
গল্পের একাদশ অধ্যায়
(১৩.০৯.২০২৪) গল্পের নবম অধ্যায়ে বলেছিলাম লালবাজার অভিযানের কথা। কয়েকজন নিরস্ত্র চিকিৎসকের অহিংস অবস্থান বিক্ষোভের পরিণতিতে পুলিশের ব্যারিকেড উঠে যাওয়া এবং পুলিশ কমিশনারের হাতে তাঁরই পদত্যাগের

(১৩.০৯.২০২৪) গল্পের নবম অধ্যায়ে বলেছিলাম লালবাজার অভিযানের কথা। কয়েকজন নিরস্ত্র চিকিৎসকের অহিংস অবস্থান বিক্ষোভের পরিণতিতে পুলিশের ব্যারিকেড উঠে যাওয়া এবং পুলিশ কমিশনারের হাতে তাঁরই পদত্যাগের

০৯.০৮.২৪-০৮.০৯.২৪ ৫৩. লিখতে লিখতে ভাষা ফুরিয়ে গেছে, কিন্তু বিচারের বাণী এখনো নিভৃতে নীরবে কেঁদে চলেছে। রোজ পুলিশ-প্রশাসনের কুকীর্তি সামনে আসছে- আমরা ভাবছি আর কত নীচে

যে অভয়ার মা-বাবাকে পুলিশ পয়সা দিয়ে মুখ বন্ধ করতে চায়, মুখ বন্ধ না হলে আবার পয়সা নেওয়ার কথা চেপে যেতে বাধ্য করে, সেই মা-বাবার মেয়েকে

(এটা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক, যে এই অধ্যায়ে অন্য কোনো ঘটনার স্থান সংকুলান হবেনা।) ৪৬.পটভূমিকা এটা আলোচনা খুব জরুরি, প্রথমে ভাবিনি- পাবলিক ওপিনিয়ন দেখে এখন

অভয়া ক্লিনিক শেষে ফিরছি। ডাক্তারদের উদ্দীপনার শেষ নেই, প্রথম দিনের হিসাবে রোগীর সংখ্যাও তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো। যাইহোক বিরাটিতে তৃণভোজীদের সভা চলছে। সেখানে একজন মহিলা

সুপ্রিম কোর্টের শেষ শুনানির পর জনমনে একটাই প্রশ্ন, সুপ্রিম কোর্ট বলার পরেও এই বঙ্গদেশের এঁড়ে ডাক্তারেরা কেন নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে ফিরে যাচ্ছেনা- এই প্রশ্নটা যতটা

ভাই/বোনেরা, ২০১১ থেকে ২০২৪- চোদ্দ বছরের ‘ডাক্তারি’বাস সেরে রেসিডেন্সির সায়াহ্নে দাঁড়িয়ে আছি আমি। অন কল রুমে ঘুমোনোর দিন শেষ হয়ে এলো প্রায়। কিন্তু তোদের এখনো

অভয়ার বিচার চেয়ে আন্দোলন হঠাৎ শাসকদলের বিরুদ্ধে চালিত হওয়ায় কিছু মানুষ বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন এবং এই বাজারেও তৃণমূলের সমর্থনে গলা তুলছেন। আসলে পেট বড়

একটা গল্প বলি শুনুন। শুনতে যদিও ভালো লাগবে না। তাও শোনানো আমার কর্তব্য মনে করি। ১. আর জি কর হাসপাতালের চেস্ট ওয়ার্ডের সেমিনার রুমে ডা.

লেখার মত ব্যক্তিগত। একটা প্যান ৪০ খেয়ে নিজের দায়িত্বে পড়বেন, নয়তো এড়িয়ে যান।। সকলের জ্ঞাতার্থে জানাই, (ইতিমধ্যে সবাই জানেন, কিন্তু জেনেও জানতে চান না) এই

নীট পরীক্ষা নিয়ে প্রচুর জলঘোলা হওয়ার পর অবশেষে সুধীবৃন্দ বুঝতে পেরেছেন ডাক্তারি ক্ষেত্রেও বেনো জল ঢুকেছে। এতদিন পায়ে হালকা হালকা আর্দ্রতা অনুভব হচ্ছিল, কেউ গুরুত্ব

বাঙালির এত কাঙাল দিনেও একটা জিনিস দেখে বেশ ভালো লাগছে, তার মার্জিত শব্দচয়ন এবং পিছিয়ে পড়া মানুষের সম্ভ্রম রক্ষার প্রচেষ্টা কিন্তু অক্ষুণ্ণ আছে। তাই তারা

(১৩.০৯.২০২৪) গল্পের নবম অধ্যায়ে বলেছিলাম লালবাজার অভিযানের কথা। কয়েকজন নিরস্ত্র চিকিৎসকের অহিংস অবস্থান বিক্ষোভের পরিণতিতে পুলিশের ব্যারিকেড উঠে যাওয়া এবং পুলিশ কমিশনারের হাতে তাঁরই পদত্যাগের

০৯.০৮.২৪-০৮.০৯.২৪ ৫৩. লিখতে লিখতে ভাষা ফুরিয়ে গেছে, কিন্তু বিচারের বাণী এখনো নিভৃতে নীরবে কেঁদে চলেছে। রোজ পুলিশ-প্রশাসনের কুকীর্তি সামনে আসছে- আমরা ভাবছি আর কত নীচে

যে অভয়ার মা-বাবাকে পুলিশ পয়সা দিয়ে মুখ বন্ধ করতে চায়, মুখ বন্ধ না হলে আবার পয়সা নেওয়ার কথা চেপে যেতে বাধ্য করে, সেই মা-বাবার মেয়েকে

(এটা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক, যে এই অধ্যায়ে অন্য কোনো ঘটনার স্থান সংকুলান হবেনা।) ৪৬.পটভূমিকা এটা আলোচনা খুব জরুরি, প্রথমে ভাবিনি- পাবলিক ওপিনিয়ন দেখে এখন

অভয়া ক্লিনিক শেষে ফিরছি। ডাক্তারদের উদ্দীপনার শেষ নেই, প্রথম দিনের হিসাবে রোগীর সংখ্যাও তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো। যাইহোক বিরাটিতে তৃণভোজীদের সভা চলছে। সেখানে একজন মহিলা

সুপ্রিম কোর্টের শেষ শুনানির পর জনমনে একটাই প্রশ্ন, সুপ্রিম কোর্ট বলার পরেও এই বঙ্গদেশের এঁড়ে ডাক্তারেরা কেন নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে ফিরে যাচ্ছেনা- এই প্রশ্নটা যতটা

ভাই/বোনেরা, ২০১১ থেকে ২০২৪- চোদ্দ বছরের ‘ডাক্তারি’বাস সেরে রেসিডেন্সির সায়াহ্নে দাঁড়িয়ে আছি আমি। অন কল রুমে ঘুমোনোর দিন শেষ হয়ে এলো প্রায়। কিন্তু তোদের এখনো

অভয়ার বিচার চেয়ে আন্দোলন হঠাৎ শাসকদলের বিরুদ্ধে চালিত হওয়ায় কিছু মানুষ বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন এবং এই বাজারেও তৃণমূলের সমর্থনে গলা তুলছেন। আসলে পেট বড়

একটা গল্প বলি শুনুন। শুনতে যদিও ভালো লাগবে না। তাও শোনানো আমার কর্তব্য মনে করি। ১. আর জি কর হাসপাতালের চেস্ট ওয়ার্ডের সেমিনার রুমে ডা.

লেখার মত ব্যক্তিগত। একটা প্যান ৪০ খেয়ে নিজের দায়িত্বে পড়বেন, নয়তো এড়িয়ে যান।। সকলের জ্ঞাতার্থে জানাই, (ইতিমধ্যে সবাই জানেন, কিন্তু জেনেও জানতে চান না) এই

নীট পরীক্ষা নিয়ে প্রচুর জলঘোলা হওয়ার পর অবশেষে সুধীবৃন্দ বুঝতে পেরেছেন ডাক্তারি ক্ষেত্রেও বেনো জল ঢুকেছে। এতদিন পায়ে হালকা হালকা আর্দ্রতা অনুভব হচ্ছিল, কেউ গুরুত্ব

বাঙালির এত কাঙাল দিনেও একটা জিনিস দেখে বেশ ভালো লাগছে, তার মার্জিত শব্দচয়ন এবং পিছিয়ে পড়া মানুষের সম্ভ্রম রক্ষার প্রচেষ্টা কিন্তু অক্ষুণ্ণ আছে। তাই তারা







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে