
তিন, চার বা ছয় মাস পরে
তিন চার বা ছয়মাস পরে, আমাদের প্রত্যেকের কাছে কয়েকটা ভাইরাসের গল্প থাকবে। ভয়ে পালানোর গল্প, আতঙ্কে ভুল বোঝার গল্প, বন্ধুকে দুঃসময়ে হাত না বাড়ানোর গল্প

তিন চার বা ছয়মাস পরে, আমাদের প্রত্যেকের কাছে কয়েকটা ভাইরাসের গল্প থাকবে। ভয়ে পালানোর গল্প, আতঙ্কে ভুল বোঝার গল্প, বন্ধুকে দুঃসময়ে হাত না বাড়ানোর গল্প

আপনারা ভ্যাক্সিন আর লকডাউনে ফেলেছেন একেবারে গুলিয়ে , দুটোর মধ্যে শুধু একটাই মিল, রোগের আগে হলে তবে কাজ করে, লাভ হবেনা বোকা শিক্ষার্থীর মতো

দূষণ কমেছে, বাধ্যবাধক মুখে মাস্ক পরা তাও, রাস্তারা ফাঁকা, দীঘা যেতে গাড়ি তবু নেই একটাও। হাত ধুয়ে সাদা, নিষেধ হয়েছে কারো হাতে হাত রাখা,

কাজহীন এসময়ে কমাবে কি কাজ ফের ছুটিতেই? আমরা চিকিৎসক, লালদাগ তারিখেও ছুটি নেই। সম্মান দেবে যদি তবে ওর বিপরীতে যাও না, কাজ করে গোটাদিন, আমফানে

ডিপ্রেশনের বাংলা যে নয় মনখারাপ, এবার সেটা সবার মনে ফেলুক ছাপ। কফির কাপে মিস করে যে বন্ধুকে, সবার আঙুল ট্রিগারে নেই বন্দুকে, যাদের মনে বিষাদ

মাছি বসবার আগে শবদেহ ছবিগুলো ফরওয়ার্ড হবে, সকলের দেখা চাই লাশের গলায় চেপে বসা কালো দাগ, বিষাদের মৃত স্মৃতি নির্লজ্জ নিলামে ওঠে প্রচারের লোভে,

মেড ইন চায়না, এই দেশ চায় না, এরকমই শুনে চলি রাজনীতি বায়না, মনমাঝি খাবি খায় নানাবিধ ভাবনায় নিষিদ্ধ করা বুঝি রাষ্ট্রের দায় না? পিন

একটা গোটা মহামারী জুড়ে কোথাও ভারতবর্ষকে পেলাম না। স্টেজ জিরো থেকে স্টেজ আননোন, গোটা চিত্রনাট্যে শুধু বিভাজিত প্রাদেশিক চরিত্রের আনাগোনা, যারা কেরালাইট বাঙালী তামিল মণিপুরী

চাইছি আমার করোনো হোক। এটুকু পড়েই উঠোনা পাঠক, যে নামে যাচ্ছে সাহস শুকিয়ে চেনা কারো হলে থাকছি লুকিয়ে, তাকেই ডাকছি আমার শরীরে কিসের কারণে এমন

আজকে তিনি শেকল জমা করে বেরিয়ে গেলেন কাজের ঘানি থেকে না পাওয়াদের দিলেন ক্ষমা করে মুক্তি এবার ব্যাঁকা বাণী থেকে। এতটা কাল জানলা দিয়ে দেখা

দেখে জ্বর সর্দি, খিল এঁটে দোর দি কেউ না বেরোয় যেন ধারণাতে জোর দি। আরে কাম সারসে থাকে নাকি নার্সে আটকিয়ে দাও তাকে মহা বাঁশঝাড়

অবশেষে শেষ পি পি ই টা ছিঁড়ে ডাক্তার বললেন, যাক, যুদ্ধ শেষ, কার্ভ মোটামুটি সরলরেখায় এসে গেছে। কাল থেকে আয়নায় মুখ দেখতে পারবো, যদিও মুখোশের

তিন চার বা ছয়মাস পরে, আমাদের প্রত্যেকের কাছে কয়েকটা ভাইরাসের গল্প থাকবে। ভয়ে পালানোর গল্প, আতঙ্কে ভুল বোঝার গল্প, বন্ধুকে দুঃসময়ে হাত না বাড়ানোর গল্প

আপনারা ভ্যাক্সিন আর লকডাউনে ফেলেছেন একেবারে গুলিয়ে , দুটোর মধ্যে শুধু একটাই মিল, রোগের আগে হলে তবে কাজ করে, লাভ হবেনা বোকা শিক্ষার্থীর মতো

দূষণ কমেছে, বাধ্যবাধক মুখে মাস্ক পরা তাও, রাস্তারা ফাঁকা, দীঘা যেতে গাড়ি তবু নেই একটাও। হাত ধুয়ে সাদা, নিষেধ হয়েছে কারো হাতে হাত রাখা,

কাজহীন এসময়ে কমাবে কি কাজ ফের ছুটিতেই? আমরা চিকিৎসক, লালদাগ তারিখেও ছুটি নেই। সম্মান দেবে যদি তবে ওর বিপরীতে যাও না, কাজ করে গোটাদিন, আমফানে

ডিপ্রেশনের বাংলা যে নয় মনখারাপ, এবার সেটা সবার মনে ফেলুক ছাপ। কফির কাপে মিস করে যে বন্ধুকে, সবার আঙুল ট্রিগারে নেই বন্দুকে, যাদের মনে বিষাদ

মাছি বসবার আগে শবদেহ ছবিগুলো ফরওয়ার্ড হবে, সকলের দেখা চাই লাশের গলায় চেপে বসা কালো দাগ, বিষাদের মৃত স্মৃতি নির্লজ্জ নিলামে ওঠে প্রচারের লোভে,

মেড ইন চায়না, এই দেশ চায় না, এরকমই শুনে চলি রাজনীতি বায়না, মনমাঝি খাবি খায় নানাবিধ ভাবনায় নিষিদ্ধ করা বুঝি রাষ্ট্রের দায় না? পিন

একটা গোটা মহামারী জুড়ে কোথাও ভারতবর্ষকে পেলাম না। স্টেজ জিরো থেকে স্টেজ আননোন, গোটা চিত্রনাট্যে শুধু বিভাজিত প্রাদেশিক চরিত্রের আনাগোনা, যারা কেরালাইট বাঙালী তামিল মণিপুরী

চাইছি আমার করোনো হোক। এটুকু পড়েই উঠোনা পাঠক, যে নামে যাচ্ছে সাহস শুকিয়ে চেনা কারো হলে থাকছি লুকিয়ে, তাকেই ডাকছি আমার শরীরে কিসের কারণে এমন

আজকে তিনি শেকল জমা করে বেরিয়ে গেলেন কাজের ঘানি থেকে না পাওয়াদের দিলেন ক্ষমা করে মুক্তি এবার ব্যাঁকা বাণী থেকে। এতটা কাল জানলা দিয়ে দেখা

দেখে জ্বর সর্দি, খিল এঁটে দোর দি কেউ না বেরোয় যেন ধারণাতে জোর দি। আরে কাম সারসে থাকে নাকি নার্সে আটকিয়ে দাও তাকে মহা বাঁশঝাড়

অবশেষে শেষ পি পি ই টা ছিঁড়ে ডাক্তার বললেন, যাক, যুদ্ধ শেষ, কার্ভ মোটামুটি সরলরেখায় এসে গেছে। কাল থেকে আয়নায় মুখ দেখতে পারবো, যদিও মুখোশের







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে