
গাইডলাইন, আরো গাইডলাইন – আর আমরা
দিনক্ষণ হিসেব করে নয় সম্ভবত – কিন্তু, ঠিক পয়লা বৈশাখে হালখাতার দিনটিতেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রকাশ করলেন কোভিড উনিশ মোকাবিলায় তাঁদের গাইডলাইনের লেটেস্ট আপডেট। অবশ্য

দিনক্ষণ হিসেব করে নয় সম্ভবত – কিন্তু, ঠিক পয়লা বৈশাখে হালখাতার দিনটিতেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রকাশ করলেন কোভিড উনিশ মোকাবিলায় তাঁদের গাইডলাইনের লেটেস্ট আপডেট। অবশ্য

ডামাডোল আর হইচইয়ের বাজারে অনেকেরই নজর এড়িয়ে গিয়েছে – গত মাসের ছাব্বিশ তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা – সংক্ষেপে হু – তাঁদের ভ্যাক্সিন-বিষয়ক কমিটি – স্ট্র্যাটেজিক

লকডাউন লকডাউন লকডাউন। কথাটা শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা। মিডিয়া সারাক্ষণ একই বাণী শুনিয়ে চলেছে – আক্রান্তের সংখ্যা, মৃত্যুর হিসেব – আর লকডাউন মানা হচ্ছে কি

জাতির সামনে আপাতত প্রশ্ন এই, রাত্তির নটার সময় মোমবাতি জ্বালা হবে, নাকি হবে না। না, মোমবাতিই কম্পালসারি, এমন তো নয় – প্রদীপ (যাকে দিয়া বললে

Why are health personnel demanding for N 95 masks? Don’t they know that the pore sizes of N 95s are much larger than size of

করোনার দিনগুলো কেটে গেলে আমাদের জীবনে কী কী পরিবর্তন হতে পারে? ইলেকট্রনিক মিডিয়া আর সোশ্যাল মিডিয়ার যৌথ দাপটের যুগে এই আমাদের প্রথম অতিমারী। কাজেই, পূর্ববর্তী

পূর্ব প্রকাশিতের পর ভিটামিন যে শরীরের পক্ষে খুব গুরুত্বপূর্ণ, সে নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। ভিটামিনের অভাবজনিত অসুখবিসুখ দুশো কি পাঁচশ বছর আগে হত, এইসব বিলুপ্ত

তবে কি লিনাস পলিং একবারের জন্যেও বুঝতে পারেন নি, যে তিনি বড় ভুল করে ফেলছেন? ভুলের পর আরো ভুল করে চলেছেন? এমন অসামান্য বিজ্ঞানী –

আজকের কথা নয়, ক্যানসার অসুখটা চিরকালই গোলমেলে – এতটাই গোলমেলে, যে অসুখটার নাম শুনলেই অনেকে আশা হারিয়ে ফেলেন। শুধুমাত্র গত শতকটিতেই চিকিৎসাবিজ্ঞানের যে অগ্রগতি হয়েছে,

কলকাতার সাহেবি ইস্কুলে লেখাপড়া, তারপর কলকাতা মেডিকেল কলেজ – পরবর্তীতে ইউপিএসসি দিয়ে দিল্লীর ঝাঁচকচকে হাসপাতাল – তারপর? না, এক ডাক্তারবাবুর মাথার পোকা নড়ে ওঠে –

১৯৭১ সালে দাঁড়িয়ে লিনাস পলিং দাবী করলেন, স্রেফ ভিটামিন সি বেশী বেশী করে খেলেই বিশ্বের ক্যানসারের সংখ্যা দশ শতাংশ কমিয়ে ফেলা সম্ভব। আর ১৯৭৭ সালে

ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস-এর সম্মানিত সদস্য হওয়া সত্ত্বেও, সেই একাডেমির নিজস্ব জার্নালে পেপার জমা করার পরে তাঁর পেপার (গবেষণাপত্র) খারিজ হয়ে যাওয়া – ব্যাপারটা অপমানজনক

দিনক্ষণ হিসেব করে নয় সম্ভবত – কিন্তু, ঠিক পয়লা বৈশাখে হালখাতার দিনটিতেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রকাশ করলেন কোভিড উনিশ মোকাবিলায় তাঁদের গাইডলাইনের লেটেস্ট আপডেট। অবশ্য

ডামাডোল আর হইচইয়ের বাজারে অনেকেরই নজর এড়িয়ে গিয়েছে – গত মাসের ছাব্বিশ তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা – সংক্ষেপে হু – তাঁদের ভ্যাক্সিন-বিষয়ক কমিটি – স্ট্র্যাটেজিক

লকডাউন লকডাউন লকডাউন। কথাটা শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা। মিডিয়া সারাক্ষণ একই বাণী শুনিয়ে চলেছে – আক্রান্তের সংখ্যা, মৃত্যুর হিসেব – আর লকডাউন মানা হচ্ছে কি

জাতির সামনে আপাতত প্রশ্ন এই, রাত্তির নটার সময় মোমবাতি জ্বালা হবে, নাকি হবে না। না, মোমবাতিই কম্পালসারি, এমন তো নয় – প্রদীপ (যাকে দিয়া বললে

Why are health personnel demanding for N 95 masks? Don’t they know that the pore sizes of N 95s are much larger than size of

করোনার দিনগুলো কেটে গেলে আমাদের জীবনে কী কী পরিবর্তন হতে পারে? ইলেকট্রনিক মিডিয়া আর সোশ্যাল মিডিয়ার যৌথ দাপটের যুগে এই আমাদের প্রথম অতিমারী। কাজেই, পূর্ববর্তী

পূর্ব প্রকাশিতের পর ভিটামিন যে শরীরের পক্ষে খুব গুরুত্বপূর্ণ, সে নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। ভিটামিনের অভাবজনিত অসুখবিসুখ দুশো কি পাঁচশ বছর আগে হত, এইসব বিলুপ্ত

তবে কি লিনাস পলিং একবারের জন্যেও বুঝতে পারেন নি, যে তিনি বড় ভুল করে ফেলছেন? ভুলের পর আরো ভুল করে চলেছেন? এমন অসামান্য বিজ্ঞানী –

আজকের কথা নয়, ক্যানসার অসুখটা চিরকালই গোলমেলে – এতটাই গোলমেলে, যে অসুখটার নাম শুনলেই অনেকে আশা হারিয়ে ফেলেন। শুধুমাত্র গত শতকটিতেই চিকিৎসাবিজ্ঞানের যে অগ্রগতি হয়েছে,

কলকাতার সাহেবি ইস্কুলে লেখাপড়া, তারপর কলকাতা মেডিকেল কলেজ – পরবর্তীতে ইউপিএসসি দিয়ে দিল্লীর ঝাঁচকচকে হাসপাতাল – তারপর? না, এক ডাক্তারবাবুর মাথার পোকা নড়ে ওঠে –

১৯৭১ সালে দাঁড়িয়ে লিনাস পলিং দাবী করলেন, স্রেফ ভিটামিন সি বেশী বেশী করে খেলেই বিশ্বের ক্যানসারের সংখ্যা দশ শতাংশ কমিয়ে ফেলা সম্ভব। আর ১৯৭৭ সালে

ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস-এর সম্মানিত সদস্য হওয়া সত্ত্বেও, সেই একাডেমির নিজস্ব জার্নালে পেপার জমা করার পরে তাঁর পেপার (গবেষণাপত্র) খারিজ হয়ে যাওয়া – ব্যাপারটা অপমানজনক







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে