
অনির্বাণ আপাতত প্রতিভা-টতিভার উর্ধ্বে চলে গেল
সঙ্গের ছবিটা অনির্বাণের। মরে যাবার পরে নয়, কেননা গত সপ্তাহে ছবিটা ও-ই পাঠিয়েছিল। কিন্তু অনির্বাণ যে মরে গেছে, সেটাও তো অনস্বীকার্য। অবিশ্বাস্য ও অনস্বীকার্য, দুইই।

সঙ্গের ছবিটা অনির্বাণের। মরে যাবার পরে নয়, কেননা গত সপ্তাহে ছবিটা ও-ই পাঠিয়েছিল। কিন্তু অনির্বাণ যে মরে গেছে, সেটাও তো অনস্বীকার্য। অবিশ্বাস্য ও অনস্বীকার্য, দুইই।

বেশিদিন না, এই মাসকয়েক আগেই এক বন্ধুর সঙ্গে কথা হচ্ছিল। চিকিৎসক দম্পতি, দুটি ছেলেই লেখাপড়ায় (এবং অন্যান্য বিষয়েও) তুখোড়। ব্যাপারস্যাপার একেবারে হিংসে করার মতো। বড়টি

সঞ্চয়ই বলুন বা বিনিয়োগ, টাকাপয়সা বিভিন্ন জায়গায় ভাগ করে রাখা জরুরি। ধরুন আপনি সচিন বা ধোনি-র কথায় উজ্জীবিত হয়ে মিউচুয়াল ফান্ড সহি হ্যায় ধরে জীবনের

ক্যানসারের চিকিৎসা করি। কাজেই, অসুখের নিরাময়ের পাশাপাশি উপসর্গের প্রশমন যে সমান গুরুত্বপূর্ণ এটুকু বুঝি। আমরা যখন ছাত্র, তখন একটি কোম্পানি ব্যথার উপশমের জন্য নতুন একরকম

টিবি-ফিবি, মানে সাধুভাষায় যাকে যক্ষ্মা বলে, সেসব নিয়ে আজকাল আর কেউ কথা বলে না। স্বাস্থ্য নিয়ে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত-উচ্চমধ্যবিত্তরা যখন কথা বলেন – বিশেষ করে এই

আরও একটি পুণ্য পূর্ণিমা আগত, তবু, তথাগত, আমার তো কিছুই শেখা হলো না! শৈশব কৈশোর তারুণ্য যৌবন সব পর্যায় অতিক্রম করে এসে, মধ্যবয়স থেকে প্রৌঢ়ত্বের

নিজের পারিবারিক জীবনের সমস্যা ইত্যাদির গল্প আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় সেভাবে করি না। কিন্তু আজ একটু বলি। আমার ছেলের যখন জন্ম, সেসময় আমি বাঁকুড়ায় কর্মরত। আগের

এই তো ক’দিন আগেকার কথা, তার পর একটি সপ্তাহও পার হয়নি। স্বনামধন্য এক মন্ত্রী সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে জানালেন, অমুক অঞ্চলে কিছু ডাক্তার আবার দিনে ডাকাতি

শুনলাম, আজ নাকি বিশ্ব বই-দিবস। সে নিয়ে কী-ই বা বলি! ভাস্কর চক্রবর্তী কোথায় একটা লিখেছিলেন, যে, নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তিনি আর কিছুই করেননি, শুধু

তখন আমি ইন্টার্ন। যেকোনও জায়গায়, যদি বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটানোর প্রশ্ন থাকে, এমনকি হাসপাতালের ডিউটিতেও, আমি সঙ্গে একখানা বই নিয়ে যাই। সবসময় যে খুব পড়া

নতুন বছরে পুরনো মাল – পুরনো বলতে একেবারে দু’হাজার বছরের পুরনো – আপনাদের উপহার দিতে চাই। একটি চিঠি। রোমান দার্শনিক তথা নাট্যকার সেনেকা-র একটি চিঠি।

নির্বাচনী বন্ড নিয়ে তুমুল হইচইয়ের মধ্যে একটা কথা অনেকেরই নজর এড়িয়ে যেতে পারে — রাজনৈতিক দলগুলির তহবিলে টাকা ঢালা শিল্প সংস্থাগুলোর মধ্যে একাধিক ঔষধি নির্মাতা

সঙ্গের ছবিটা অনির্বাণের। মরে যাবার পরে নয়, কেননা গত সপ্তাহে ছবিটা ও-ই পাঠিয়েছিল। কিন্তু অনির্বাণ যে মরে গেছে, সেটাও তো অনস্বীকার্য। অবিশ্বাস্য ও অনস্বীকার্য, দুইই।

বেশিদিন না, এই মাসকয়েক আগেই এক বন্ধুর সঙ্গে কথা হচ্ছিল। চিকিৎসক দম্পতি, দুটি ছেলেই লেখাপড়ায় (এবং অন্যান্য বিষয়েও) তুখোড়। ব্যাপারস্যাপার একেবারে হিংসে করার মতো। বড়টি

সঞ্চয়ই বলুন বা বিনিয়োগ, টাকাপয়সা বিভিন্ন জায়গায় ভাগ করে রাখা জরুরি। ধরুন আপনি সচিন বা ধোনি-র কথায় উজ্জীবিত হয়ে মিউচুয়াল ফান্ড সহি হ্যায় ধরে জীবনের

ক্যানসারের চিকিৎসা করি। কাজেই, অসুখের নিরাময়ের পাশাপাশি উপসর্গের প্রশমন যে সমান গুরুত্বপূর্ণ এটুকু বুঝি। আমরা যখন ছাত্র, তখন একটি কোম্পানি ব্যথার উপশমের জন্য নতুন একরকম

টিবি-ফিবি, মানে সাধুভাষায় যাকে যক্ষ্মা বলে, সেসব নিয়ে আজকাল আর কেউ কথা বলে না। স্বাস্থ্য নিয়ে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত-উচ্চমধ্যবিত্তরা যখন কথা বলেন – বিশেষ করে এই

আরও একটি পুণ্য পূর্ণিমা আগত, তবু, তথাগত, আমার তো কিছুই শেখা হলো না! শৈশব কৈশোর তারুণ্য যৌবন সব পর্যায় অতিক্রম করে এসে, মধ্যবয়স থেকে প্রৌঢ়ত্বের

নিজের পারিবারিক জীবনের সমস্যা ইত্যাদির গল্প আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় সেভাবে করি না। কিন্তু আজ একটু বলি। আমার ছেলের যখন জন্ম, সেসময় আমি বাঁকুড়ায় কর্মরত। আগের

এই তো ক’দিন আগেকার কথা, তার পর একটি সপ্তাহও পার হয়নি। স্বনামধন্য এক মন্ত্রী সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে জানালেন, অমুক অঞ্চলে কিছু ডাক্তার আবার দিনে ডাকাতি

শুনলাম, আজ নাকি বিশ্ব বই-দিবস। সে নিয়ে কী-ই বা বলি! ভাস্কর চক্রবর্তী কোথায় একটা লিখেছিলেন, যে, নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তিনি আর কিছুই করেননি, শুধু

তখন আমি ইন্টার্ন। যেকোনও জায়গায়, যদি বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটানোর প্রশ্ন থাকে, এমনকি হাসপাতালের ডিউটিতেও, আমি সঙ্গে একখানা বই নিয়ে যাই। সবসময় যে খুব পড়া

নতুন বছরে পুরনো মাল – পুরনো বলতে একেবারে দু’হাজার বছরের পুরনো – আপনাদের উপহার দিতে চাই। একটি চিঠি। রোমান দার্শনিক তথা নাট্যকার সেনেকা-র একটি চিঠি।

নির্বাচনী বন্ড নিয়ে তুমুল হইচইয়ের মধ্যে একটা কথা অনেকেরই নজর এড়িয়ে যেতে পারে — রাজনৈতিক দলগুলির তহবিলে টাকা ঢালা শিল্প সংস্থাগুলোর মধ্যে একাধিক ঔষধি নির্মাতা







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে