়লা জুলাই,২০১৮ সাল। ডেবরা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে ঘাম ঝরানো দুপুর। পেটে ব্যথা নিয়ে বছর তিরিশের এক রোগা মহিলাকে নিয়ে চার পাঁচ জন যুবকের প্রবেশ।

গ্রীষ্মের চরম দুপুর। ডেবরা গ্রামীণ হাসপাতালের ইমারজেন্সী বিভাগে সেদিন নিরন্তর রোগীর ভিড়। বুকে ব্যথা, পিলের জ্বর, পান্ডুরোগ থেকে শুরু করে সাপে কাটা আর মানুষে কাটা,

২০১২ সাল। ডেঙ্গু তখনও স্বমর্যাদা হারায়নি। মেডিসিন বিভাগে রাউন্ড চলছে ডাঃ সরকারের নেতৃত্বে।এক্সট্রা ওয়ার্ড খুলে ভিড় সামলানোর প্রভূত চেষ্টা চলছে এম আর বাংগুর হাসপাতালে। থিকথিক

বছর আটেক হয়ে গেল। টালিগঞ্জের এম.আর.বাঙ্গুর হাসপাতালে তখন মেডিসিন বিভাগের এইচ.এম.ও আমি। এমারজেন্সিতে উপচে পড়া ভিড়। হাসপাতাল তখন এতো সাজানো ছিলো না। তিনটি ফ্লোরে রোগী

করোনা জয় করলাম মানে এই রোগ আর কোনওদিন ক্ষতি করতে পারবে না- এই ধারণাই ডেকে আনছে বিপদ। করোনা মুক্ত মানে সে পুরোপুরি সুস্থ এমন নয়।

এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগে ডিউটি। সন্ধ্যের রাউন্ড চলছে। জুনিয়র ডাক্তার কৃষ্ণেন্দু ছুটে এলো। দাদা, একটু নিচের তলায় মেল এমারজেন্সি বিভাগে যেতে হবে। মধ্য

মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ইমারজেন্সি বিভাগে কর্মরত তখন। রাত প্রায় একটা। একঘেয়ে অভ্যস্ত স্ট্রেচারের ঘ্যাঁচর ঘোঁচর আওয়াজে বছর কুড়ির তরুণীর পেটের যন্ত্রণায় কাতর প্রবেশ। “সকাল থেকে

চৈত্রের দুপুরে হাসপাতালে ডিউটি। রোগীর ভিড়ে উপচে পড়ছে ছোট্ট হাসপাতাল চত্ত্বর। পিলের জ্বর আর পান্ডুরোগের ভিড়ে প্রসব যন্ত্রণা আর দুর্ঘটনার উপর্যুপরি আর্তনাদ। আর একা কুম্ভ

গেল নভেম্বরের চার তারিখ। দেওয়ালীর দুপুর। গ্যাংটকের রাস্তায় মেল্লিতে নেমেছিলাম তিস্তার ওপর জীবনের প্রথম র্যাফটিং এর জন্য। গাইডের অকুতোভয়ে সাঁতার না জানা সহধর্মিণীও লাইফ জ্যাকেট

বরষার মাঝে ডেবরা হাসপাতালে সেদিন ডিউটি আমার। মেঘের কর্কশ আওয়াজের সাথে সাথে লোডশেডিং। চারিদিক প্রায় অন্ধকার। দুপুরের রোদ মেঘের প্রাচুর্যে মলিন। বাইরে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি। তাও

পশ্চিম মেদিনীপুরের মফঃস্বলে তখন নতুন প্র্যাকটিস শুরু করেছি। এক তপ্ত দুপুরে চেম্বারের ভিড়ে বছর তেরোর এক রোগা মেয়েকে নিয়ে তার বাবা এসেছেন চোখেমুখে যথেষ্ট উদবেগ

বছর দশেক আগের কথা। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের পুরোনো হাসপাতাল বিল্ডিং-এর নিচ তলায় তখন পুড়ে যাওয়া রোগিনীদের রাখা হত। রান্না ঘরে অসাবধানতার কারণেই হোক বা সন্ধ্যা

সেদিন ছিলো পয়লা জুলাই,২০১৮ সাল। ডেবরা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে ঘাম ঝরানো দুপুর। পেটে ব্যথা নিয়ে বছর তিরিশের এক রোগা মহিলাকে নিয়ে চার পাঁচ জন যুবকের প্রবেশ।

গ্রীষ্মের চরম দুপুর। ডেবরা গ্রামীণ হাসপাতালের ইমারজেন্সী বিভাগে সেদিন নিরন্তর রোগীর ভিড়। বুকে ব্যথা, পিলের জ্বর, পান্ডুরোগ থেকে শুরু করে সাপে কাটা আর মানুষে কাটা,

২০১২ সাল। ডেঙ্গু তখনও স্বমর্যাদা হারায়নি। মেডিসিন বিভাগে রাউন্ড চলছে ডাঃ সরকারের নেতৃত্বে।এক্সট্রা ওয়ার্ড খুলে ভিড় সামলানোর প্রভূত চেষ্টা চলছে এম আর বাংগুর হাসপাতালে। থিকথিক

বছর আটেক হয়ে গেল। টালিগঞ্জের এম.আর.বাঙ্গুর হাসপাতালে তখন মেডিসিন বিভাগের এইচ.এম.ও আমি। এমারজেন্সিতে উপচে পড়া ভিড়। হাসপাতাল তখন এতো সাজানো ছিলো না। তিনটি ফ্লোরে রোগী

করোনা জয় করলাম মানে এই রোগ আর কোনওদিন ক্ষতি করতে পারবে না- এই ধারণাই ডেকে আনছে বিপদ। করোনা মুক্ত মানে সে পুরোপুরি সুস্থ এমন নয়।







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে