
সাফিনা হুসেইন – এক আলোর পথযাত্রী
সাফিনা হুসেইন , ভারতের এই কন্যা এই বছরের রমন ম্যাগসেসে পুরস্কার প্রাপকদের মধ্যে অন্যতম বলে বিবেচিত হয়েছেন। বলতে দ্বিধা নেই যে সাফিনার নাম আগে কখনও

সাফিনা হুসেইন , ভারতের এই কন্যা এই বছরের রমন ম্যাগসেসে পুরস্কার প্রাপকদের মধ্যে অন্যতম বলে বিবেচিত হয়েছেন। বলতে দ্বিধা নেই যে সাফিনার নাম আগে কখনও

….ইক্কেবার মানাইছে না গো ! একটা জনপ্রিয়তম গানের কলি। গানখানি লেখার পর স্বয়ং গীতিকার ও গায়কের মুখেই দূর লালপাহাড়ির দেশে, রাতুল রজ বিছানো জমিনে বসে

আজ আপনাদের হাসিনার গল্প শোনাই। হাসিনার মতো মেয়েদের গল্প খুব বড়ো মুখ করে বলার জন্য কেইবা কলম বাগিয়ে মুখিয়ে থাকবে বলুনতো! তাও কিছু সংবেদনশীল মানুষ

এমন সব মন ভালো করা খবর নিয়ে মেইন স্ট্রিম মিডিয়ার সামান্যতম আগ্রহ নেই। আর তাদেরই বা খামোখা দোষ দিই কেন? সংবাদমাধ্যম সেই সব খবরই পরিবেশন

উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর ধারালির বিপর্যয়ের কথা এতোদিনে সকলেই জেনে গেছি। নিঃসন্দেহে ২০১৩ সালের কেদারনাথের মহাপ্লাবনের স্মৃতিকে ফিরিয়ে আনলো এই ঘটনা। এই বছর মৌসুমী বায়ুর নতুন খেলা

লোকবিশ্বাস বা লোকায়ত বিশ্বাসের ভালো- মন্দ দুটো দিকই রয়েছে। মনস্ক মানুষদের অনেকেই অবশ্য এমন বিশ্বাসের প্রতি তেমন আস্থাবান নন। তাঁরা সবকিছুকেই মুক্ত বোধের কষ্টিপাথরে যাচাই

আমার ঘরে বসেই রাস্তায় লোকজন, গাড়িঘোড়া, হরেক কিসিমের পণ্য নিয়ে হেঁকে যাওয়া ফেরিওয়ালাদের বেশ দেখতে পাই। মানুষের দেখা না পেয়ে যেসব প্রবৃদ্ধ মানুষ রীতিমতো হাঁপিয়ে

লেখাটা গত বছরের। যদিও এ বছরেও তার প্রাসঙ্গিকতা কমে যায়নি। উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীর পরিচিত বৃষ্টিপাতের ছন্দ গিয়েছে বদলে। ধারাবাহিক বৃষ্টি এখন স্বল্পমেয়াদি প্রবল বৃষ্টিতে পরিণত

একদম শুরুতেই বলে রাখি এই লেখাটি ধৈর্য্য ধরে পড়ার পর পাঠক পাঠিকাদের অনেকেই হয়তো আমাকে তেড়ে মারতে আসবেন।একেই প্রবীণ মানুষ, তায় সঙ্গী সামান্য পৃথুল বপু।

“গোলাপ বউয়ের ওপর ভার পড়েছে বটতলার মাটি বাঁধানো চাতালটাকে ভালো করে ঝাঁট দিয়ে দেবার। জটা ছড়ানো বিশাল বট গাছ। কে লাগিয়ে ছিল, কবে লাগিয়ে ছিল

আমরা তখন কলেজের ফার্স্ট ইয়ারে।দেওয়াল জুড়ে সেইসময় নানান কথার আঁকিবুঁকি। নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন দেখার শুরু। একটা দেওয়াল লিখনের কথা কথা বারবার দেখতে দেখতে মনের গভীরে

ভারতবর্ষের একটা সুপ্রাচীন নাগরিক ঐতিহ্য রয়েছে। খুব সম্প্রতি যেসব পুরাতাত্ত্বিক খননের কাজ চলছে সেখান থেকেও আবিষ্কৃত হয়েছে প্রাচীন শহুরে জনপদের তাক্ লাগানো সব নিদর্শ। এই

সাফিনা হুসেইন , ভারতের এই কন্যা এই বছরের রমন ম্যাগসেসে পুরস্কার প্রাপকদের মধ্যে অন্যতম বলে বিবেচিত হয়েছেন। বলতে দ্বিধা নেই যে সাফিনার নাম আগে কখনও

….ইক্কেবার মানাইছে না গো ! একটা জনপ্রিয়তম গানের কলি। গানখানি লেখার পর স্বয়ং গীতিকার ও গায়কের মুখেই দূর লালপাহাড়ির দেশে, রাতুল রজ বিছানো জমিনে বসে

আজ আপনাদের হাসিনার গল্প শোনাই। হাসিনার মতো মেয়েদের গল্প খুব বড়ো মুখ করে বলার জন্য কেইবা কলম বাগিয়ে মুখিয়ে থাকবে বলুনতো! তাও কিছু সংবেদনশীল মানুষ

এমন সব মন ভালো করা খবর নিয়ে মেইন স্ট্রিম মিডিয়ার সামান্যতম আগ্রহ নেই। আর তাদেরই বা খামোখা দোষ দিই কেন? সংবাদমাধ্যম সেই সব খবরই পরিবেশন

উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর ধারালির বিপর্যয়ের কথা এতোদিনে সকলেই জেনে গেছি। নিঃসন্দেহে ২০১৩ সালের কেদারনাথের মহাপ্লাবনের স্মৃতিকে ফিরিয়ে আনলো এই ঘটনা। এই বছর মৌসুমী বায়ুর নতুন খেলা

লোকবিশ্বাস বা লোকায়ত বিশ্বাসের ভালো- মন্দ দুটো দিকই রয়েছে। মনস্ক মানুষদের অনেকেই অবশ্য এমন বিশ্বাসের প্রতি তেমন আস্থাবান নন। তাঁরা সবকিছুকেই মুক্ত বোধের কষ্টিপাথরে যাচাই

আমার ঘরে বসেই রাস্তায় লোকজন, গাড়িঘোড়া, হরেক কিসিমের পণ্য নিয়ে হেঁকে যাওয়া ফেরিওয়ালাদের বেশ দেখতে পাই। মানুষের দেখা না পেয়ে যেসব প্রবৃদ্ধ মানুষ রীতিমতো হাঁপিয়ে

লেখাটা গত বছরের। যদিও এ বছরেও তার প্রাসঙ্গিকতা কমে যায়নি। উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীর পরিচিত বৃষ্টিপাতের ছন্দ গিয়েছে বদলে। ধারাবাহিক বৃষ্টি এখন স্বল্পমেয়াদি প্রবল বৃষ্টিতে পরিণত

একদম শুরুতেই বলে রাখি এই লেখাটি ধৈর্য্য ধরে পড়ার পর পাঠক পাঠিকাদের অনেকেই হয়তো আমাকে তেড়ে মারতে আসবেন।একেই প্রবীণ মানুষ, তায় সঙ্গী সামান্য পৃথুল বপু।

“গোলাপ বউয়ের ওপর ভার পড়েছে বটতলার মাটি বাঁধানো চাতালটাকে ভালো করে ঝাঁট দিয়ে দেবার। জটা ছড়ানো বিশাল বট গাছ। কে লাগিয়ে ছিল, কবে লাগিয়ে ছিল

আমরা তখন কলেজের ফার্স্ট ইয়ারে।দেওয়াল জুড়ে সেইসময় নানান কথার আঁকিবুঁকি। নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন দেখার শুরু। একটা দেওয়াল লিখনের কথা কথা বারবার দেখতে দেখতে মনের গভীরে

ভারতবর্ষের একটা সুপ্রাচীন নাগরিক ঐতিহ্য রয়েছে। খুব সম্প্রতি যেসব পুরাতাত্ত্বিক খননের কাজ চলছে সেখান থেকেও আবিষ্কৃত হয়েছে প্রাচীন শহুরে জনপদের তাক্ লাগানো সব নিদর্শ। এই







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে