
ফালতু লেখা
যত দিন যাচ্ছে, মানুষের সঙ্গে মানুষের দুর্ব্যবহার তত বাড়ছে। পরিচিত মানুষ, অপরিচিত মানুষ, চাক্ষুষ করা মানুষ, আন্তর্জালিক মুখচেনা মানুষ, আত্মীয়, অনাত্মীয় — কারো সঙ্গে মতানৈক্য

যত দিন যাচ্ছে, মানুষের সঙ্গে মানুষের দুর্ব্যবহার তত বাড়ছে। পরিচিত মানুষ, অপরিচিত মানুষ, চাক্ষুষ করা মানুষ, আন্তর্জালিক মুখচেনা মানুষ, আত্মীয়, অনাত্মীয় — কারো সঙ্গে মতানৈক্য

কালিয়াগঞ্জে আমার সাড়ে পাঁচ বছরের একক সংসারের পাট গুটিয়ে নেবার ভার মা একা আমার কাঁধে চাপিয়ে দিতে পারেনি। চলে এসেছিল কলকাতায় বাবাকে একা ফেলে। অবশ্য

আজ আনন্দবাজার পত্রিকায় বাড়ির বাইরে শৌচাগারের প্রয়োজন এবং নারীবাদের সীমা বিষয়ক একটি প্রবন্ধ পড়ছিলাম। বেশ কিছু পুরোনো কথা মনে পড়িয়ে দিল প্রবন্ধটি। অনেক অনেক বছর

আজকাল নীরব থাকতে ভাল লাগে। বাদুলে দুপুরের গপ্পসপ্প — রুগ্ন বিছানায় মুখোমুখি দুটো ‘খণ্ড ত’ – ঝগড়ুটে শালিখ, ভিটেছাড়া ঘুঘু, ছুপা রুস্তম ডাহুকের ডাক টেনে

উনিশ শো আটানব্বইয়ের নভেম্বর মাসের বারো তারিখে, উত্তর দিনাজপুরের জেলা সদর রায়গঞ্জের কর্ণজোড়ায় সিএমওএইচ অফিসে সরকারি চাকরির যোগদানের নথিতে সই করলাম আমি। আর তার তিন

আজ বিশ্বকবির আবির্ভাব দিবস। আজ আন্তর্জাতিক মাতৃদিবস। এই দুই হৃদয়ছোঁয়া দিনের পাশাপাশি আজ বিশ্ব থ্যালাসিমিয়া দিবসও বটে। আমাদের মরমী হৃদয়ের স্পর্শ পাক এই রোগাক্রান্তরা, আগামী

আলগা আঙুলে আলমারিতে শাড়ির থাক ঘাঁটছিল ঋতু। কি পরবে আজ? যা দুর্ধর্ষ গরম পড়েছে, সুতির কিছুই পরতে হবে। ঢাকাই পরবে? নাঃ, এগুলো বড্ড কড়কড়ে হয়,

নিরবচ্ছিন্ন আনন্দের সময় বলে কিছু হয়না— সকল সুখের রসনাবিলাসের মধ্যেই অল্পবিস্তর দুঃখকষ্টের ফোড়ন থাকে, থাকতেই হয়। নয়ত বড় পানসে হয়ে যায় জীবনের স্বাদ। বালানন্দ হাসপাতালে

মেয়েটির নাম শিবানী। কতই বা বয়স হবে? বড়জোর সতেরো-আঠারো। আউটডোরে যখন একটা আধময়লা হলদে রঙের ওড়না জড়িয়ে মুখের অর্ধেকটা ঢেকে, ওর মা বাবার সঙ্গে এসে

Ecstasy শব্দটার সঙ্গে জীবনে একবারই সৎ এবং আন্তরিক পরিচয় ঘটেছিল। কবে? ১৯৯৮ সালের জুন মাসে। আমি পাবলিক সার্ভিস কমিশন আয়োজিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হেলথ সার্ভিস ক্যাডারের

জীবনের নানা উতর-চড়াইয়ের মধ্যেই ধীর নিশ্চিত পায়ে এগিয়ে আসছিল ডাক্তারির শেষ পরীক্ষা, ফাইনাল এমবিবিএস। সতেরোশো নম্বরের উপর পরীক্ষার্থীদের চুলচেরা মূল্যায়ন — স্লাইডের উপর আণুবীক্ষণিক কোষকে

পুবের আকাশ ফরসা হবার ঘন্টাখানেকের মধ্যেই রঙচটা সাইনবোর্ডের উপর এলোচুল দানবীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়ল যুবতী গ্রীষ্মের রাঙা রোদ্দুর। ওই সাইনবোর্ডের নিচে, সিঁদুরকৌটোর মতো চিলতে ঘরের

যত দিন যাচ্ছে, মানুষের সঙ্গে মানুষের দুর্ব্যবহার তত বাড়ছে। পরিচিত মানুষ, অপরিচিত মানুষ, চাক্ষুষ করা মানুষ, আন্তর্জালিক মুখচেনা মানুষ, আত্মীয়, অনাত্মীয় — কারো সঙ্গে মতানৈক্য

কালিয়াগঞ্জে আমার সাড়ে পাঁচ বছরের একক সংসারের পাট গুটিয়ে নেবার ভার মা একা আমার কাঁধে চাপিয়ে দিতে পারেনি। চলে এসেছিল কলকাতায় বাবাকে একা ফেলে। অবশ্য

আজ আনন্দবাজার পত্রিকায় বাড়ির বাইরে শৌচাগারের প্রয়োজন এবং নারীবাদের সীমা বিষয়ক একটি প্রবন্ধ পড়ছিলাম। বেশ কিছু পুরোনো কথা মনে পড়িয়ে দিল প্রবন্ধটি। অনেক অনেক বছর

আজকাল নীরব থাকতে ভাল লাগে। বাদুলে দুপুরের গপ্পসপ্প — রুগ্ন বিছানায় মুখোমুখি দুটো ‘খণ্ড ত’ – ঝগড়ুটে শালিখ, ভিটেছাড়া ঘুঘু, ছুপা রুস্তম ডাহুকের ডাক টেনে

উনিশ শো আটানব্বইয়ের নভেম্বর মাসের বারো তারিখে, উত্তর দিনাজপুরের জেলা সদর রায়গঞ্জের কর্ণজোড়ায় সিএমওএইচ অফিসে সরকারি চাকরির যোগদানের নথিতে সই করলাম আমি। আর তার তিন

আজ বিশ্বকবির আবির্ভাব দিবস। আজ আন্তর্জাতিক মাতৃদিবস। এই দুই হৃদয়ছোঁয়া দিনের পাশাপাশি আজ বিশ্ব থ্যালাসিমিয়া দিবসও বটে। আমাদের মরমী হৃদয়ের স্পর্শ পাক এই রোগাক্রান্তরা, আগামী

আলগা আঙুলে আলমারিতে শাড়ির থাক ঘাঁটছিল ঋতু। কি পরবে আজ? যা দুর্ধর্ষ গরম পড়েছে, সুতির কিছুই পরতে হবে। ঢাকাই পরবে? নাঃ, এগুলো বড্ড কড়কড়ে হয়,

নিরবচ্ছিন্ন আনন্দের সময় বলে কিছু হয়না— সকল সুখের রসনাবিলাসের মধ্যেই অল্পবিস্তর দুঃখকষ্টের ফোড়ন থাকে, থাকতেই হয়। নয়ত বড় পানসে হয়ে যায় জীবনের স্বাদ। বালানন্দ হাসপাতালে

মেয়েটির নাম শিবানী। কতই বা বয়স হবে? বড়জোর সতেরো-আঠারো। আউটডোরে যখন একটা আধময়লা হলদে রঙের ওড়না জড়িয়ে মুখের অর্ধেকটা ঢেকে, ওর মা বাবার সঙ্গে এসে

Ecstasy শব্দটার সঙ্গে জীবনে একবারই সৎ এবং আন্তরিক পরিচয় ঘটেছিল। কবে? ১৯৯৮ সালের জুন মাসে। আমি পাবলিক সার্ভিস কমিশন আয়োজিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হেলথ সার্ভিস ক্যাডারের

জীবনের নানা উতর-চড়াইয়ের মধ্যেই ধীর নিশ্চিত পায়ে এগিয়ে আসছিল ডাক্তারির শেষ পরীক্ষা, ফাইনাল এমবিবিএস। সতেরোশো নম্বরের উপর পরীক্ষার্থীদের চুলচেরা মূল্যায়ন — স্লাইডের উপর আণুবীক্ষণিক কোষকে

পুবের আকাশ ফরসা হবার ঘন্টাখানেকের মধ্যেই রঙচটা সাইনবোর্ডের উপর এলোচুল দানবীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়ল যুবতী গ্রীষ্মের রাঙা রোদ্দুর। ওই সাইনবোর্ডের নিচে, সিঁদুরকৌটোর মতো চিলতে ঘরের







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে