
মোহকে ভাঙবার জন্যেই দেবতা। রাখবার জন্যেই অপদেবতা।’
যোধপুরের সার্কিট হাউসের সন্ধেরাতে লাল মেরজাই পরা অচেনা লোককে দূরে পালিয়ে যেতে দেখে গম্ভীর মুখে ফেলুদা বলেছিল –“নিশ্চিন্ত আর থাকা গেল না রে তোপসে।” যখন

যোধপুরের সার্কিট হাউসের সন্ধেরাতে লাল মেরজাই পরা অচেনা লোককে দূরে পালিয়ে যেতে দেখে গম্ভীর মুখে ফেলুদা বলেছিল –“নিশ্চিন্ত আর থাকা গেল না রে তোপসে।” যখন

গতকাল আমার জন্মদিন ছিল। ছাপ্পান্ন বছর আগে চৈত্রশেষের এক ধুলোটে বিকেলে পড়ন্ত রোদ্দুর মেখে যে কন্যাটি জন্ম নিয়েছিল, তার কৃষ্ণচূড়ার ললাটিকা কবেই গিয়েছে ফিকে হয়ে

মাধুদা আমার বড় জ্যাঠামশায়ের মেজো ছেলে — আমার ‘রাবুণে’ গোষ্ঠীতুল্য পিতৃকুলের বিয়াল্লিশ জন তুতো ভাই বোনের অন্যতম। বয়সে আমার চেয়ে বাইশ তেইশ বছরের বড় হবেন

যতই অন্তরের অন্তঃস্থল ছেনে রঙ্গব্যঙ্গের সুষমা তুলে আনতে চাই, হাতে উঠে আসে নিঃসীম আঁধার। কাউকে বিচার করার অবস্থায় নেই, বিশেষ করে নিজে যখন মনেপ্রাণে বিশ্বাস

মাননীয় কেন্দ্রীয় সরকার বাহাদুরের (পড়ুন বীরকেশরী ভারতপুঙ্গব প্রধানমন্ত্রীর) দৃষ্টিগোচর হয়েছে যে বর্তমান বিদ্যালয়গামী প্রজন্ম, যাদের বয়স আট-দশ-বারো-চোদ্দ, তারা নাকি স্থূলতার শিকার হয়ে পড়ছে। কারণ অতিমাত্রায়

সত্যি কথা বলতে কি, এইরকম একটা দিন যে পৃথিবীর কোথাও উদযাপিত হয় কিংবা সঠিকভাবে বলতে গেলে এই ধরণের কোনও দিনের যে আদৌ অস্তিত্ব রয়েছে, সেটাই

জ্যামজটহীন ফাঁকা রাস্তা, বাসে জানলার ধারের সিট, ফুরফুর করে হাওয়া আসছে — তবু সুতপার ভুরুর জটটা কাটছিল না একটুও। ভিক্টোরিয়ার বাগান আলো করে ফুরুশ ফুটেছে,

জীবনের প্রথম ছোটগল্পটি লিখেছিলাম স্কুল ম্যাগাজ়িনে, সতের বছর বয়সে। রক্তের ক্যানসারে আক্রান্ত একটি শিশুর শেষ কয়েকদিনের হাসপাতালবাসের গল্প। নাম, ‘অসমাপ্ত’। সেই কৈশোরের চৌকাঠ পেরিয়ে তারুণ্যের

গুরু দত্ত যখন পৃথিবী ছেড়ে চলে যান, আমার জন্ম তার অনেক দূরের ঘটনা। তাঁর রহস্যমৃত্যু (মতান্তরে আত্মহনন) সম্পর্কে নানা ফিল্ম ম্যাগাজিনে পড়েছি। পরে ইন্টারনেট ঘেঁটেও

আজ ১৩ই ফেব্রুয়ারি, ১৪ই নয়। তবে দিনটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে আমার কাছে। কি, সেটা আর না-ই বা বললাম। কত কথা হৃদয়ের বন্ধ প্রকোষ্ঠে গোপন রেখেই

শিরোনামটা অন্যও রাখতে পারতাম। লিখতে পারতাম, বাংলা ছায়াছবির নায়িকার ভূমিকায় লেডি ডক্টর — কিন্তু অতিনাটুকে হয়ে যাবে মনে হলো। তা ছাড়া থিসিস তো আর লিখতে

এই চরিত্রহীন সময়ে দাঁড়িয়ে কিছু লিখতে ইচ্ছে করে না, নতুন কিছু ভাবতেও সাহস হয় না। মায়ামাখা অতীতে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে বারবার। সেই ধূসর, সেপিয়া

যোধপুরের সার্কিট হাউসের সন্ধেরাতে লাল মেরজাই পরা অচেনা লোককে দূরে পালিয়ে যেতে দেখে গম্ভীর মুখে ফেলুদা বলেছিল –“নিশ্চিন্ত আর থাকা গেল না রে তোপসে।” যখন

গতকাল আমার জন্মদিন ছিল। ছাপ্পান্ন বছর আগে চৈত্রশেষের এক ধুলোটে বিকেলে পড়ন্ত রোদ্দুর মেখে যে কন্যাটি জন্ম নিয়েছিল, তার কৃষ্ণচূড়ার ললাটিকা কবেই গিয়েছে ফিকে হয়ে

মাধুদা আমার বড় জ্যাঠামশায়ের মেজো ছেলে — আমার ‘রাবুণে’ গোষ্ঠীতুল্য পিতৃকুলের বিয়াল্লিশ জন তুতো ভাই বোনের অন্যতম। বয়সে আমার চেয়ে বাইশ তেইশ বছরের বড় হবেন

যতই অন্তরের অন্তঃস্থল ছেনে রঙ্গব্যঙ্গের সুষমা তুলে আনতে চাই, হাতে উঠে আসে নিঃসীম আঁধার। কাউকে বিচার করার অবস্থায় নেই, বিশেষ করে নিজে যখন মনেপ্রাণে বিশ্বাস

মাননীয় কেন্দ্রীয় সরকার বাহাদুরের (পড়ুন বীরকেশরী ভারতপুঙ্গব প্রধানমন্ত্রীর) দৃষ্টিগোচর হয়েছে যে বর্তমান বিদ্যালয়গামী প্রজন্ম, যাদের বয়স আট-দশ-বারো-চোদ্দ, তারা নাকি স্থূলতার শিকার হয়ে পড়ছে। কারণ অতিমাত্রায়

সত্যি কথা বলতে কি, এইরকম একটা দিন যে পৃথিবীর কোথাও উদযাপিত হয় কিংবা সঠিকভাবে বলতে গেলে এই ধরণের কোনও দিনের যে আদৌ অস্তিত্ব রয়েছে, সেটাই

জ্যামজটহীন ফাঁকা রাস্তা, বাসে জানলার ধারের সিট, ফুরফুর করে হাওয়া আসছে — তবু সুতপার ভুরুর জটটা কাটছিল না একটুও। ভিক্টোরিয়ার বাগান আলো করে ফুরুশ ফুটেছে,

জীবনের প্রথম ছোটগল্পটি লিখেছিলাম স্কুল ম্যাগাজ়িনে, সতের বছর বয়সে। রক্তের ক্যানসারে আক্রান্ত একটি শিশুর শেষ কয়েকদিনের হাসপাতালবাসের গল্প। নাম, ‘অসমাপ্ত’। সেই কৈশোরের চৌকাঠ পেরিয়ে তারুণ্যের

গুরু দত্ত যখন পৃথিবী ছেড়ে চলে যান, আমার জন্ম তার অনেক দূরের ঘটনা। তাঁর রহস্যমৃত্যু (মতান্তরে আত্মহনন) সম্পর্কে নানা ফিল্ম ম্যাগাজিনে পড়েছি। পরে ইন্টারনেট ঘেঁটেও

আজ ১৩ই ফেব্রুয়ারি, ১৪ই নয়। তবে দিনটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে আমার কাছে। কি, সেটা আর না-ই বা বললাম। কত কথা হৃদয়ের বন্ধ প্রকোষ্ঠে গোপন রেখেই

শিরোনামটা অন্যও রাখতে পারতাম। লিখতে পারতাম, বাংলা ছায়াছবির নায়িকার ভূমিকায় লেডি ডক্টর — কিন্তু অতিনাটুকে হয়ে যাবে মনে হলো। তা ছাড়া থিসিস তো আর লিখতে

এই চরিত্রহীন সময়ে দাঁড়িয়ে কিছু লিখতে ইচ্ছে করে না, নতুন কিছু ভাবতেও সাহস হয় না। মায়ামাখা অতীতে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে বারবার। সেই ধূসর, সেপিয়া







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে