
ক্রসপ্যাথি ও বদ রোগীরা
সে বার বাড়ির নিচের বাসিন্দা ভুলু’র মন খারাপ। কি জানি কেন। সারাদিন ধরে পড়ে ছিল ঘরের সামনে। খাবার দিচ্ছি, মুখেও তুলছে না! কয়েকদিন আগেই পাঁচটা বাচ্চা

সে বার বাড়ির নিচের বাসিন্দা ভুলু’র মন খারাপ। কি জানি কেন। সারাদিন ধরে পড়ে ছিল ঘরের সামনে। খাবার দিচ্ছি, মুখেও তুলছে না! কয়েকদিন আগেই পাঁচটা বাচ্চা

আমার তরফে আবারো একটি স্বীকারোক্তি – মাত্র কয়েক বছর হলো ডাক্তারি করছি। অভিজ্ঞতা বলতে খুব বেশি নেই। এমনিতে খুব বেশি মিশুকে না হলেও, রোগীর সাথে

ভারতবর্ষের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে চিকিৎসা নিয়ে সাধারণ মানুষের নানা রকম ক্ষোভ। বিশেষতঃ আধুনিক চিকিৎসক ও চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি সেই ক্ষোভ মাঝে মাঝেই এমন আকার

ডাক্তারির সামান্য খুঁটিনাটি নিয়ে মাঝে মাঝে লিখতে ইচ্ছে করে। অথচ সব সময় সেটা সম্ভব হয়ে ওঠে না। সত্যি বলতে – নিজেকে, পরিবারকে দেয়ার মত সময়টুকুরই

দেখতে দেখতে বেশ কয়েক বছর হয়ে গেল ডাক্তারি পেশায়। হাজার হাজার মানুষের সাথে কথা বলেছি এই সময়ে। প্রত্যেকটি মানুষ এক এক রকমের। এক এক জনের
রোবোটের মত হয়ে গেছি বহুকাল হল। নিয়ম করে ঘুম থেকে ওঠা, নিয়ম করে প্রাত্যহিক ঘরের কাজ সেরে রোগী দেখা, প্রতিদিন অসংখ্য সমস্যার কথা শোনা, সমাধান

ডিসক্লেইমার: এই লেখা আপাতদৃষ্টিতে নিজের পেশার বিরুদ্ধে। লেখাটি পড়ে যত পারেন গালাগালি দিন। কিচ্ছু মনে করবো না। লেখাটি অন্য কোন বিষয়ের ডাক্তারের প্রতি বিদ্বেষ থেকে

সত্যি বলতে বড্ড অনিচ্ছুক, অপেশাদার ডাক্তারি জীবন আমার। বড্ড নিরামিষ এবং বিবর্ণ হয়ে ওঠা তাই যেন সময়ের অপেক্ষা ছিল মাত্র। অবশ্য খানিকটা অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি

ডাক্তার দিবস উপলক্ষে আমার কিছু লেখার আছে কি? না, নেই। কারণ, ডাক্তার দিবসে আমার লেখার সময়ই যখন নেই, তখন হাজার হাজার রোগীর মধ্যে কোন একজনের

রুকসানার বয়স এখন চব্বিশ। কিন্ত জীবন ঘড়ি যেন তাঁর বয়স বাড়িয়ে দিয়েছে কারচুপি করে– হঠাৎ করে তাকে দেখলে ছত্রিশ কিংবা চল্লিশ বললে ভুল হবে না।

আমার খুব প্রিয় সিনেমার একটা হলো উত্তম কুমারের শেষ সিনেমা ‘ওগো বধূ সুন্দরী’। সিনেমার স্ক্রিপ্ট বা অন্যান্য ব্যাপার তেমন বুঝি না, কিন্ত গানগুলো খুব ভালো

সবে চাকরিতে জয়েন করার জন্য নর্থবেঙ্গল চলে এসেছি কলকাতা ছেড়ে। এসেই কিছুদিন শিক্ষকতা করলাম মন দিয়ে। তারপর বুঝতে পারলাম, ঠিক সময় কাটানো যাচ্ছে না। ডাক্তারি

সে বার বাড়ির নিচের বাসিন্দা ভুলু’র মন খারাপ। কি জানি কেন। সারাদিন ধরে পড়ে ছিল ঘরের সামনে। খাবার দিচ্ছি, মুখেও তুলছে না! কয়েকদিন আগেই পাঁচটা বাচ্চা

আমার তরফে আবারো একটি স্বীকারোক্তি – মাত্র কয়েক বছর হলো ডাক্তারি করছি। অভিজ্ঞতা বলতে খুব বেশি নেই। এমনিতে খুব বেশি মিশুকে না হলেও, রোগীর সাথে

ভারতবর্ষের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে চিকিৎসা নিয়ে সাধারণ মানুষের নানা রকম ক্ষোভ। বিশেষতঃ আধুনিক চিকিৎসক ও চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি সেই ক্ষোভ মাঝে মাঝেই এমন আকার

ডাক্তারির সামান্য খুঁটিনাটি নিয়ে মাঝে মাঝে লিখতে ইচ্ছে করে। অথচ সব সময় সেটা সম্ভব হয়ে ওঠে না। সত্যি বলতে – নিজেকে, পরিবারকে দেয়ার মত সময়টুকুরই

দেখতে দেখতে বেশ কয়েক বছর হয়ে গেল ডাক্তারি পেশায়। হাজার হাজার মানুষের সাথে কথা বলেছি এই সময়ে। প্রত্যেকটি মানুষ এক এক রকমের। এক এক জনের
রোবোটের মত হয়ে গেছি বহুকাল হল। নিয়ম করে ঘুম থেকে ওঠা, নিয়ম করে প্রাত্যহিক ঘরের কাজ সেরে রোগী দেখা, প্রতিদিন অসংখ্য সমস্যার কথা শোনা, সমাধান

ডিসক্লেইমার: এই লেখা আপাতদৃষ্টিতে নিজের পেশার বিরুদ্ধে। লেখাটি পড়ে যত পারেন গালাগালি দিন। কিচ্ছু মনে করবো না। লেখাটি অন্য কোন বিষয়ের ডাক্তারের প্রতি বিদ্বেষ থেকে

সত্যি বলতে বড্ড অনিচ্ছুক, অপেশাদার ডাক্তারি জীবন আমার। বড্ড নিরামিষ এবং বিবর্ণ হয়ে ওঠা তাই যেন সময়ের অপেক্ষা ছিল মাত্র। অবশ্য খানিকটা অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি

ডাক্তার দিবস উপলক্ষে আমার কিছু লেখার আছে কি? না, নেই। কারণ, ডাক্তার দিবসে আমার লেখার সময়ই যখন নেই, তখন হাজার হাজার রোগীর মধ্যে কোন একজনের

রুকসানার বয়স এখন চব্বিশ। কিন্ত জীবন ঘড়ি যেন তাঁর বয়স বাড়িয়ে দিয়েছে কারচুপি করে– হঠাৎ করে তাকে দেখলে ছত্রিশ কিংবা চল্লিশ বললে ভুল হবে না।

আমার খুব প্রিয় সিনেমার একটা হলো উত্তম কুমারের শেষ সিনেমা ‘ওগো বধূ সুন্দরী’। সিনেমার স্ক্রিপ্ট বা অন্যান্য ব্যাপার তেমন বুঝি না, কিন্ত গানগুলো খুব ভালো

সবে চাকরিতে জয়েন করার জন্য নর্থবেঙ্গল চলে এসেছি কলকাতা ছেড়ে। এসেই কিছুদিন শিক্ষকতা করলাম মন দিয়ে। তারপর বুঝতে পারলাম, ঠিক সময় কাটানো যাচ্ছে না। ডাক্তারি







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে