
সন্দেশখালি নিয়ে কিছুই বলার নেই।
সন্দেশখালি নিয়ে এই লেখাটা আগে লিখেছিলাম। আপনাদের পড়ানো হয়নি। মনে হলো, বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনাদের পড়ানো যায়। বিশেষত এই সময়ে, যখন পাব্লিক ক্ষেপে উঠেছে এবং প্রশাসন/পুলিশ

সন্দেশখালি নিয়ে এই লেখাটা আগে লিখেছিলাম। আপনাদের পড়ানো হয়নি। মনে হলো, বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনাদের পড়ানো যায়। বিশেষত এই সময়ে, যখন পাব্লিক ক্ষেপে উঠেছে এবং প্রশাসন/পুলিশ

বামপন্থী হলেও অতিবামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে আমার বিস্তর দূরত্ব, যদিও তাঁদের মধ্যেও আমার বেশ কিছু বন্ধুবান্ধব রয়েছেন, পরিচিতজন তো অনেক। নির্বাচন আসামাত্র তাঁদের ‘লেসার এভিল’ তত্ব

ফ্র্যাঙ্কলি, এই রামমন্দির ইস্যু নিয়ে এক শ্রেণীর বামপন্থীদের অবস্থান দেখে আমি রীতিমতো হকচকিয়ে গেছি। বাবরি মসজিদ প্রাথমিকভাবে মন্দির ভেঙে তৈরি হোক বা না হোক, সেটা

চোখ-কান-মন যদি খোলা রাখা যায়, তাহলে জীবনের বিভিন্ন দিক দেখার সুযোগ ডাক্তারি পেশায় যেমন করে ঘটে – ঘটে অনায়াসেই – তেমনটা খুব কম পেশাতেই সম্ভব।

তখন বোধহয় ক্লাস সেভেন বা এইট। একেবারে প্রাইমারি স্কুলেরও আগে থেকে আমার বন্ধু, শমী, তাদের বাড়ি গেছি। তার বাবা, মণিজ্যেঠু, একখানা ক্যাসেট হাতে ধরিয়ে বললেন

পূর্বপ্রকাশিতের পর… একের পর এক জিনিয়াস বিজ্ঞানীর অবদানে বিজ্ঞান ধাপে ধাপে এগিয়ে আজ এতদূর আসতে পেরেছে, এমনটাই আমরা ভাবি। কিন্তু সত্যিই কি তাই? বিজ্ঞান-দার্শনিক তথা

পূর্ব প্রকাশিতের পর বিজ্ঞান যদি কিছু প্রশ্নের উত্তর খোঁজে – বা নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে কিছু প্রশ্নের উত্তর খোঁজাটাই যদি বিজ্ঞান হয় – তাহলে শুরুর

ধরুন, আপনি গিয়ে পড়েছেন হিরোশিমা-য়। মেরামত হয়ে নতুন করে গড়ে ওঠা আজকের হিরোশিমা শহরে নয়, ধরা যাক আপনি গিয়েছেন গত শতকের পঞ্চাশের দশকে। পারমাণবিক বোমা

দু’বছর আগের একদিন। আসন্ন নির্বাচনেও অন্য কিছুর প্রত্যাশা নেই। শীতের উইকএন্ড। ঠান্ডাটা আগে সেভাবে না এলেও উইকএন্ডের মওকা বুঝে বেশ জমিয়ে শীত পড়ে গেল। শহরের

আমাদের যাওয়ার কথা ছিল। বাক্সপ্যাঁটরা গুছিয়ে চলে যাওয়ার কথা ছিল। পাকাপাকি অথবা দিনকয়েকের জন্য, আগে থেকে সবকিছু কি ঠিক করা যায়? যাওয়া হয়নি। মেঘলা সকাল,

আগের সাত-আটশ বছর থেকে যিশুখ্রিস্ট জন্মানোর পরের তিন চার শতক অবধি, অর্থাৎ যতদিন না অবধি রোমান সাম্রাজ্যে খ্রিস্টধর্ম বেশ জাঁকিয়ে বসল, ততদিন অবধি এসক্লেপিয়াস-এর হাতের

ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন তাঁদের লোগো বদলে পৌরাণিক ধন্বন্তরির ছবি ব্যবহার করছেন। ‘ইন্ডিয়া’ সরে গিয়ে সেখানে ‘ভারত’ জ্বলজ্বল করছে। এর মূলে ঠিক কী ভাবনা, সে নিয়ে

সন্দেশখালি নিয়ে এই লেখাটা আগে লিখেছিলাম। আপনাদের পড়ানো হয়নি। মনে হলো, বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনাদের পড়ানো যায়। বিশেষত এই সময়ে, যখন পাব্লিক ক্ষেপে উঠেছে এবং প্রশাসন/পুলিশ

বামপন্থী হলেও অতিবামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে আমার বিস্তর দূরত্ব, যদিও তাঁদের মধ্যেও আমার বেশ কিছু বন্ধুবান্ধব রয়েছেন, পরিচিতজন তো অনেক। নির্বাচন আসামাত্র তাঁদের ‘লেসার এভিল’ তত্ব

ফ্র্যাঙ্কলি, এই রামমন্দির ইস্যু নিয়ে এক শ্রেণীর বামপন্থীদের অবস্থান দেখে আমি রীতিমতো হকচকিয়ে গেছি। বাবরি মসজিদ প্রাথমিকভাবে মন্দির ভেঙে তৈরি হোক বা না হোক, সেটা

চোখ-কান-মন যদি খোলা রাখা যায়, তাহলে জীবনের বিভিন্ন দিক দেখার সুযোগ ডাক্তারি পেশায় যেমন করে ঘটে – ঘটে অনায়াসেই – তেমনটা খুব কম পেশাতেই সম্ভব।

তখন বোধহয় ক্লাস সেভেন বা এইট। একেবারে প্রাইমারি স্কুলেরও আগে থেকে আমার বন্ধু, শমী, তাদের বাড়ি গেছি। তার বাবা, মণিজ্যেঠু, একখানা ক্যাসেট হাতে ধরিয়ে বললেন

পূর্বপ্রকাশিতের পর… একের পর এক জিনিয়াস বিজ্ঞানীর অবদানে বিজ্ঞান ধাপে ধাপে এগিয়ে আজ এতদূর আসতে পেরেছে, এমনটাই আমরা ভাবি। কিন্তু সত্যিই কি তাই? বিজ্ঞান-দার্শনিক তথা

পূর্ব প্রকাশিতের পর বিজ্ঞান যদি কিছু প্রশ্নের উত্তর খোঁজে – বা নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে কিছু প্রশ্নের উত্তর খোঁজাটাই যদি বিজ্ঞান হয় – তাহলে শুরুর

ধরুন, আপনি গিয়ে পড়েছেন হিরোশিমা-য়। মেরামত হয়ে নতুন করে গড়ে ওঠা আজকের হিরোশিমা শহরে নয়, ধরা যাক আপনি গিয়েছেন গত শতকের পঞ্চাশের দশকে। পারমাণবিক বোমা

দু’বছর আগের একদিন। আসন্ন নির্বাচনেও অন্য কিছুর প্রত্যাশা নেই। শীতের উইকএন্ড। ঠান্ডাটা আগে সেভাবে না এলেও উইকএন্ডের মওকা বুঝে বেশ জমিয়ে শীত পড়ে গেল। শহরের

আমাদের যাওয়ার কথা ছিল। বাক্সপ্যাঁটরা গুছিয়ে চলে যাওয়ার কথা ছিল। পাকাপাকি অথবা দিনকয়েকের জন্য, আগে থেকে সবকিছু কি ঠিক করা যায়? যাওয়া হয়নি। মেঘলা সকাল,

আগের সাত-আটশ বছর থেকে যিশুখ্রিস্ট জন্মানোর পরের তিন চার শতক অবধি, অর্থাৎ যতদিন না অবধি রোমান সাম্রাজ্যে খ্রিস্টধর্ম বেশ জাঁকিয়ে বসল, ততদিন অবধি এসক্লেপিয়াস-এর হাতের

ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন তাঁদের লোগো বদলে পৌরাণিক ধন্বন্তরির ছবি ব্যবহার করছেন। ‘ইন্ডিয়া’ সরে গিয়ে সেখানে ‘ভারত’ জ্বলজ্বল করছে। এর মূলে ঠিক কী ভাবনা, সে নিয়ে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে