
ওষুধ-ব্যবসার এই রোগ সারবে কোন উপায়ে?
নির্বাচনী বন্ড নিয়ে তুমুল হইচইয়ের মধ্যে একটা কথা অনেকেরই নজর এড়িয়ে যেতে পারে — রাজনৈতিক দলগুলির তহবিলে টাকা ঢালা শিল্প সংস্থাগুলোর মধ্যে একাধিক ঔষধি নির্মাতা

নির্বাচনী বন্ড নিয়ে তুমুল হইচইয়ের মধ্যে একটা কথা অনেকেরই নজর এড়িয়ে যেতে পারে — রাজনৈতিক দলগুলির তহবিলে টাকা ঢালা শিল্প সংস্থাগুলোর মধ্যে একাধিক ঔষধি নির্মাতা

আমরা যখন ডাক্তারি পড়তে ঢুকেছি, বেশি নয়, বছর তিরিশেক আগের ঘটনা, তখনও বিখ্যাত মানুষেরা চিকিৎসা পেতেন সরকারি হাসপাতালে। উৎপল দত্ত, শম্ভু মিত্র থেকে শান্তিদেব ঘোষ,

রোগ-সারানো ডাক্তার ব্যক্তিমানুষের রোগমুক্তিকে পাখির চোখ ধরে কাজ করেন। রোগীর খাদ্য-পানীয়-বাসস্থানের সমস্যা রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত জেনেও তিনি সেগুলো তিনি সযত্নে এড়িয়ে যান। অন্যদিকে, জনস্বাস্থ্য বিষয়টাই

গত শতাব্দীর শেষের দিক। আমরা তখন ছাত্র। লাইব্রেরিতে কিছু বিদেশি জার্নাল আসত – এক অগ্রজপ্রতিম তরুণ স্যারের সঙ্গে আমরা কয়েকজন যেতাম, গিয়ে জার্নাল পড়তাম। সেখানেই

আজকাল তো সবই ভার্চুয়াল। ভেবে অবাক লাগে, সোশাল মিডিয়ায় আমার প্রায় হাজার চার-পাঁচেক বন্ধু। আরও হাজার দুয়েক বন্ধুত্বের অনুরোধ পেন্ডিং – সে তালিকা খুলে দেখতেও

হঠাৎ খেয়াল হলো, আজ, ১২-ই ফেব্রুয়ারি, কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন। কমিউনিস্ট কবি জীবনের শেষ দিকটায় ঝুঁকেছিলেন বামপন্থীদের বিপরীত শিবিরের দিকে। কিন্তু দিনের শেষে সুভাষ মুখোপাধ্যায়

পুনম পাণ্ডে। নামটি গোলমেলে কারণে বিখ্যাত। অনেকে নামটা শোনেনওনি। প্রথমে জানা যায়, তিনি মারা গিয়েছেন। মৃত্যুর কারণ, জরায়ুদ্বারের (সার্ভাইকাল) ক্যানসার। ব্যাপারটা বিস্ময়কর। যে কয়েকটি ক্যানসার,

সন্দেশখালি নিয়ে এই লেখাটা আগে লিখেছিলাম। আপনাদের পড়ানো হয়নি। মনে হলো, বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনাদের পড়ানো যায়। বিশেষত এই সময়ে, যখন পাব্লিক ক্ষেপে উঠেছে এবং প্রশাসন/পুলিশ

বামপন্থী হলেও অতিবামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে আমার বিস্তর দূরত্ব, যদিও তাঁদের মধ্যেও আমার বেশ কিছু বন্ধুবান্ধব রয়েছেন, পরিচিতজন তো অনেক। নির্বাচন আসামাত্র তাঁদের ‘লেসার এভিল’ তত্ব

ফ্র্যাঙ্কলি, এই রামমন্দির ইস্যু নিয়ে এক শ্রেণীর বামপন্থীদের অবস্থান দেখে আমি রীতিমতো হকচকিয়ে গেছি। বাবরি মসজিদ প্রাথমিকভাবে মন্দির ভেঙে তৈরি হোক বা না হোক, সেটা

চোখ-কান-মন যদি খোলা রাখা যায়, তাহলে জীবনের বিভিন্ন দিক দেখার সুযোগ ডাক্তারি পেশায় যেমন করে ঘটে – ঘটে অনায়াসেই – তেমনটা খুব কম পেশাতেই সম্ভব।

তখন বোধহয় ক্লাস সেভেন বা এইট। একেবারে প্রাইমারি স্কুলেরও আগে থেকে আমার বন্ধু, শমী, তাদের বাড়ি গেছি। তার বাবা, মণিজ্যেঠু, একখানা ক্যাসেট হাতে ধরিয়ে বললেন

নির্বাচনী বন্ড নিয়ে তুমুল হইচইয়ের মধ্যে একটা কথা অনেকেরই নজর এড়িয়ে যেতে পারে — রাজনৈতিক দলগুলির তহবিলে টাকা ঢালা শিল্প সংস্থাগুলোর মধ্যে একাধিক ঔষধি নির্মাতা

আমরা যখন ডাক্তারি পড়তে ঢুকেছি, বেশি নয়, বছর তিরিশেক আগের ঘটনা, তখনও বিখ্যাত মানুষেরা চিকিৎসা পেতেন সরকারি হাসপাতালে। উৎপল দত্ত, শম্ভু মিত্র থেকে শান্তিদেব ঘোষ,

রোগ-সারানো ডাক্তার ব্যক্তিমানুষের রোগমুক্তিকে পাখির চোখ ধরে কাজ করেন। রোগীর খাদ্য-পানীয়-বাসস্থানের সমস্যা রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত জেনেও তিনি সেগুলো তিনি সযত্নে এড়িয়ে যান। অন্যদিকে, জনস্বাস্থ্য বিষয়টাই

গত শতাব্দীর শেষের দিক। আমরা তখন ছাত্র। লাইব্রেরিতে কিছু বিদেশি জার্নাল আসত – এক অগ্রজপ্রতিম তরুণ স্যারের সঙ্গে আমরা কয়েকজন যেতাম, গিয়ে জার্নাল পড়তাম। সেখানেই

আজকাল তো সবই ভার্চুয়াল। ভেবে অবাক লাগে, সোশাল মিডিয়ায় আমার প্রায় হাজার চার-পাঁচেক বন্ধু। আরও হাজার দুয়েক বন্ধুত্বের অনুরোধ পেন্ডিং – সে তালিকা খুলে দেখতেও

হঠাৎ খেয়াল হলো, আজ, ১২-ই ফেব্রুয়ারি, কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন। কমিউনিস্ট কবি জীবনের শেষ দিকটায় ঝুঁকেছিলেন বামপন্থীদের বিপরীত শিবিরের দিকে। কিন্তু দিনের শেষে সুভাষ মুখোপাধ্যায়

পুনম পাণ্ডে। নামটি গোলমেলে কারণে বিখ্যাত। অনেকে নামটা শোনেনওনি। প্রথমে জানা যায়, তিনি মারা গিয়েছেন। মৃত্যুর কারণ, জরায়ুদ্বারের (সার্ভাইকাল) ক্যানসার। ব্যাপারটা বিস্ময়কর। যে কয়েকটি ক্যানসার,

সন্দেশখালি নিয়ে এই লেখাটা আগে লিখেছিলাম। আপনাদের পড়ানো হয়নি। মনে হলো, বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনাদের পড়ানো যায়। বিশেষত এই সময়ে, যখন পাব্লিক ক্ষেপে উঠেছে এবং প্রশাসন/পুলিশ

বামপন্থী হলেও অতিবামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে আমার বিস্তর দূরত্ব, যদিও তাঁদের মধ্যেও আমার বেশ কিছু বন্ধুবান্ধব রয়েছেন, পরিচিতজন তো অনেক। নির্বাচন আসামাত্র তাঁদের ‘লেসার এভিল’ তত্ব

ফ্র্যাঙ্কলি, এই রামমন্দির ইস্যু নিয়ে এক শ্রেণীর বামপন্থীদের অবস্থান দেখে আমি রীতিমতো হকচকিয়ে গেছি। বাবরি মসজিদ প্রাথমিকভাবে মন্দির ভেঙে তৈরি হোক বা না হোক, সেটা

চোখ-কান-মন যদি খোলা রাখা যায়, তাহলে জীবনের বিভিন্ন দিক দেখার সুযোগ ডাক্তারি পেশায় যেমন করে ঘটে – ঘটে অনায়াসেই – তেমনটা খুব কম পেশাতেই সম্ভব।

তখন বোধহয় ক্লাস সেভেন বা এইট। একেবারে প্রাইমারি স্কুলেরও আগে থেকে আমার বন্ধু, শমী, তাদের বাড়ি গেছি। তার বাবা, মণিজ্যেঠু, একখানা ক্যাসেট হাতে ধরিয়ে বললেন







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে