
যাত্রাপথ
চার পাশের দেওয়ালগুলো স্বচ্ছ করে দিয়ে কিছু কিছু মুখ আমার একাকীত্বের ভেতর বাসা বাঁধতে চাইছে কিছু কিছু গলার স্বর ঢুকে পড়ছে আমার নিস্তব্ধতায় এই সব

চার পাশের দেওয়ালগুলো স্বচ্ছ করে দিয়ে কিছু কিছু মুখ আমার একাকীত্বের ভেতর বাসা বাঁধতে চাইছে কিছু কিছু গলার স্বর ঢুকে পড়ছে আমার নিস্তব্ধতায় এই সব

সরস্বতীর সঙ্গে দেখা হল গতকাল। আরে না না, মল্লিকপুরের মাণিক মেসোর ভাইঝি সেই সরস্বতী যার ডাকনাম সরো, সে নয়। সে তো নিতান্তই মানবী, জীবনানন্দ হলে

অনেকদূর আসার পর, জিজ্ঞেস করতেই জানা গেল, এটা সেই পথ নয় না ঘাবড়িয়ে বেদম হাসলাম। হোক ভুল। আমরা তো গুণেগেঁথে টোলট্যাক্স দিয়ে এসেছি। কষ্টের অতীত

সময়ের থেকে আমার দূরত্ব বেশি নয় মাঝখানে কাচের বাধাটি না থাকলে অনায়াসেই কাঁটা আগুপেছু করে নেওয়া যেত পিছিয়ে গিয়ে নতুন করে খোঁজা যেত তোমাকে অথবা

পেট্রোলের দাম লাগামছাড়া ফোঁস করে শ্বাস ছাড়ল পুরোনো অস্টিন কোথাও শান্তি নেই ঘেউ শব্দে জানান দিল জনৈক ডিজেল বুলডগ। এইসব কথোপকথন থেকে সময়টাকে চেনা যায়

অতি-চালাকিটা এখানেই। এই যে বলিয়ে নেওয়া হল। নাকি আগ বাড়িয়েই বলল? এরপর জাতীয় সঙ্গীতেও ‘সিন্ধু কেন?’ প্রশ্ন তোলা যাবে। যেখানেই ‘প্রয়োজন’ হবে, ‘অর্থের ঘাটতি’ প্রমাণ

অনায়াসেই তেমন দেশে চলে যাওয়া যায় যেখানে অতলে থাকে মানুষ পাতালঘর থেকে তারা পাতালঘরে মুখ বাড়িয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে অন্ধকারের গল্প করে শরীর বলে কিছু নেই,

দিগন্ত দেখব বলে বেরিয়ে বেমালুম এক সরু গলির মধ্যে ঢুকে পড়েছি কিছুটা এগিয়েই, টের পেয়েছি এটা কানাগলি, যার লজ্জা নেই ঘেন্না নেই… গন্তব্যেরও ভয় নেই

অত বেশি কথা বোলো না হে। ঝিনুককে দেখে শেখো। মাত্র একবারই মুখ খুলেছিল বলে মুক্তোদানা বইতে হল সারাটি জীবন, মরতেও হল শেষে। টেবিলে আর মেঝেতে

★ বারাসত থেকে নিউটাউন ফিরছিলাম। এখন গোটা চারেক রুটের বাস আসে, ওদিক থেকে এপাশে। সবচেয়ে খুশি হই সরকারি বাসটা মানে সি-এইট পেলে। সেই বাসের ভাড়া

★ মা বলতো, ‘দূর বোকা, মরব কেন? আকাশে চলে যাব। টিপ টিপ করে জ্বলব। জ্বলতেই থাকব।’ আমার প্রায় নাস্তিক বাবা ধমকে উঠত, ‘এই সব ভুলভাল

‘শূন্যের মাঝে অমৃতকলস’ নামের এক বই পড়া সদ্য শেষ হল। হাতে এসেছিল কয়েকদিন আগে। এতদিন আমার গিন্নির দখলে ছিল। আমি মাত্র গতকালই নিজের দখলে পেলাম

চার পাশের দেওয়ালগুলো স্বচ্ছ করে দিয়ে কিছু কিছু মুখ আমার একাকীত্বের ভেতর বাসা বাঁধতে চাইছে কিছু কিছু গলার স্বর ঢুকে পড়ছে আমার নিস্তব্ধতায় এই সব

সরস্বতীর সঙ্গে দেখা হল গতকাল। আরে না না, মল্লিকপুরের মাণিক মেসোর ভাইঝি সেই সরস্বতী যার ডাকনাম সরো, সে নয়। সে তো নিতান্তই মানবী, জীবনানন্দ হলে

অনেকদূর আসার পর, জিজ্ঞেস করতেই জানা গেল, এটা সেই পথ নয় না ঘাবড়িয়ে বেদম হাসলাম। হোক ভুল। আমরা তো গুণেগেঁথে টোলট্যাক্স দিয়ে এসেছি। কষ্টের অতীত

সময়ের থেকে আমার দূরত্ব বেশি নয় মাঝখানে কাচের বাধাটি না থাকলে অনায়াসেই কাঁটা আগুপেছু করে নেওয়া যেত পিছিয়ে গিয়ে নতুন করে খোঁজা যেত তোমাকে অথবা

পেট্রোলের দাম লাগামছাড়া ফোঁস করে শ্বাস ছাড়ল পুরোনো অস্টিন কোথাও শান্তি নেই ঘেউ শব্দে জানান দিল জনৈক ডিজেল বুলডগ। এইসব কথোপকথন থেকে সময়টাকে চেনা যায়

অতি-চালাকিটা এখানেই। এই যে বলিয়ে নেওয়া হল। নাকি আগ বাড়িয়েই বলল? এরপর জাতীয় সঙ্গীতেও ‘সিন্ধু কেন?’ প্রশ্ন তোলা যাবে। যেখানেই ‘প্রয়োজন’ হবে, ‘অর্থের ঘাটতি’ প্রমাণ

অনায়াসেই তেমন দেশে চলে যাওয়া যায় যেখানে অতলে থাকে মানুষ পাতালঘর থেকে তারা পাতালঘরে মুখ বাড়িয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে অন্ধকারের গল্প করে শরীর বলে কিছু নেই,

দিগন্ত দেখব বলে বেরিয়ে বেমালুম এক সরু গলির মধ্যে ঢুকে পড়েছি কিছুটা এগিয়েই, টের পেয়েছি এটা কানাগলি, যার লজ্জা নেই ঘেন্না নেই… গন্তব্যেরও ভয় নেই

অত বেশি কথা বোলো না হে। ঝিনুককে দেখে শেখো। মাত্র একবারই মুখ খুলেছিল বলে মুক্তোদানা বইতে হল সারাটি জীবন, মরতেও হল শেষে। টেবিলে আর মেঝেতে

★ বারাসত থেকে নিউটাউন ফিরছিলাম। এখন গোটা চারেক রুটের বাস আসে, ওদিক থেকে এপাশে। সবচেয়ে খুশি হই সরকারি বাসটা মানে সি-এইট পেলে। সেই বাসের ভাড়া

★ মা বলতো, ‘দূর বোকা, মরব কেন? আকাশে চলে যাব। টিপ টিপ করে জ্বলব। জ্বলতেই থাকব।’ আমার প্রায় নাস্তিক বাবা ধমকে উঠত, ‘এই সব ভুলভাল

‘শূন্যের মাঝে অমৃতকলস’ নামের এক বই পড়া সদ্য শেষ হল। হাতে এসেছিল কয়েকদিন আগে। এতদিন আমার গিন্নির দখলে ছিল। আমি মাত্র গতকালই নিজের দখলে পেলাম







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে