
একটা গল্প বলি শুনুন
একটা গল্প বলি শুনুন। শুনতে যদিও ভালো লাগবে না। তাও শোনানো আমার কর্তব্য মনে করি। ১. আর জি কর হাসপাতালের চেস্ট ওয়ার্ডের সেমিনার রুমে ডা.

একটা গল্প বলি শুনুন। শুনতে যদিও ভালো লাগবে না। তাও শোনানো আমার কর্তব্য মনে করি। ১. আর জি কর হাসপাতালের চেস্ট ওয়ার্ডের সেমিনার রুমে ডা.

লেখার মত ব্যক্তিগত। একটা প্যান ৪০ খেয়ে নিজের দায়িত্বে পড়বেন, নয়তো এড়িয়ে যান।। সকলের জ্ঞাতার্থে জানাই, (ইতিমধ্যে সবাই জানেন, কিন্তু জেনেও জানতে চান না) এই

নীট পরীক্ষা নিয়ে প্রচুর জলঘোলা হওয়ার পর অবশেষে সুধীবৃন্দ বুঝতে পেরেছেন ডাক্তারি ক্ষেত্রেও বেনো জল ঢুকেছে। এতদিন পায়ে হালকা হালকা আর্দ্রতা অনুভব হচ্ছিল, কেউ গুরুত্ব

বাঙালির এত কাঙাল দিনেও একটা জিনিস দেখে বেশ ভালো লাগছে, তার মার্জিত শব্দচয়ন এবং পিছিয়ে পড়া মানুষের সম্ভ্রম রক্ষার প্রচেষ্টা কিন্তু অক্ষুণ্ণ আছে। তাই তারা

মধ্যরাতের রাস্তা আজ হরিৎ বর্ণে, সুরার গন্ধে, জয় বাংলা ছন্দে আর খেলা হবে গীতিতে মুখরিত। আর বাংলার ভবিষ্যৎটা আজকের মধ্যরাতের মতোই অন্ধকারাচ্ছন্ন লাগছে। একটা ভাতাজীবী

পদার্থবিদ্যায় নিউটন সাহেব জাড্যের ধারণা দিয়েছিলেন, অর্থাৎ যে মাতাল যে তালে চলেছে তাকে না ঘাঁটালে সে নিজের তালেই চলতে থাকবে- ঠিক এরকমই জাড্যের ধারণা চিকিৎসাবিদ্যাতেও

ছোটবেলায় রবিবার দুপুরে শক্তিমান দেখা ছিল দৈনন্দিন জীবনের একটা ধ্রুবক। দুপুর বারোটার সময় উনি আসতেন আমাদের শৈশবের সমসত্ত্ব জগতে পোয়েটিক জাস্টিস নিয়ে। আমরা ভাবতাম জীবনের

আজ শ্রমিক দিবস। ডাক্তারিতে শ্রমিক বলতে আমরা বুঝি ইন্টার্ন, ফার্স্ট ইয়ার রেসিডেন্ট ইত্যাদি ইত্যাদি। এরা সব একেকজন জন হেনরি। স্টাইপেন্ড পাওয়া মানুষের মেহনত স্যালারি পাওয়া

২৬শে এপ্রিল, ২০২৪ শুক্রবার ডক্টরস’ ডায়ালগের ফেসবুক লাইভে প্রচারিত।

গত ১৭ই এপ্রিল আনন্দবাজার পত্রিকায় ডা. শ্যামল চক্রবর্তী স্যারের একটা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় “হারিয়ে যাচ্ছে ডাক্তারি চোখ”- লেখাটার বিষয়বস্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও ভীষণভাবে সত্যি, সেই নিয়েই

আমার বাড়ির পাশেই পাড়ার ক্লাবঘর। ছোটবেলা থেকেই তার সদস্যদের সঙ্গে আমার সখ্য গড়ে উঠেছিল। ক্রমে সেই সখ্য ক্যারম খেলা থেকে একত্রে সুরাপানের স্তরে উপনীত হলো।

তখন সদ্য মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ, তার সাথে আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনে দশ বছরের নাট্যমঞ্চেও আকস্মিক যবনিকাপাত। সবার কপালে চিন্তার ভাঁজ- এর পর কোথায়! কেউ নরেন্দ্রপুর, কেউ

একটা গল্প বলি শুনুন। শুনতে যদিও ভালো লাগবে না। তাও শোনানো আমার কর্তব্য মনে করি। ১. আর জি কর হাসপাতালের চেস্ট ওয়ার্ডের সেমিনার রুমে ডা.

লেখার মত ব্যক্তিগত। একটা প্যান ৪০ খেয়ে নিজের দায়িত্বে পড়বেন, নয়তো এড়িয়ে যান।। সকলের জ্ঞাতার্থে জানাই, (ইতিমধ্যে সবাই জানেন, কিন্তু জেনেও জানতে চান না) এই

নীট পরীক্ষা নিয়ে প্রচুর জলঘোলা হওয়ার পর অবশেষে সুধীবৃন্দ বুঝতে পেরেছেন ডাক্তারি ক্ষেত্রেও বেনো জল ঢুকেছে। এতদিন পায়ে হালকা হালকা আর্দ্রতা অনুভব হচ্ছিল, কেউ গুরুত্ব

বাঙালির এত কাঙাল দিনেও একটা জিনিস দেখে বেশ ভালো লাগছে, তার মার্জিত শব্দচয়ন এবং পিছিয়ে পড়া মানুষের সম্ভ্রম রক্ষার প্রচেষ্টা কিন্তু অক্ষুণ্ণ আছে। তাই তারা

মধ্যরাতের রাস্তা আজ হরিৎ বর্ণে, সুরার গন্ধে, জয় বাংলা ছন্দে আর খেলা হবে গীতিতে মুখরিত। আর বাংলার ভবিষ্যৎটা আজকের মধ্যরাতের মতোই অন্ধকারাচ্ছন্ন লাগছে। একটা ভাতাজীবী

পদার্থবিদ্যায় নিউটন সাহেব জাড্যের ধারণা দিয়েছিলেন, অর্থাৎ যে মাতাল যে তালে চলেছে তাকে না ঘাঁটালে সে নিজের তালেই চলতে থাকবে- ঠিক এরকমই জাড্যের ধারণা চিকিৎসাবিদ্যাতেও

ছোটবেলায় রবিবার দুপুরে শক্তিমান দেখা ছিল দৈনন্দিন জীবনের একটা ধ্রুবক। দুপুর বারোটার সময় উনি আসতেন আমাদের শৈশবের সমসত্ত্ব জগতে পোয়েটিক জাস্টিস নিয়ে। আমরা ভাবতাম জীবনের

আজ শ্রমিক দিবস। ডাক্তারিতে শ্রমিক বলতে আমরা বুঝি ইন্টার্ন, ফার্স্ট ইয়ার রেসিডেন্ট ইত্যাদি ইত্যাদি। এরা সব একেকজন জন হেনরি। স্টাইপেন্ড পাওয়া মানুষের মেহনত স্যালারি পাওয়া

২৬শে এপ্রিল, ২০২৪ শুক্রবার ডক্টরস’ ডায়ালগের ফেসবুক লাইভে প্রচারিত।

গত ১৭ই এপ্রিল আনন্দবাজার পত্রিকায় ডা. শ্যামল চক্রবর্তী স্যারের একটা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় “হারিয়ে যাচ্ছে ডাক্তারি চোখ”- লেখাটার বিষয়বস্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও ভীষণভাবে সত্যি, সেই নিয়েই

আমার বাড়ির পাশেই পাড়ার ক্লাবঘর। ছোটবেলা থেকেই তার সদস্যদের সঙ্গে আমার সখ্য গড়ে উঠেছিল। ক্রমে সেই সখ্য ক্যারম খেলা থেকে একত্রে সুরাপানের স্তরে উপনীত হলো।

তখন সদ্য মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ, তার সাথে আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনে দশ বছরের নাট্যমঞ্চেও আকস্মিক যবনিকাপাত। সবার কপালে চিন্তার ভাঁজ- এর পর কোথায়! কেউ নরেন্দ্রপুর, কেউ







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে