
নিভৃতকথন পর্ব ৪
পশ্চিমবঙ্গের বাজারে কিন্তু ওয়েস্ট বেঙ্গল স্কুটার্স বিশেষ সুবিধে করতে পারল না। আমরা খড়গপুর যাওয়ার বছর দুই আড়াইএর মধ্যেই বাবার অনেক সহকর্মী কাকুদের কোম্পানি ছেড়ে অন্য

পশ্চিমবঙ্গের বাজারে কিন্তু ওয়েস্ট বেঙ্গল স্কুটার্স বিশেষ সুবিধে করতে পারল না। আমরা খড়গপুর যাওয়ার বছর দুই আড়াইএর মধ্যেই বাবার অনেক সহকর্মী কাকুদের কোম্পানি ছেড়ে অন্য

ঘটনা ১ সালটা ২০০২-৩ হবে। আমি তখন উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে পোস্টেড। এক শীতের সকালে রাধিকাপুর অঞ্চলের এক প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়েছি স্বাস্থ্য শিবির করতে।

হিন্দুস্থান মোটর্সের চাকরিটা ছেড়ে বাবা শেষ অবধি আরেকটা নতুন চাকরি জোগাড় করেই ফেলল। কোনো সুপারিশে না। নিজের চেষ্টাতেই। ক্লাস থ্রি থেকে ফোরে প্রোমোশনের রিপোর্ট কার্ড

সাদেক মিঞার পালঙ্কে যেন সুখ পাতা আছে। চৌকাঠে, শেষ বিকেলের রাঙা রোদ্দুরের মতো টাকার ওম লেগে থাকে — তবু সুলেখার বুকের খাঁচায়, পাখিটা কেবলই ডানা

ঐ যে ভিক্টোরিয়ার বাগানের উল্টোদিকের মাঠে জলফোয়ারার সামনে সুন্দরী কেশবতীর সরু সিঁথির মতো পায়েচলা পথ গিয়েছে, তার দু’ধারে কেয়ারি করা অজানা গাছে অচেনা ফুল ফুটেছে

আমার ঠাকুর্দার বারোজন ছেলেপুলে ছিল। বারোজনের মধ্যে বাবা ছিল কনিষ্ঠতম। একবার আমি আর বাবা বসে হিসেব করেছিলাম, আমার পিতৃকুলে তুতো ভাইবোন ছিলাম বিয়াল্লিশজন। এঁদের মধ্যে

জন্মের সময় মা-কে অমানুষিক কষ্ট দিয়েছিলাম আমি। সবেমাত্র প্লুরিসি থেকে ভুগে ওঠা মা, বিয়ের তিনবছর পরেও বাচ্চা না হওয়ার জন্য বুড়ো শ্বশুরের গঞ্জনা সওয়া মা,

অর্থমূল্য বেশি, এমন কোনো পার্থিব জিনিসের উপর আমার সাংঘাতিক টান কখনো ছিল না, এখনো নেই। বিলাসব্যসনের সামগ্রীর সংজ্ঞা এই বিশ্বায়নোত্তর যুগে পালটে গিয়েছে — আগে

আমার ইস্কুলজীবনের পাঠ্য বিষয়গুলির উপরে (অঙ্ক ও পদার্থবিদ্যে বাদে) আমার অকৃত্রিম টান থাকা সত্ত্বেও কেন যে ইস্কুল ব্যাপারটাতেই আমার একটা চূড়ান্ত ভীতি আর বিবমিষা ছিল,

গতকাল হাসপাতাল থেকে ডিউটি ফেরত গিয়েছিলাম বাজার করতে। সবজি ফুরিয়েছে। একার পেট হলেও অল্পস্বল্প কিছু লাগে তো, তাই কিনতেই গিয়েছিলাম। জিঞ্জিরা বাজারে। অতি উত্তম শাকসবজির

ফেসবুকের বন্ধু/গুরুজনেরা বলছেন আজকাল আমার লেখায় বড্ড বেশি বিষাদ থাকে। অস্বীকার করি না, থাকে। আজ বলে নয়, চিরদিনই। ইদানীং হয়ত একটু বেশি। নিজের চারিত্রিক অনপনেয়

হুশহুশ করে কানের পাশ দিয়ে হাওয়া কেটে সরে যাচ্ছে দিনগুলো। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছুটছে মানুষ। হাঁপাচ্ছে, পড়ছে, উঠছে — ফের ছুটছে। কিছু জন পড়ে

পশ্চিমবঙ্গের বাজারে কিন্তু ওয়েস্ট বেঙ্গল স্কুটার্স বিশেষ সুবিধে করতে পারল না। আমরা খড়গপুর যাওয়ার বছর দুই আড়াইএর মধ্যেই বাবার অনেক সহকর্মী কাকুদের কোম্পানি ছেড়ে অন্য

ঘটনা ১ সালটা ২০০২-৩ হবে। আমি তখন উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে পোস্টেড। এক শীতের সকালে রাধিকাপুর অঞ্চলের এক প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়েছি স্বাস্থ্য শিবির করতে।

হিন্দুস্থান মোটর্সের চাকরিটা ছেড়ে বাবা শেষ অবধি আরেকটা নতুন চাকরি জোগাড় করেই ফেলল। কোনো সুপারিশে না। নিজের চেষ্টাতেই। ক্লাস থ্রি থেকে ফোরে প্রোমোশনের রিপোর্ট কার্ড

সাদেক মিঞার পালঙ্কে যেন সুখ পাতা আছে। চৌকাঠে, শেষ বিকেলের রাঙা রোদ্দুরের মতো টাকার ওম লেগে থাকে — তবু সুলেখার বুকের খাঁচায়, পাখিটা কেবলই ডানা

ঐ যে ভিক্টোরিয়ার বাগানের উল্টোদিকের মাঠে জলফোয়ারার সামনে সুন্দরী কেশবতীর সরু সিঁথির মতো পায়েচলা পথ গিয়েছে, তার দু’ধারে কেয়ারি করা অজানা গাছে অচেনা ফুল ফুটেছে

আমার ঠাকুর্দার বারোজন ছেলেপুলে ছিল। বারোজনের মধ্যে বাবা ছিল কনিষ্ঠতম। একবার আমি আর বাবা বসে হিসেব করেছিলাম, আমার পিতৃকুলে তুতো ভাইবোন ছিলাম বিয়াল্লিশজন। এঁদের মধ্যে

জন্মের সময় মা-কে অমানুষিক কষ্ট দিয়েছিলাম আমি। সবেমাত্র প্লুরিসি থেকে ভুগে ওঠা মা, বিয়ের তিনবছর পরেও বাচ্চা না হওয়ার জন্য বুড়ো শ্বশুরের গঞ্জনা সওয়া মা,

অর্থমূল্য বেশি, এমন কোনো পার্থিব জিনিসের উপর আমার সাংঘাতিক টান কখনো ছিল না, এখনো নেই। বিলাসব্যসনের সামগ্রীর সংজ্ঞা এই বিশ্বায়নোত্তর যুগে পালটে গিয়েছে — আগে

আমার ইস্কুলজীবনের পাঠ্য বিষয়গুলির উপরে (অঙ্ক ও পদার্থবিদ্যে বাদে) আমার অকৃত্রিম টান থাকা সত্ত্বেও কেন যে ইস্কুল ব্যাপারটাতেই আমার একটা চূড়ান্ত ভীতি আর বিবমিষা ছিল,

গতকাল হাসপাতাল থেকে ডিউটি ফেরত গিয়েছিলাম বাজার করতে। সবজি ফুরিয়েছে। একার পেট হলেও অল্পস্বল্প কিছু লাগে তো, তাই কিনতেই গিয়েছিলাম। জিঞ্জিরা বাজারে। অতি উত্তম শাকসবজির

ফেসবুকের বন্ধু/গুরুজনেরা বলছেন আজকাল আমার লেখায় বড্ড বেশি বিষাদ থাকে। অস্বীকার করি না, থাকে। আজ বলে নয়, চিরদিনই। ইদানীং হয়ত একটু বেশি। নিজের চারিত্রিক অনপনেয়

হুশহুশ করে কানের পাশ দিয়ে হাওয়া কেটে সরে যাচ্ছে দিনগুলো। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছুটছে মানুষ। হাঁপাচ্ছে, পড়ছে, উঠছে — ফের ছুটছে। কিছু জন পড়ে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে