
ক্রাশ
উফ, এই নুন-মরিচ মাথার তুর্কি ক্রাশের সর্বজনীন পিরীতি-বাঁশের ঠেলায় ফেসবুক উজাড় হয়ে গেল দেখছি! না, আমি এঁর কেয়ারলেস পৌরুষে উদ্বেল হইনি মোটেও। দুনিয়ার যত ‘ছোটখাটো,

উফ, এই নুন-মরিচ মাথার তুর্কি ক্রাশের সর্বজনীন পিরীতি-বাঁশের ঠেলায় ফেসবুক উজাড় হয়ে গেল দেখছি! না, আমি এঁর কেয়ারলেস পৌরুষে উদ্বেল হইনি মোটেও। দুনিয়ার যত ‘ছোটখাটো,

আজ ঠিক ন’মাস চব্বিশ দিন হলো মা চলে গিয়েছে। যতদিন আমাকে গর্ভে ধরে রেখেছিল, প্রায় ততদিনই আর দেখতে পাই না মাকে। শুধু আমি নয়, মহাবলীপুরম

১ ক্যাসাব্লাঙ্কা ছুটছে — মুখে ফেনা তুলে ছুটছে। ঠিক চার কদম পিছনে, ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে মুনলাইট। আর কয়েক পা পিছিয়ে আছে অন্যরা — গোল্ড

শিরা ওঠা হাতে ধরা কফির কাপটা অল্প অল্প কাঁপছিল। চামড়ায় অজস্র ভাঁজের কাটাকুটি। হলুদ হয়ে যাওয়া ভঙ্গুর নখগুলো যত্ন করে নেলকাটার দিয়ে কাটতে কাটতে সপ্তদশী

ঘটনা ১ ১৯৯৯ সাল। আমি উত্তরবঙ্গের একটি গ্রামীণ হাসপাতালে কর্মরত। এক সকালে ইমার্জেন্সিতে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত একটি মৃতপ্রায় মাস ছয়েকের শিশুকে নিয়ে তার পরিবারের লোকজন আছড়ে

সেই ছোট্টবেলায় বাবার কিনে আনা পিতপিতে গোলাপি কাগজে মোড়া দোতলা কাঠের রথে খুদে খুদে জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রার মৃণ্ময়মূর্তি আর তার সামনে এককুচি কাঁসার রেকাবিতে মায়ের হাতের তৈরি

তক্তপোশের উপর গুটোনো তেলচিটে শতরঞ্চি মোড়া ছেঁড়া তোশকে হেলান দিয়ে লোকটা, গরাদে দেওয়া জানলার বাইরে চায়। কাছের জিনিস দেখতে অসুবিধে হতো আগেই— এখন দূরের জিনিসও

বাবার কথা লিখতে আমার একদম ইচ্ছে করে না। একজন আদ্যন্ত অসফল অথচ দুর্দান্ত সুখী মানুষের কথা লিখতে অস্বস্তি হয় বড্ড। সঙ্কোচও হয় বৈকি! মেধায় কমতি ছিল

আমার শিশুবেলা কেটেছে কলকাতার উত্তর শহরতলির এক নিতান্ত মধ্যবিত্ত পাড়ায় — আমার বাবার পৈতৃক বাড়িতে। সে বাড়ির সামনে ছিল বিস্তৃত বাগান। পাঁচিল ঘেঁষে একটা বাতাবি

গ্রাম শহরের হরেক মোড়ে উড়ছে নিশান — দাপের, পাপের। যন্ত্র কেবল চোখটি বুজে স্বপ্ন গোনে, আঙুলছাপের। চোখের তারায় ধর্ম নাচায় — রঙিন ঝুটের তুফান ছোটে,

পঞ্চান্ন ঘন্টা আগে থেকে মোবাইল, আবহাওয়ার অ্যাপ, দূরদর্শনের খবরের চ্যানেল, আকাশের মেঘেদের বেপথু চলাচল মায় পুবের জানলার সামনের জামগাছের ডালপালার আন্দোলন — সক্কলে জানিয়ে দিচ্ছে,

হাসির গল্প লেখা, মানে যে গল্প পড়ে বিষাদে পাথর মন গলিয়ে হাসির ঝর্নাধারা নেমে আসবে মানবজমিনে, তেমন গল্প লেখা পৃথিবীর অন্যতম কঠিন কাজ। আমি, বলতে

উফ, এই নুন-মরিচ মাথার তুর্কি ক্রাশের সর্বজনীন পিরীতি-বাঁশের ঠেলায় ফেসবুক উজাড় হয়ে গেল দেখছি! না, আমি এঁর কেয়ারলেস পৌরুষে উদ্বেল হইনি মোটেও। দুনিয়ার যত ‘ছোটখাটো,

আজ ঠিক ন’মাস চব্বিশ দিন হলো মা চলে গিয়েছে। যতদিন আমাকে গর্ভে ধরে রেখেছিল, প্রায় ততদিনই আর দেখতে পাই না মাকে। শুধু আমি নয়, মহাবলীপুরম

১ ক্যাসাব্লাঙ্কা ছুটছে — মুখে ফেনা তুলে ছুটছে। ঠিক চার কদম পিছনে, ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে মুনলাইট। আর কয়েক পা পিছিয়ে আছে অন্যরা — গোল্ড

শিরা ওঠা হাতে ধরা কফির কাপটা অল্প অল্প কাঁপছিল। চামড়ায় অজস্র ভাঁজের কাটাকুটি। হলুদ হয়ে যাওয়া ভঙ্গুর নখগুলো যত্ন করে নেলকাটার দিয়ে কাটতে কাটতে সপ্তদশী

ঘটনা ১ ১৯৯৯ সাল। আমি উত্তরবঙ্গের একটি গ্রামীণ হাসপাতালে কর্মরত। এক সকালে ইমার্জেন্সিতে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত একটি মৃতপ্রায় মাস ছয়েকের শিশুকে নিয়ে তার পরিবারের লোকজন আছড়ে

সেই ছোট্টবেলায় বাবার কিনে আনা পিতপিতে গোলাপি কাগজে মোড়া দোতলা কাঠের রথে খুদে খুদে জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রার মৃণ্ময়মূর্তি আর তার সামনে এককুচি কাঁসার রেকাবিতে মায়ের হাতের তৈরি

তক্তপোশের উপর গুটোনো তেলচিটে শতরঞ্চি মোড়া ছেঁড়া তোশকে হেলান দিয়ে লোকটা, গরাদে দেওয়া জানলার বাইরে চায়। কাছের জিনিস দেখতে অসুবিধে হতো আগেই— এখন দূরের জিনিসও

বাবার কথা লিখতে আমার একদম ইচ্ছে করে না। একজন আদ্যন্ত অসফল অথচ দুর্দান্ত সুখী মানুষের কথা লিখতে অস্বস্তি হয় বড্ড। সঙ্কোচও হয় বৈকি! মেধায় কমতি ছিল

আমার শিশুবেলা কেটেছে কলকাতার উত্তর শহরতলির এক নিতান্ত মধ্যবিত্ত পাড়ায় — আমার বাবার পৈতৃক বাড়িতে। সে বাড়ির সামনে ছিল বিস্তৃত বাগান। পাঁচিল ঘেঁষে একটা বাতাবি

গ্রাম শহরের হরেক মোড়ে উড়ছে নিশান — দাপের, পাপের। যন্ত্র কেবল চোখটি বুজে স্বপ্ন গোনে, আঙুলছাপের। চোখের তারায় ধর্ম নাচায় — রঙিন ঝুটের তুফান ছোটে,

পঞ্চান্ন ঘন্টা আগে থেকে মোবাইল, আবহাওয়ার অ্যাপ, দূরদর্শনের খবরের চ্যানেল, আকাশের মেঘেদের বেপথু চলাচল মায় পুবের জানলার সামনের জামগাছের ডালপালার আন্দোলন — সক্কলে জানিয়ে দিচ্ছে,

হাসির গল্প লেখা, মানে যে গল্প পড়ে বিষাদে পাথর মন গলিয়ে হাসির ঝর্নাধারা নেমে আসবে মানবজমিনে, তেমন গল্প লেখা পৃথিবীর অন্যতম কঠিন কাজ। আমি, বলতে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে