
ঈশ্বর- আমার একাকী ঈশ্বর ৬
আমার ঈশ্বর এক অদ্ভুতকর্মা মানুষ। যাকে, যার ব্যক্তিত্বটিকে না চিনলে তার কর্মপদ্ধতি বোঝা যাবে না। সুতরাং কর্মজীবনে প্রবেশ করার আগে সেই মানুষটিকে চেনানোর চেষ্টা করি।

আমার ঈশ্বর এক অদ্ভুতকর্মা মানুষ। যাকে, যার ব্যক্তিত্বটিকে না চিনলে তার কর্মপদ্ধতি বোঝা যাবে না। সুতরাং কর্মজীবনে প্রবেশ করার আগে সেই মানুষটিকে চেনানোর চেষ্টা করি।

কলেজের দ্বিতীয় ভাগ (ঋণস্বীকার: করুণাসাগর বিদ্যাসাগর-ইন্দ্রমিত্র; বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ-বিনয় ঘোষ; বিদ্যাসাগর-মণি বাগচি; বিদ্যাসাগর জীবনচরিত ও ভ্রমনিরাস-শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন, তস্য তৃতীয় ভ্রাতা। এবং স্বীকারোক্তি: এই দীর্ঘ

কলেজের প্রথম ভাগ (ঋণস্বীকার: করুণাসাগর বিদ্যাসাগর-ইন্দ্রমিত্র; বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ-বিনয় ঘোষ; বিদ্যাসাগর-মণি বাগচি; বিদ্যাসাগর জীবনচরিত ও ভ্রমনিরাস-শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন, তস্য তৃতীয় ভ্রাতা) ঠাকুরদাসের তখন দশটাকা মাসিক

তিন (ঋণস্বীকার: করুণাসাগর বিদ্যাসাগর-ইন্দ্রমিত্র; বিদ্যাসাগর ও বাঙালী সমাজ-বিনয় ঘোষ; বিদ্যাসাগর-মণি বাগচি; বিদ্যাসাগর জীবনচরিত ও ভ্রমনিরাস-শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন, তস্য তৃতীয় ভ্রাতা) সদ্যজাত ঈশ্বরকে দেখে পিতামহ রামজয় কী

২ ঋণ স্বীকার:-বিদ্যাসাগর (মণি বাগচি), করুণাসাগর বিদ্যাসাগর (ইন্দ্রমিত্র), বিদ্যাসাগর ও বাঙ্গালী সমাজ (বিনয় ঘোষ), বিদ্যাসাগর জীবনীচরিত ও ভ্রমনিরাস (শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন) বনমালীপুর। হুগলি জিলার এক বর্ধিষ্ণু

কর্মাটাঁড়ে ঈশ্বর [তথ্যসূত্র-করুণাসাগর বিদ্যাসাগর (ইন্দ্রমিত্র); বিদ্যাসাগর জীবনচরিত ও ভ্রমনিরাস (শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন); বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ (বিনয় ঘোষ); পরবর্তীতে ঋণের সংখ্যা বাড়তে পারে] বিস্তীর্ণ মালভূমি অঞ্চল।

“এই অঞ্চলটা আমার পরিচিত হয়ে গ্যাছে” উক্তিটা বাঁকুড়ার সদ্য বদলি হয়ে আসা এক মহিলা অফিসারের। সাধারণের হিসেবে যৌবন উত্তীর্ণা, অবিবাহিতা। কালো চুলের ফাঁকে ফাঁকে সাদা

একটা না-কবিতা, না-গদ্য “কেবল একটি পাথরের টবে হৃৎপিণ্ড যত্নে রেখেছি তুমি এসে দাঁড়ালেই সে ফুটে উঠবে” (জাহাঙ্গীর আবেদিন) ওয়ার্ডের ভেতরটা বয়লারের মতো ভ্যাপসা। নবনীতাদি বসে

বিধান রায় ভগবান ছিলেন না। সামান্য মানুষ মাত্র। কবির প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের জন্য ইউরিন সম্পূর্ণ আটকে কিডনি ফেইলিওর হচ্ছিল (high urea level)। এবং উনি ভয়ানক ইউরিন

একটি দীপু হাতুড়ের প্রতিবেদন ফাল্গুনী সন্ধ্যা ঘনিয়ে এসেছে। কৃষ্ণপক্ষের প্রথম প্রহরে কৃষ্ণবর্ণ হয়ে উঠেছে পলাশ শিমুলের ফুল জঙ্গল। বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে সাথীহীন হাতুড়ে বিস্তীর্ণ ঢেউ খ্যালানো

একটা মৃদু আলো জ্বলা অন্ধকার ঘর।আলোর রং লাল।একটা মাত্র ছোট্ট জানালা,দেখে মনে হয়, ওটা য্যানো এলাকায় নজরদারির জন্য রাখা হয়েছে।একজন কালো পোশাক পরা,মাথায় বাদামী কাউবয়

পুকুর বাগান জংলা বাড়ি খেলনা, শাড়ি, বইএর পাহাড়,ভাঙা বাসন উঠোনমাঝে টিউবওয়েল- ছোট্ট দোয়েল, শানবাঁধানো লাল মেঝেতে গড়াগড়ি, পেয়ারা গাছে আমের পাতার জড়াজড়ি, রং চটা ছাত,

আমার ঈশ্বর এক অদ্ভুতকর্মা মানুষ। যাকে, যার ব্যক্তিত্বটিকে না চিনলে তার কর্মপদ্ধতি বোঝা যাবে না। সুতরাং কর্মজীবনে প্রবেশ করার আগে সেই মানুষটিকে চেনানোর চেষ্টা করি।

কলেজের দ্বিতীয় ভাগ (ঋণস্বীকার: করুণাসাগর বিদ্যাসাগর-ইন্দ্রমিত্র; বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ-বিনয় ঘোষ; বিদ্যাসাগর-মণি বাগচি; বিদ্যাসাগর জীবনচরিত ও ভ্রমনিরাস-শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন, তস্য তৃতীয় ভ্রাতা। এবং স্বীকারোক্তি: এই দীর্ঘ

কলেজের প্রথম ভাগ (ঋণস্বীকার: করুণাসাগর বিদ্যাসাগর-ইন্দ্রমিত্র; বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ-বিনয় ঘোষ; বিদ্যাসাগর-মণি বাগচি; বিদ্যাসাগর জীবনচরিত ও ভ্রমনিরাস-শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন, তস্য তৃতীয় ভ্রাতা) ঠাকুরদাসের তখন দশটাকা মাসিক

তিন (ঋণস্বীকার: করুণাসাগর বিদ্যাসাগর-ইন্দ্রমিত্র; বিদ্যাসাগর ও বাঙালী সমাজ-বিনয় ঘোষ; বিদ্যাসাগর-মণি বাগচি; বিদ্যাসাগর জীবনচরিত ও ভ্রমনিরাস-শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন, তস্য তৃতীয় ভ্রাতা) সদ্যজাত ঈশ্বরকে দেখে পিতামহ রামজয় কী

২ ঋণ স্বীকার:-বিদ্যাসাগর (মণি বাগচি), করুণাসাগর বিদ্যাসাগর (ইন্দ্রমিত্র), বিদ্যাসাগর ও বাঙ্গালী সমাজ (বিনয় ঘোষ), বিদ্যাসাগর জীবনীচরিত ও ভ্রমনিরাস (শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন) বনমালীপুর। হুগলি জিলার এক বর্ধিষ্ণু

কর্মাটাঁড়ে ঈশ্বর [তথ্যসূত্র-করুণাসাগর বিদ্যাসাগর (ইন্দ্রমিত্র); বিদ্যাসাগর জীবনচরিত ও ভ্রমনিরাস (শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্ন); বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ (বিনয় ঘোষ); পরবর্তীতে ঋণের সংখ্যা বাড়তে পারে] বিস্তীর্ণ মালভূমি অঞ্চল।

“এই অঞ্চলটা আমার পরিচিত হয়ে গ্যাছে” উক্তিটা বাঁকুড়ার সদ্য বদলি হয়ে আসা এক মহিলা অফিসারের। সাধারণের হিসেবে যৌবন উত্তীর্ণা, অবিবাহিতা। কালো চুলের ফাঁকে ফাঁকে সাদা

একটা না-কবিতা, না-গদ্য “কেবল একটি পাথরের টবে হৃৎপিণ্ড যত্নে রেখেছি তুমি এসে দাঁড়ালেই সে ফুটে উঠবে” (জাহাঙ্গীর আবেদিন) ওয়ার্ডের ভেতরটা বয়লারের মতো ভ্যাপসা। নবনীতাদি বসে

বিধান রায় ভগবান ছিলেন না। সামান্য মানুষ মাত্র। কবির প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের জন্য ইউরিন সম্পূর্ণ আটকে কিডনি ফেইলিওর হচ্ছিল (high urea level)। এবং উনি ভয়ানক ইউরিন

একটি দীপু হাতুড়ের প্রতিবেদন ফাল্গুনী সন্ধ্যা ঘনিয়ে এসেছে। কৃষ্ণপক্ষের প্রথম প্রহরে কৃষ্ণবর্ণ হয়ে উঠেছে পলাশ শিমুলের ফুল জঙ্গল। বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে সাথীহীন হাতুড়ে বিস্তীর্ণ ঢেউ খ্যালানো

একটা মৃদু আলো জ্বলা অন্ধকার ঘর।আলোর রং লাল।একটা মাত্র ছোট্ট জানালা,দেখে মনে হয়, ওটা য্যানো এলাকায় নজরদারির জন্য রাখা হয়েছে।একজন কালো পোশাক পরা,মাথায় বাদামী কাউবয়

পুকুর বাগান জংলা বাড়ি খেলনা, শাড়ি, বইএর পাহাড়,ভাঙা বাসন উঠোনমাঝে টিউবওয়েল- ছোট্ট দোয়েল, শানবাঁধানো লাল মেঝেতে গড়াগড়ি, পেয়ারা গাছে আমের পাতার জড়াজড়ি, রং চটা ছাত,







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে