
Memoirs of An Accidental Doctor: প্রথম পর্ব
হঠাৎ আমার লেখাপত্রের এমন ইংরেজি শিরোনাম কেন দিলাম, তাই নিয়ে বন্ধুরা ধন্দে পড়তে পারেন। আসলে কয়েক পর্বে যে লেখাটা লিখতে বসেছি, এর চেয়ে উপযুক্ত নাম

হঠাৎ আমার লেখাপত্রের এমন ইংরেজি শিরোনাম কেন দিলাম, তাই নিয়ে বন্ধুরা ধন্দে পড়তে পারেন। আসলে কয়েক পর্বে যে লেখাটা লিখতে বসেছি, এর চেয়ে উপযুক্ত নাম

ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের পেডিয়াট্রিক্স ডিপার্টমেন্ট ছিল রাজা রামমোহন রায় ব্লকের একেবারে উপরের তলায়, মানে, ছ’তলায়। সর্বসাকুল্যে ষাটটি বেড, তার দশটি পেয়িং আর পঞ্চাশটি ফ্রি বেড।

দশম শ্রেণীতে পড়াকালীন, গালফ ওয়ারের অভিঘাতে বিচলিত হয়ে ইশকুলের ম্যাগাজিনে একটি নাতিদীর্ঘ রচনা লিখেছিলাম — ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা’ শিরোনামে। ডেঁপো কিশোরীর সেই আবেগাপ্লুত, অন্তঃসারশূন্য লেখাটি

মহাকালের অস্বাস্থ্যকর ক্ষুধাবৃদ্ধি হয়েছে। তার ক্ষুণ্ণিবৃত্তির জন্য সুখী, সুস্থ, মজলিশি, তরতাজা মানুষের প্রয়োজন হচ্ছে আজকাল। যারা প্রিয় ক্রিকেটদলের জয় উদযাপনে রাস্তায় নেমে উল্লাস করছে, যারা

আমরা কি অতিমাত্রায় অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছি? প্রতিবেশীর ভাল থাকা, আত্মীয়-পরিজনের উন্নতি, বন্ধুবান্ধবের আনন্দের মুহূর্তযাপনের ছবি — কিছুই সহ্য হচ্ছে না? নাকি আমরা অতিমাত্রায় সহনশীল হয়ে

সত্যজিৎ রায়ের তিনটি ছবিকে “ক্যালকাটা ট্রিলজি” হিসেবে অভিহিত করেছিলেন তৎকালীন ফিল্ম সমালোচকেরা — প্রতিদ্বন্দ্বী(১৯৭০), সীমাবদ্ধ(১৯৭১) এবং জন অরণ্য(১৯৭৬)। আজ ইউ টিউবে তিনটি ছবি ফিরে দেখলাম।

প্রজ্ঞাকর ভিক্ষুর নেতৃত্বে বৌদ্ধ শ্রমণদিগের দলটি কৌশাম্বি, বুদ্ধগয়া ও রক্তমৃত্তিকা মহাবিহারের ধ্বংসাবশেষ দর্শনান্তে পুনরায় উত্তরাপথ অভিমুখে প্রত্যাগমন করিতেছিল। পথিমধ্যে কাশী নগরী সংলগ্ন সুপ্রাচীন ধামেক স্তূপ

গৌড়ের রাজধানী কর্ণসুবর্ণের রাজপ্রাসাদে প্রাত্যহিক কর্মব্যস্ততায় সম্প্রতি কিছু অস্বাভাবিকতা পরিলক্ষিত হইতেছে। প্রায় পক্ষকাল যাবত মহারাজ শশাঙ্কদেব রাজসভায় অনুপস্থিত আছেন। তাঁহার আকস্মিক অন্তরালবাসের কোনও তাৎপর্য রহিয়াছে

নিশীথের গাঢ় তমিস্রা ধীরে ধীরে ধূসর হইয়া আসিল — হর্ষবর্ধন ও দুর্গাবতীর প্রথম দাম্পত্য রাত্রির অবসান হইয়া প্রভাতের প্রথম আলোককিরণ বাতায়নপথে প্রবেশ করিয়া তাঁহাদের যুগ্মশয্যায়

দীপান্বিতা প্রত্যহ প্রত্যুষে শয্যাত্যাগ করিয়া সূর্যবন্দনা সমাপনান্তে রাজপ্রাসাদের প্রাকারের বাহিরে ঈশান নদীর তীরস্থ ঘাটে স্নান করিতে যাইত। স্নানাদি সম্পন্ন হইলে সে অবরোধে নিজ প্রকোষ্ঠটিতে ফিরিয়া

এক প্রখর নিদাঘ-প্রদোষে সেনাপতি, মহামন্ত্রী এবং মুখ্য অমাত্যবর্গের সহিত রাজা হর্ষবর্ধনের সান্ধ্য মন্ত্রণাসভা তর্কবিতর্কের আবহে কিছু উত্তপ্ত হইয়া উঠিয়াছিল। তর্কের অবশ্য গুরুতর কারণ ছিল। ভণ্ডী

আচার্য শীলভদ্র ত্বরাহীন শান্তকণ্ঠে কহিতেছিলেন –“ইহা সত্য যে সমগ্র উত্তরাপথে পাশুপত ধর্মই আদি শৈবধর্ম। এই সনাতন পাশুপত ধর্মের ধ্যান ও কল্পনার মধ্যেই হিন্দুধর্মের শ্রেষ্ঠ বিকাশ

হঠাৎ আমার লেখাপত্রের এমন ইংরেজি শিরোনাম কেন দিলাম, তাই নিয়ে বন্ধুরা ধন্দে পড়তে পারেন। আসলে কয়েক পর্বে যে লেখাটা লিখতে বসেছি, এর চেয়ে উপযুক্ত নাম

ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের পেডিয়াট্রিক্স ডিপার্টমেন্ট ছিল রাজা রামমোহন রায় ব্লকের একেবারে উপরের তলায়, মানে, ছ’তলায়। সর্বসাকুল্যে ষাটটি বেড, তার দশটি পেয়িং আর পঞ্চাশটি ফ্রি বেড।

দশম শ্রেণীতে পড়াকালীন, গালফ ওয়ারের অভিঘাতে বিচলিত হয়ে ইশকুলের ম্যাগাজিনে একটি নাতিদীর্ঘ রচনা লিখেছিলাম — ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা’ শিরোনামে। ডেঁপো কিশোরীর সেই আবেগাপ্লুত, অন্তঃসারশূন্য লেখাটি

মহাকালের অস্বাস্থ্যকর ক্ষুধাবৃদ্ধি হয়েছে। তার ক্ষুণ্ণিবৃত্তির জন্য সুখী, সুস্থ, মজলিশি, তরতাজা মানুষের প্রয়োজন হচ্ছে আজকাল। যারা প্রিয় ক্রিকেটদলের জয় উদযাপনে রাস্তায় নেমে উল্লাস করছে, যারা

আমরা কি অতিমাত্রায় অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছি? প্রতিবেশীর ভাল থাকা, আত্মীয়-পরিজনের উন্নতি, বন্ধুবান্ধবের আনন্দের মুহূর্তযাপনের ছবি — কিছুই সহ্য হচ্ছে না? নাকি আমরা অতিমাত্রায় সহনশীল হয়ে

সত্যজিৎ রায়ের তিনটি ছবিকে “ক্যালকাটা ট্রিলজি” হিসেবে অভিহিত করেছিলেন তৎকালীন ফিল্ম সমালোচকেরা — প্রতিদ্বন্দ্বী(১৯৭০), সীমাবদ্ধ(১৯৭১) এবং জন অরণ্য(১৯৭৬)। আজ ইউ টিউবে তিনটি ছবি ফিরে দেখলাম।

প্রজ্ঞাকর ভিক্ষুর নেতৃত্বে বৌদ্ধ শ্রমণদিগের দলটি কৌশাম্বি, বুদ্ধগয়া ও রক্তমৃত্তিকা মহাবিহারের ধ্বংসাবশেষ দর্শনান্তে পুনরায় উত্তরাপথ অভিমুখে প্রত্যাগমন করিতেছিল। পথিমধ্যে কাশী নগরী সংলগ্ন সুপ্রাচীন ধামেক স্তূপ

গৌড়ের রাজধানী কর্ণসুবর্ণের রাজপ্রাসাদে প্রাত্যহিক কর্মব্যস্ততায় সম্প্রতি কিছু অস্বাভাবিকতা পরিলক্ষিত হইতেছে। প্রায় পক্ষকাল যাবত মহারাজ শশাঙ্কদেব রাজসভায় অনুপস্থিত আছেন। তাঁহার আকস্মিক অন্তরালবাসের কোনও তাৎপর্য রহিয়াছে

নিশীথের গাঢ় তমিস্রা ধীরে ধীরে ধূসর হইয়া আসিল — হর্ষবর্ধন ও দুর্গাবতীর প্রথম দাম্পত্য রাত্রির অবসান হইয়া প্রভাতের প্রথম আলোককিরণ বাতায়নপথে প্রবেশ করিয়া তাঁহাদের যুগ্মশয্যায়

দীপান্বিতা প্রত্যহ প্রত্যুষে শয্যাত্যাগ করিয়া সূর্যবন্দনা সমাপনান্তে রাজপ্রাসাদের প্রাকারের বাহিরে ঈশান নদীর তীরস্থ ঘাটে স্নান করিতে যাইত। স্নানাদি সম্পন্ন হইলে সে অবরোধে নিজ প্রকোষ্ঠটিতে ফিরিয়া

এক প্রখর নিদাঘ-প্রদোষে সেনাপতি, মহামন্ত্রী এবং মুখ্য অমাত্যবর্গের সহিত রাজা হর্ষবর্ধনের সান্ধ্য মন্ত্রণাসভা তর্কবিতর্কের আবহে কিছু উত্তপ্ত হইয়া উঠিয়াছিল। তর্কের অবশ্য গুরুতর কারণ ছিল। ভণ্ডী

আচার্য শীলভদ্র ত্বরাহীন শান্তকণ্ঠে কহিতেছিলেন –“ইহা সত্য যে সমগ্র উত্তরাপথে পাশুপত ধর্মই আদি শৈবধর্ম। এই সনাতন পাশুপত ধর্মের ধ্যান ও কল্পনার মধ্যেই হিন্দুধর্মের শ্রেষ্ঠ বিকাশ







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে