
চিমা ওকোরি, লিনাস পলিং। ভিটামিন! ভিটামিন!! (পর্ব আট)
পূর্ব প্রকাশিতের পর ভিটামিন যে শরীরের পক্ষে খুব গুরুত্বপূর্ণ, সে নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। ভিটামিনের অভাবজনিত অসুখবিসুখ দুশো কি পাঁচশ বছর আগে হত, এইসব বিলুপ্ত

পূর্ব প্রকাশিতের পর ভিটামিন যে শরীরের পক্ষে খুব গুরুত্বপূর্ণ, সে নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। ভিটামিনের অভাবজনিত অসুখবিসুখ দুশো কি পাঁচশ বছর আগে হত, এইসব বিলুপ্ত

তবে কি লিনাস পলিং একবারের জন্যেও বুঝতে পারেন নি, যে তিনি বড় ভুল করে ফেলছেন? ভুলের পর আরো ভুল করে চলেছেন? এমন অসামান্য বিজ্ঞানী –

আজকের কথা নয়, ক্যানসার অসুখটা চিরকালই গোলমেলে – এতটাই গোলমেলে, যে অসুখটার নাম শুনলেই অনেকে আশা হারিয়ে ফেলেন। শুধুমাত্র গত শতকটিতেই চিকিৎসাবিজ্ঞানের যে অগ্রগতি হয়েছে,

কলকাতার সাহেবি ইস্কুলে লেখাপড়া, তারপর কলকাতা মেডিকেল কলেজ – পরবর্তীতে ইউপিএসসি দিয়ে দিল্লীর ঝাঁচকচকে হাসপাতাল – তারপর? না, এক ডাক্তারবাবুর মাথার পোকা নড়ে ওঠে –

১৯৭১ সালে দাঁড়িয়ে লিনাস পলিং দাবী করলেন, স্রেফ ভিটামিন সি বেশী বেশী করে খেলেই বিশ্বের ক্যানসারের সংখ্যা দশ শতাংশ কমিয়ে ফেলা সম্ভব। আর ১৯৭৭ সালে

ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস-এর সম্মানিত সদস্য হওয়া সত্ত্বেও, সেই একাডেমির নিজস্ব জার্নালে পেপার জমা করার পরে তাঁর পেপার (গবেষণাপত্র) খারিজ হয়ে যাওয়া – ব্যাপারটা অপমানজনক

১৯৬৬ সাল। মার্চ মাস। লিনাস পলিং-এর বয়স তখন পঁয়ষট্টি। বিশ্বের ছোটবড় সব পুরস্কার-সম্মাননা, কোনোটিই পেতে বাকি নেই আর – আগেই তো বলেছি, দু-দুখানা নোবেল পুরস্কার

‘জিনিয়াস’ শব্দখানা বহু ব্যবহারে এমন ক্লিশে হয়ে গিয়েছে যে, লিনাস পলিং-কে স্রেফ জিনিয়াস বললে তাঁর আশ্চর্য মেধা ও সেই মেধার ব্যপ্তিকে বুঝিয়ে ওঠা যায় না।

প্রথম পর্ব আমাদের ছেলেবেলায় ফুটবল বলতে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান। সদ্য বিশ্বকাপ দেখে উঠে মারাদোনার হ্যাংওভার থাকা সত্ত্বেও, আমাদের স্বপ্নে আসতেন কৃশানু দে – বাঁপায়ে স্বর্গীয় পাস। ফুটবল

শুনেছি, আদালতে নাকি সাক্ষ্যপ্রমাণের জন্যে সোর্সের উল্লেখ তেমন জরুরী নয়। আপনার পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি খাড়া করতে যে প্রমাণ আপনি পেশ করলেন, তা আসল কিনা, মহামান্য আদালত

জন্ম গত শতাব্দীর শুরুর দিকে, আমেরিকায়। আত্মীয়স্বজনের মধ্যে ছিলেন কেউ ছিলেন কবি, কেউ আবার শিল্পী, সাহিত্যিক। ছেলেটিও বড় ভালোবাসত ছবি আঁকতে। বন্ধুরা যখন খেলে বেড়াচ্ছে,

চিকিৎসকের সাথে আমজনতার দূরত্ব বাড়ছে। কিন্তু কেন? চিকিৎসকের জগৎ আর অন্য পেশার মানুষের জগৎ ভিন্ন হয়ে গেল ঠিক কোন পথে? না, একদিনে হয় নি –

পূর্ব প্রকাশিতের পর ভিটামিন যে শরীরের পক্ষে খুব গুরুত্বপূর্ণ, সে নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। ভিটামিনের অভাবজনিত অসুখবিসুখ দুশো কি পাঁচশ বছর আগে হত, এইসব বিলুপ্ত

তবে কি লিনাস পলিং একবারের জন্যেও বুঝতে পারেন নি, যে তিনি বড় ভুল করে ফেলছেন? ভুলের পর আরো ভুল করে চলেছেন? এমন অসামান্য বিজ্ঞানী –

আজকের কথা নয়, ক্যানসার অসুখটা চিরকালই গোলমেলে – এতটাই গোলমেলে, যে অসুখটার নাম শুনলেই অনেকে আশা হারিয়ে ফেলেন। শুধুমাত্র গত শতকটিতেই চিকিৎসাবিজ্ঞানের যে অগ্রগতি হয়েছে,

কলকাতার সাহেবি ইস্কুলে লেখাপড়া, তারপর কলকাতা মেডিকেল কলেজ – পরবর্তীতে ইউপিএসসি দিয়ে দিল্লীর ঝাঁচকচকে হাসপাতাল – তারপর? না, এক ডাক্তারবাবুর মাথার পোকা নড়ে ওঠে –

১৯৭১ সালে দাঁড়িয়ে লিনাস পলিং দাবী করলেন, স্রেফ ভিটামিন সি বেশী বেশী করে খেলেই বিশ্বের ক্যানসারের সংখ্যা দশ শতাংশ কমিয়ে ফেলা সম্ভব। আর ১৯৭৭ সালে

ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস-এর সম্মানিত সদস্য হওয়া সত্ত্বেও, সেই একাডেমির নিজস্ব জার্নালে পেপার জমা করার পরে তাঁর পেপার (গবেষণাপত্র) খারিজ হয়ে যাওয়া – ব্যাপারটা অপমানজনক

১৯৬৬ সাল। মার্চ মাস। লিনাস পলিং-এর বয়স তখন পঁয়ষট্টি। বিশ্বের ছোটবড় সব পুরস্কার-সম্মাননা, কোনোটিই পেতে বাকি নেই আর – আগেই তো বলেছি, দু-দুখানা নোবেল পুরস্কার

‘জিনিয়াস’ শব্দখানা বহু ব্যবহারে এমন ক্লিশে হয়ে গিয়েছে যে, লিনাস পলিং-কে স্রেফ জিনিয়াস বললে তাঁর আশ্চর্য মেধা ও সেই মেধার ব্যপ্তিকে বুঝিয়ে ওঠা যায় না।

প্রথম পর্ব আমাদের ছেলেবেলায় ফুটবল বলতে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান। সদ্য বিশ্বকাপ দেখে উঠে মারাদোনার হ্যাংওভার থাকা সত্ত্বেও, আমাদের স্বপ্নে আসতেন কৃশানু দে – বাঁপায়ে স্বর্গীয় পাস। ফুটবল

শুনেছি, আদালতে নাকি সাক্ষ্যপ্রমাণের জন্যে সোর্সের উল্লেখ তেমন জরুরী নয়। আপনার পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি খাড়া করতে যে প্রমাণ আপনি পেশ করলেন, তা আসল কিনা, মহামান্য আদালত

জন্ম গত শতাব্দীর শুরুর দিকে, আমেরিকায়। আত্মীয়স্বজনের মধ্যে ছিলেন কেউ ছিলেন কবি, কেউ আবার শিল্পী, সাহিত্যিক। ছেলেটিও বড় ভালোবাসত ছবি আঁকতে। বন্ধুরা যখন খেলে বেড়াচ্ছে,

চিকিৎসকের সাথে আমজনতার দূরত্ব বাড়ছে। কিন্তু কেন? চিকিৎসকের জগৎ আর অন্য পেশার মানুষের জগৎ ভিন্ন হয়ে গেল ঠিক কোন পথে? না, একদিনে হয় নি –







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে