
মানুষ ছাড়া
বোমার ঘায়ে উড়লো যারা, মানুষ ছিলো সেটার জেরে পুড়লো যারা, মানুষ ছিলো। মশলা বোমার জোগাড় করে, তাক করে যে ছুঁড়লো জোরে, হাতের মালিক মানুষ ছিলো,

বোমার ঘায়ে উড়লো যারা, মানুষ ছিলো সেটার জেরে পুড়লো যারা, মানুষ ছিলো। মশলা বোমার জোগাড় করে, তাক করে যে ছুঁড়লো জোরে, হাতের মালিক মানুষ ছিলো,

নারীর কথা ভাবলে নিজের নাভির দিকে দেখো। ওই নাড়ীতেই সবার শুরু, সত্য শিখে রেখো। তার জীবনে হ্যাঁয়ের চেয়ে বেশি প্রভাব না’রই, এইখানে বাঁধ, ওইটা বারণ,

আসলে আমরা বুঝতে পারি না পৃথিবীর সব যুদ্ধই হয় শান্তি আনতে। হিটলারের কনসেনট্রেশন ক্যাম্প আর ট্রুমানের হিরোসিমা নাগাসাকি, দুটোই সাদা পায়রা ওড়ানোর জন্য হাততালি ছাড়া

প্রতিটি যুদ্ধের পরে, লাশের স্তুপের থেকে নিজের সন্তান ও ভাইদের আলাদা করতে করতে হাহাকার করে ওঠে হোমো স্যাপিয়েন্স। প্রতিটি যুদ্ধের পরে, অজস্র গণকবরের স্মৃতি বুকে

দুজনেরই বয়েস হবে পঁচিশ তিরিশ, ফালতুতে বসে থাকা দুজনেরই দুচোখের বিষ, দুজনেই অস্ত্রে নিপুণ। কবে যে সুযোগ পাবে, তেমন খোয়াব দেখে ট্রিগারে আঙুল করে খুব

মানুষটা বুঝলো, আর কিছুক্ষণ বাদে সে মরে যাবে। ডাক্তার বদ্যি ওষুধের পালা শেষ, পাওনা দেনার হিসেবনিকেশের আর দরকার নেই, আগামীর স্বপ্ন আর অতীতের রোমন্থন, দুটোই

শুঁড়ির উপায় সুরার থেকে, শিক্ষা থেকে লাভটা কার, পাঠশালা চাই, পানশালা নয় দাবী এমন কোন পাঁঠার? ব্যা ব্যা করাই শিখবে শুধু বেকার কিছু বই পড়ে,

দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি বিশেষ ২৮ রতন সমাদ্দার আর সৌমেন্দু মহলানবিসের মধ্যে এমনিতে কোনো মিল নেই। রতন ক্লাস টেন ফেল, সৌমেন্দু মাস্টার্স করেছে ইনফর্মেশন টেকনোলজিতে। রতনের বেড়ে

দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি বিশেষ ২৫ ফেরো। ভয়ের থেকে, ক্ষয়ের থেকে, এই হতাশার লয়ের থেকে, এই যে যুদ্ধে যাওয়ার ভয়ে লড়ার আগেই হেরো, সময় আবার সুযোগ দিলো,

দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি বিশেষ ১৭ ফ্রন্টলাইন? এই যুদ্ধে সেটা কোথায় ? দুয়ারে করোনা এসে স্পাইক নাচায়, মুখেরা লুকিয়ে আছে মুখোশখাঁচায়, কবে যে মিটবে মারী সবার অজানা,

অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য, জনতা নয়, ক্ষমতাসীন দলের কথাই গণ্য। কী তার রঙ, প্রতীক বা কী, নেত্রী নেতাও তুচ্ছ, হিংসাশাবক ভোটের দোরে নাড়িয়ে যাবে

মাস্ক ছাড়বে কি চিবুকে নামাবে, জ্বর বলে কারা কতটা কামাবে, কথায় সেসব উথলিয়ে নিয়ো অবসরে যত ইচ্ছে, লড়াই এখনো হয়নি যে শেষ, অগোছালো হলে শেষ

বোমার ঘায়ে উড়লো যারা, মানুষ ছিলো সেটার জেরে পুড়লো যারা, মানুষ ছিলো। মশলা বোমার জোগাড় করে, তাক করে যে ছুঁড়লো জোরে, হাতের মালিক মানুষ ছিলো,

নারীর কথা ভাবলে নিজের নাভির দিকে দেখো। ওই নাড়ীতেই সবার শুরু, সত্য শিখে রেখো। তার জীবনে হ্যাঁয়ের চেয়ে বেশি প্রভাব না’রই, এইখানে বাঁধ, ওইটা বারণ,

আসলে আমরা বুঝতে পারি না পৃথিবীর সব যুদ্ধই হয় শান্তি আনতে। হিটলারের কনসেনট্রেশন ক্যাম্প আর ট্রুমানের হিরোসিমা নাগাসাকি, দুটোই সাদা পায়রা ওড়ানোর জন্য হাততালি ছাড়া

প্রতিটি যুদ্ধের পরে, লাশের স্তুপের থেকে নিজের সন্তান ও ভাইদের আলাদা করতে করতে হাহাকার করে ওঠে হোমো স্যাপিয়েন্স। প্রতিটি যুদ্ধের পরে, অজস্র গণকবরের স্মৃতি বুকে

দুজনেরই বয়েস হবে পঁচিশ তিরিশ, ফালতুতে বসে থাকা দুজনেরই দুচোখের বিষ, দুজনেই অস্ত্রে নিপুণ। কবে যে সুযোগ পাবে, তেমন খোয়াব দেখে ট্রিগারে আঙুল করে খুব

মানুষটা বুঝলো, আর কিছুক্ষণ বাদে সে মরে যাবে। ডাক্তার বদ্যি ওষুধের পালা শেষ, পাওনা দেনার হিসেবনিকেশের আর দরকার নেই, আগামীর স্বপ্ন আর অতীতের রোমন্থন, দুটোই

শুঁড়ির উপায় সুরার থেকে, শিক্ষা থেকে লাভটা কার, পাঠশালা চাই, পানশালা নয় দাবী এমন কোন পাঁঠার? ব্যা ব্যা করাই শিখবে শুধু বেকার কিছু বই পড়ে,

দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি বিশেষ ২৮ রতন সমাদ্দার আর সৌমেন্দু মহলানবিসের মধ্যে এমনিতে কোনো মিল নেই। রতন ক্লাস টেন ফেল, সৌমেন্দু মাস্টার্স করেছে ইনফর্মেশন টেকনোলজিতে। রতনের বেড়ে

দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি বিশেষ ২৫ ফেরো। ভয়ের থেকে, ক্ষয়ের থেকে, এই হতাশার লয়ের থেকে, এই যে যুদ্ধে যাওয়ার ভয়ে লড়ার আগেই হেরো, সময় আবার সুযোগ দিলো,

দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি বিশেষ ১৭ ফ্রন্টলাইন? এই যুদ্ধে সেটা কোথায় ? দুয়ারে করোনা এসে স্পাইক নাচায়, মুখেরা লুকিয়ে আছে মুখোশখাঁচায়, কবে যে মিটবে মারী সবার অজানা,

অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য, জনতা নয়, ক্ষমতাসীন দলের কথাই গণ্য। কী তার রঙ, প্রতীক বা কী, নেত্রী নেতাও তুচ্ছ, হিংসাশাবক ভোটের দোরে নাড়িয়ে যাবে

মাস্ক ছাড়বে কি চিবুকে নামাবে, জ্বর বলে কারা কতটা কামাবে, কথায় সেসব উথলিয়ে নিয়ো অবসরে যত ইচ্ছে, লড়াই এখনো হয়নি যে শেষ, অগোছালো হলে শেষ







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে