
শুশ্রূষা ও অন্ধকার (পর্ব পাঁচ)
(পূর্ব প্রকাশিতর পরে) জার্মানির চিকিৎসকদের “নাৎসি ডাক্তার” হয়ে ওঠার শুরু কবে থেকে? রাতারাতি সবাই, বা অন্তত চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ, এমন নৃশংস নৈর্ব্যক্তিক “বিজ্ঞানী” হয়ে

(পূর্ব প্রকাশিতর পরে) জার্মানির চিকিৎসকদের “নাৎসি ডাক্তার” হয়ে ওঠার শুরু কবে থেকে? রাতারাতি সবাই, বা অন্তত চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ, এমন নৃশংস নৈর্ব্যক্তিক “বিজ্ঞানী” হয়ে

(পূর্ব প্রকাশিতর পরে) কথাটা একটু বিতর্কিত জায়গায় যেতে চলেছে এবার। আমাদের কোনো নৈতিক সিদ্ধান্ত বা অবস্থানকেই ইতিহাস বা সমকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতার থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখা

(পূর্বপ্রকাশিতের পর) তাহলে এমন কেন হল? কী করে হতে পারল?? এ লেখায় প্রশ্নটা চিকিৎসকদের নিয়ে, কিন্তু কথাটা কি যেকোনো পেশার মানুষকে নিয়েই হতে পারত?? হয়ত

এভা মোজেস যে দিনগুলোর কথা মনে করছেন, তখন তিনি ন’বছরের বালিকা। আর ডাঃ জোসেফ মেনগেলের বয়স বত্রিশ – জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত সইতে সইতে সুকুমার মনোবৃত্তি হারিয়ে

আগেরদিন আন্দ্রেই তারকভস্কির সাক্ষাৎকার শুনছিলাম – ইউটিউবে – আমার চোখে, সম্ভবত, মহোত্তম চিত্রপরিচালক। তাঁর ছবির চরিত্রের মধ্যে তাঁর ছেলেবেলা কতখানি মিশে আছে, এই প্রশ্নের উত্তরে

মনে করিয়ে দেওয়া যাক, এই নিউ নর্মাল বিশ্ব আকাশ থেকে পড়ে নি – মাসচারেক আগের পৃথিবী থেকেই এসেছে। অসুখ-বিসুখও তা-ই। কোভিড নতুন অসুখ, তার অর্থ

আজ ডক্টর্স ডে। অতএব, কিছু কথা বলে ফেলা যাক। যেহেতু, আজ ডাক্তারদেরই দিন, কাজেই ডাক্তারদের কথা-ই বলা যাক – চিকিৎসক হয়ে চিকিৎসকের দিকের কথা বলা

“সিস্টেম – রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক অথবা সাংস্কৃতিক সিস্টেম – আমার এবং বাকিদের মাঝখানে মাথা গলায়। “অপর” যদি বঞ্চিত হয়, সেই বঞ্চনার কারণ “সিস্টেম” – সে সিস্টেমে

পিজি হাসপাতালে হাউজস্টাফ তখন। ভর্তি থাকা এক রোগীর বাড়ির লোক এলেন কথা বলতে। সমস্যা হল, তিনি এক বর্ণ বাংলা বোঝেন না। আমার সহকর্মী কো-হাউজস্টাফ চট

তখন চিত্তরঞ্জন শিশুসদনে। ইমার্জেন্সি ডিউটি চলছে। একজন অল্পবয়সী মা বছরতিনেকের শিশুসন্তানকে নিয়ে এলেন। সমস্যা, বাচ্চার পাতলা পায়খানা – প্রায় জলের মতো। একনজর দেখেই বোঝা গেল,

ক্যানসারের চিকিৎসার জন্যে ব্যবহৃত হয় যে রেডিয়েশন থেরাপি, তার মধ্যে একটি বিশেষ পদ্ধতির নাম ব্রেকিথেরাপি। ব্রেকি অর্থাৎ ছোট, বা কম। ব্রেকিথেরাপি, অর্থাৎ এমন চিকিৎসা, যেখানে

আমি নিশ্চিত, ডাঃ সুধাকর মানসিক ভারসাম্যহীন। ভারসাম্যের যে খেলাটায় আমরা সবাই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি – এই যে ভুরভুর করে ভেসে আসা ছুটির দিনের মাংসের গন্ধের

(পূর্ব প্রকাশিতর পরে) জার্মানির চিকিৎসকদের “নাৎসি ডাক্তার” হয়ে ওঠার শুরু কবে থেকে? রাতারাতি সবাই, বা অন্তত চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ, এমন নৃশংস নৈর্ব্যক্তিক “বিজ্ঞানী” হয়ে

(পূর্ব প্রকাশিতর পরে) কথাটা একটু বিতর্কিত জায়গায় যেতে চলেছে এবার। আমাদের কোনো নৈতিক সিদ্ধান্ত বা অবস্থানকেই ইতিহাস বা সমকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতার থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখা

(পূর্বপ্রকাশিতের পর) তাহলে এমন কেন হল? কী করে হতে পারল?? এ লেখায় প্রশ্নটা চিকিৎসকদের নিয়ে, কিন্তু কথাটা কি যেকোনো পেশার মানুষকে নিয়েই হতে পারত?? হয়ত

এভা মোজেস যে দিনগুলোর কথা মনে করছেন, তখন তিনি ন’বছরের বালিকা। আর ডাঃ জোসেফ মেনগেলের বয়স বত্রিশ – জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত সইতে সইতে সুকুমার মনোবৃত্তি হারিয়ে

আগেরদিন আন্দ্রেই তারকভস্কির সাক্ষাৎকার শুনছিলাম – ইউটিউবে – আমার চোখে, সম্ভবত, মহোত্তম চিত্রপরিচালক। তাঁর ছবির চরিত্রের মধ্যে তাঁর ছেলেবেলা কতখানি মিশে আছে, এই প্রশ্নের উত্তরে

মনে করিয়ে দেওয়া যাক, এই নিউ নর্মাল বিশ্ব আকাশ থেকে পড়ে নি – মাসচারেক আগের পৃথিবী থেকেই এসেছে। অসুখ-বিসুখও তা-ই। কোভিড নতুন অসুখ, তার অর্থ

আজ ডক্টর্স ডে। অতএব, কিছু কথা বলে ফেলা যাক। যেহেতু, আজ ডাক্তারদেরই দিন, কাজেই ডাক্তারদের কথা-ই বলা যাক – চিকিৎসক হয়ে চিকিৎসকের দিকের কথা বলা

“সিস্টেম – রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক অথবা সাংস্কৃতিক সিস্টেম – আমার এবং বাকিদের মাঝখানে মাথা গলায়। “অপর” যদি বঞ্চিত হয়, সেই বঞ্চনার কারণ “সিস্টেম” – সে সিস্টেমে

পিজি হাসপাতালে হাউজস্টাফ তখন। ভর্তি থাকা এক রোগীর বাড়ির লোক এলেন কথা বলতে। সমস্যা হল, তিনি এক বর্ণ বাংলা বোঝেন না। আমার সহকর্মী কো-হাউজস্টাফ চট

তখন চিত্তরঞ্জন শিশুসদনে। ইমার্জেন্সি ডিউটি চলছে। একজন অল্পবয়সী মা বছরতিনেকের শিশুসন্তানকে নিয়ে এলেন। সমস্যা, বাচ্চার পাতলা পায়খানা – প্রায় জলের মতো। একনজর দেখেই বোঝা গেল,

ক্যানসারের চিকিৎসার জন্যে ব্যবহৃত হয় যে রেডিয়েশন থেরাপি, তার মধ্যে একটি বিশেষ পদ্ধতির নাম ব্রেকিথেরাপি। ব্রেকি অর্থাৎ ছোট, বা কম। ব্রেকিথেরাপি, অর্থাৎ এমন চিকিৎসা, যেখানে

আমি নিশ্চিত, ডাঃ সুধাকর মানসিক ভারসাম্যহীন। ভারসাম্যের যে খেলাটায় আমরা সবাই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি – এই যে ভুরভুর করে ভেসে আসা ছুটির দিনের মাংসের গন্ধের







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে