
ইনক্যাব হলিডে হোম, শম্পা মির্জা নগরের মিনিবাস এবং একনাথ সোলকার
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরোনো স্মৃতিরা ঝকঝকে হয়ে ওঠে — আশ্বিনের বৃষ্টিধোয়া আকাশের মতো। নতুন দিন যতই চমকদার হোক না কেন, সেই সাদাকালো অতীতের ঔজ্জ্বল্যের

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরোনো স্মৃতিরা ঝকঝকে হয়ে ওঠে — আশ্বিনের বৃষ্টিধোয়া আকাশের মতো। নতুন দিন যতই চমকদার হোক না কেন, সেই সাদাকালো অতীতের ঔজ্জ্বল্যের

আচ্ছা বন্ধুগণ, ফেসবুকের কি হয়েছে বলুন তো? সে নাকি ইদানিং সর্বজ্ঞ অন্তর্যামী হয়েছে — আপনি হালফিল যা যা ভেবেছেন বা ভাবছেন (সামলে মশাই), হুবহু সেইসব

গত কয়েকদিন ধরে সমাজমাধ্যম যা নিয়ে সরগরম, সেই বিষয়ে দু’চার কথা বলতে এলাম। সেই কোন শিশুকালে আগরপাড়া স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের সিমেন্টের পোস্ট আর লোকাল ট্রেনের কামরায়

১৭ই জুলাই, ১৯৪৮। দিনটি স্মরণীয়। সাতাত্তর বছর আগে আজকের দিনে ভারতে মহিলারা আইএএস এবং আইপিএস হওয়ার দৌড়ে শামিল হওয়ার অধিকার অর্জন করেছিলেন। আন্না রাজম মালহোত্রা।

দ্বিতীয় হুগলি সেতু পেরিয়ে কোনা এক্সপ্রেসওয়ে ধরে সাঁতরাগাছি রেলস্টেশনকে বাঁয়ে ফেলে সোজা এগোলে, উনসানি আর গড়পা ছাড়িয়ে পড়ে নিবড়ার মোড়। সেখান থেকে ডানহাতি রাস্তা ধরলে

সাবেক পশ্চিম দিনাজপুর জেলা ভেঙে বের করে আনা উত্তর দিনাজপুরের ভৌগোলিক অবস্থান একটু অদ্ভুত ছিল। জেলার সদর শহর ছিল রায়গঞ্জ আর একমাত্র মহকুমা ছিল ইসলামপুর।

কালিয়াগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালের তেমন একটা ছিরি ছাঁদ ছিল না। টিনের চালের একতলা ব্যারাকের মতো হাসপাতাল বাড়ি, দুদিকে দুটি ডানা ছড়ানো। একদিকে তিরিশ শয্যার মেল ওয়ার্ড,

নিরবচ্ছিন্ন আনন্দের সময় বলে কিছু হয়না — সকল সুখের রসনাবিলাসের মধ্যেই অল্পবিস্তর দুঃখকষ্টের ফোড়ন থাকে, থাকতেই হয়। নয়ত বড় পানসে হয়ে যায় জীবনের স্বাদ। বালানন্দ

বালানন্দ ব্রহ্মচারী হাসপাতালের আবহে বেশ একটা অনায়াস সহজতা ছিল। যেহেতু এটি একটি প্রথাগত ডাক্তারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয় তাই সিনিয়র ডাক্তারদের কাছে প্রতি পদে নিজেদের যোগ্যতা

ন্যাশনালের হাউসস্টাফশিপ শেষ হয়ে যাবার পর বছর ঘুরে গেল — আমি যে তিমিরে ছিলাম, সেখানেই রয়ে গেলাম। তখন আমার নিয়মিত রোজগারের ভীষণ প্রয়োজন। প্র্যাকটিসে আমি

ন্যাশনাল মেডিক্যালের পেডিয়াট্রিক ওয়ার্ডে জ্বর, খিঁচুনির রোগী ভর্তি হতো খুব। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তা হতো তড়কা, যাকে ডাক্তারি পরিভাষায় বলা হয় febrile convulsions. জ্বর কমার

তেরো বছর আগে এইরকমই এক বর্ষাদিনে শত শত বাঙালির হাত একটি শবদেহ স্পর্শ করে শপথ নিয়েছিল — পশ্চিমবঙ্গকে নৈরাজ্যের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হওয়া থেকে প্রতিহত করতে

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরোনো স্মৃতিরা ঝকঝকে হয়ে ওঠে — আশ্বিনের বৃষ্টিধোয়া আকাশের মতো। নতুন দিন যতই চমকদার হোক না কেন, সেই সাদাকালো অতীতের ঔজ্জ্বল্যের

আচ্ছা বন্ধুগণ, ফেসবুকের কি হয়েছে বলুন তো? সে নাকি ইদানিং সর্বজ্ঞ অন্তর্যামী হয়েছে — আপনি হালফিল যা যা ভেবেছেন বা ভাবছেন (সামলে মশাই), হুবহু সেইসব

গত কয়েকদিন ধরে সমাজমাধ্যম যা নিয়ে সরগরম, সেই বিষয়ে দু’চার কথা বলতে এলাম। সেই কোন শিশুকালে আগরপাড়া স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের সিমেন্টের পোস্ট আর লোকাল ট্রেনের কামরায়

১৭ই জুলাই, ১৯৪৮। দিনটি স্মরণীয়। সাতাত্তর বছর আগে আজকের দিনে ভারতে মহিলারা আইএএস এবং আইপিএস হওয়ার দৌড়ে শামিল হওয়ার অধিকার অর্জন করেছিলেন। আন্না রাজম মালহোত্রা।

দ্বিতীয় হুগলি সেতু পেরিয়ে কোনা এক্সপ্রেসওয়ে ধরে সাঁতরাগাছি রেলস্টেশনকে বাঁয়ে ফেলে সোজা এগোলে, উনসানি আর গড়পা ছাড়িয়ে পড়ে নিবড়ার মোড়। সেখান থেকে ডানহাতি রাস্তা ধরলে

সাবেক পশ্চিম দিনাজপুর জেলা ভেঙে বের করে আনা উত্তর দিনাজপুরের ভৌগোলিক অবস্থান একটু অদ্ভুত ছিল। জেলার সদর শহর ছিল রায়গঞ্জ আর একমাত্র মহকুমা ছিল ইসলামপুর।

কালিয়াগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালের তেমন একটা ছিরি ছাঁদ ছিল না। টিনের চালের একতলা ব্যারাকের মতো হাসপাতাল বাড়ি, দুদিকে দুটি ডানা ছড়ানো। একদিকে তিরিশ শয্যার মেল ওয়ার্ড,

নিরবচ্ছিন্ন আনন্দের সময় বলে কিছু হয়না — সকল সুখের রসনাবিলাসের মধ্যেই অল্পবিস্তর দুঃখকষ্টের ফোড়ন থাকে, থাকতেই হয়। নয়ত বড় পানসে হয়ে যায় জীবনের স্বাদ। বালানন্দ

বালানন্দ ব্রহ্মচারী হাসপাতালের আবহে বেশ একটা অনায়াস সহজতা ছিল। যেহেতু এটি একটি প্রথাগত ডাক্তারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয় তাই সিনিয়র ডাক্তারদের কাছে প্রতি পদে নিজেদের যোগ্যতা

ন্যাশনালের হাউসস্টাফশিপ শেষ হয়ে যাবার পর বছর ঘুরে গেল — আমি যে তিমিরে ছিলাম, সেখানেই রয়ে গেলাম। তখন আমার নিয়মিত রোজগারের ভীষণ প্রয়োজন। প্র্যাকটিসে আমি

ন্যাশনাল মেডিক্যালের পেডিয়াট্রিক ওয়ার্ডে জ্বর, খিঁচুনির রোগী ভর্তি হতো খুব। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তা হতো তড়কা, যাকে ডাক্তারি পরিভাষায় বলা হয় febrile convulsions. জ্বর কমার

তেরো বছর আগে এইরকমই এক বর্ষাদিনে শত শত বাঙালির হাত একটি শবদেহ স্পর্শ করে শপথ নিয়েছিল — পশ্চিমবঙ্গকে নৈরাজ্যের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হওয়া থেকে প্রতিহত করতে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে