
কোটি কোটি
সুড়ঙ্গ কাটার মেশিনের সামনে কোটি কোটি শক্ত শক্ত পাথর ছিল কোটি কোটি টাকার বিশ্বকাপের পাথর চাকরি কয়লা গোরু বালি চুরির… সেও কোটি কোটি টাকার পাথর

সুড়ঙ্গ কাটার মেশিনের সামনে কোটি কোটি শক্ত শক্ত পাথর ছিল কোটি কোটি টাকার বিশ্বকাপের পাথর চাকরি কয়লা গোরু বালি চুরির… সেও কোটি কোটি টাকার পাথর

ইঁদুর সম্প্রতি বিভুর জীবনে বিভীষিকা হয়ে আবির্ভূত হয়েছে। একটা দুটো নয়, শ’য়ে শ’য়ে। কে জানে সংখ্যাটা কোটি কোটিও হতে পারে। ইঁদুর, তার এই ভদ্রাশ্রমে হানা

জীবনের অবাক করা দেওয়া নেওয়া নিয়ে দুটো অভিজ্ঞতার কথা বলি। ★ প্রথমে প্রত্যাহারের গল্প। সে ধরুন বছর পঞ্চাশেক আগের কথা। হোস্টেলে পাশের রুমের অসিতদাকে রাস্তার

আমি যে খালি নেটে নেটে ঘুরি, আমার পেটে পেটে দুর্বুদ্ধি, আর নেহাতই নর্দমা ঘেঁটে ঘেঁটে অনর্থক অপাচ্য দু এক ছত্র লিখি, এটাই আমার একমাত্র পরিচয়

আজ তুবড়ির গল্প। তুবড়ি বানাতাম আমরা। প্রথমে ছিলাম অ্যাসিস্ট্যান্ট। তার পরে নিজেরাই স্রষ্টা। গোপন ভাগের হিসেব। বল্টুদা বলত,– শুধু ভাগ বলিস কেন? বলতে হয় পুরোটা।

শ্রীমান যাজ্ঞবল্ক্য আচার্য তার কোম্পানি থেকে একটা স্ট্রিকচার খেয়েছে। এ লাইনে বহুদর্শী সিনিয়ার বাবলুচন্দ্র বিশী, ধাপে ধাপে উঠে রিজিওনাল ম্যানেজার এখন। লাইনের অন্যরা তাঁকে আর

আমাকে খুঁজে পাচ্ছে না কেউ। পাবে কী করে? স্বয়ং আমিই তো নিজেকে খুঁজে পাচ্ছি না। সোজা কথায় বললে আমি হারিয়ে গেছি। না না, অন্য রকম

সকলেই জানিত পাপ আপন বাপকেও ছাড়ে না। সকলে ইহাও জানে, পাপ আর পারা চাপা থাকে না। উহা প্রকাশ পাইবেই। সেইমত প্রাপ্য পাপ তাঁহার নিকটে আসিল।

___________ যে যাই চেঁচাও বাপু, ব্যাপারটা স্কেপটিক। পায়ে? নাকি মগজেই হয়েছিল সেপটিক? আসলেই গোড়া থেকে নই মোটে সুস্থ। তাই তো ব্যাকটেরিয়া, তাইই জমে পুঁজ তো।

অনেক বছর আগের কথা বলছি। বারাসতে আমার মামাবাড়িও। আমার দিদিমা, যাঁকে আমি দিদিভাই বলে ডাকতাম তিনি তখন প্রবল অসুস্থ। পায়ে ডায়াবেটিক গ্যাঙ্গ্রিন। কোমায় আচ্ছন্ন অবস্থায়

হাফসোল কথাটার মানে ওরা দু’জনের কেউই জানত না। জানার কথাও না। তমাল পরত হাওয়াই চটি। রনে বনে জঙ্গলে। সর্বত্র। আর অম্বার পায়ে? স্টিলেটো, কিম্বা পেন্সিল

আজ অষ্টমী। অর্কদেবকে আজ তার ছেলে নিয়ে যাচ্ছে। অর্ক, তার বউ আর ছোটোছেলে এই পাড়ায় থাকে। বড়ছেলে জয়, ছেলের বউ আর নাতি থাকে এই শহরেরই

সুড়ঙ্গ কাটার মেশিনের সামনে কোটি কোটি শক্ত শক্ত পাথর ছিল কোটি কোটি টাকার বিশ্বকাপের পাথর চাকরি কয়লা গোরু বালি চুরির… সেও কোটি কোটি টাকার পাথর

ইঁদুর সম্প্রতি বিভুর জীবনে বিভীষিকা হয়ে আবির্ভূত হয়েছে। একটা দুটো নয়, শ’য়ে শ’য়ে। কে জানে সংখ্যাটা কোটি কোটিও হতে পারে। ইঁদুর, তার এই ভদ্রাশ্রমে হানা

জীবনের অবাক করা দেওয়া নেওয়া নিয়ে দুটো অভিজ্ঞতার কথা বলি। ★ প্রথমে প্রত্যাহারের গল্প। সে ধরুন বছর পঞ্চাশেক আগের কথা। হোস্টেলে পাশের রুমের অসিতদাকে রাস্তার

আমি যে খালি নেটে নেটে ঘুরি, আমার পেটে পেটে দুর্বুদ্ধি, আর নেহাতই নর্দমা ঘেঁটে ঘেঁটে অনর্থক অপাচ্য দু এক ছত্র লিখি, এটাই আমার একমাত্র পরিচয়

আজ তুবড়ির গল্প। তুবড়ি বানাতাম আমরা। প্রথমে ছিলাম অ্যাসিস্ট্যান্ট। তার পরে নিজেরাই স্রষ্টা। গোপন ভাগের হিসেব। বল্টুদা বলত,– শুধু ভাগ বলিস কেন? বলতে হয় পুরোটা।

শ্রীমান যাজ্ঞবল্ক্য আচার্য তার কোম্পানি থেকে একটা স্ট্রিকচার খেয়েছে। এ লাইনে বহুদর্শী সিনিয়ার বাবলুচন্দ্র বিশী, ধাপে ধাপে উঠে রিজিওনাল ম্যানেজার এখন। লাইনের অন্যরা তাঁকে আর

আমাকে খুঁজে পাচ্ছে না কেউ। পাবে কী করে? স্বয়ং আমিই তো নিজেকে খুঁজে পাচ্ছি না। সোজা কথায় বললে আমি হারিয়ে গেছি। না না, অন্য রকম

সকলেই জানিত পাপ আপন বাপকেও ছাড়ে না। সকলে ইহাও জানে, পাপ আর পারা চাপা থাকে না। উহা প্রকাশ পাইবেই। সেইমত প্রাপ্য পাপ তাঁহার নিকটে আসিল।

___________ যে যাই চেঁচাও বাপু, ব্যাপারটা স্কেপটিক। পায়ে? নাকি মগজেই হয়েছিল সেপটিক? আসলেই গোড়া থেকে নই মোটে সুস্থ। তাই তো ব্যাকটেরিয়া, তাইই জমে পুঁজ তো।

অনেক বছর আগের কথা বলছি। বারাসতে আমার মামাবাড়িও। আমার দিদিমা, যাঁকে আমি দিদিভাই বলে ডাকতাম তিনি তখন প্রবল অসুস্থ। পায়ে ডায়াবেটিক গ্যাঙ্গ্রিন। কোমায় আচ্ছন্ন অবস্থায়

হাফসোল কথাটার মানে ওরা দু’জনের কেউই জানত না। জানার কথাও না। তমাল পরত হাওয়াই চটি। রনে বনে জঙ্গলে। সর্বত্র। আর অম্বার পায়ে? স্টিলেটো, কিম্বা পেন্সিল

আজ অষ্টমী। অর্কদেবকে আজ তার ছেলে নিয়ে যাচ্ছে। অর্ক, তার বউ আর ছোটোছেলে এই পাড়ায় থাকে। বড়ছেলে জয়, ছেলের বউ আর নাতি থাকে এই শহরেরই







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে