
হাতঘড়ি
বড় বড় মানুষের আক্ষেপও বড় বড়। এই যেমন উমবার্তো ইকো আক্ষেপ করেছিলেন, মানুষকে যাতে গলায় পেন্ডুলাম-ঘড়ি ঝুলিয়ে না চলতে হয়, অথবা যাতে খানিকক্ষণ বাদে বাদেই

বড় বড় মানুষের আক্ষেপও বড় বড়। এই যেমন উমবার্তো ইকো আক্ষেপ করেছিলেন, মানুষকে যাতে গলায় পেন্ডুলাম-ঘড়ি ঝুলিয়ে না চলতে হয়, অথবা যাতে খানিকক্ষণ বাদে বাদেই

কর্পোরেট হাসপাতালে চিকিৎসার লাগামছাড়া বিল, চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে রোগী-পরিজনের ঘটিবাটি বিক্কিরি হওয়া – এসব কোনও নতুন কথা নয়। ভুক্তভোগীরা তো জানেনই, যাঁরা সরাসরি তেমন

একজন চিকিৎসক। ক্ষুরধার তাঁর বুদ্ধি। তেমনি তাঁর নিষ্ঠা। একেবারে স্কুলজীবন থেকেই ছাত্র হিসেবে তুখোড়। পরবর্তী কালেও যখনই যে পরীক্ষায় বসেছেন, আটকানো তো দূর, প্রতিটিতেই একেবারে

ওপেনহাইমার’ হুজুগের বাজারে অন্তত দুখানা বাংলা বইয়ের বাজার চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। নারায়ণ সান্যালের ‘বিশ্বাসঘাতক’ এবং জ্যোতিপ্রকাশ চট্টোপাধ্যায়ের ‘নির্বাপিত সূর্যের সাধনা’। দুটিই অনেক বছর আগে লেখা।

নাতিদীর্ঘ বিরতির পর ‘স্বাস্থ্যের বৃত্তে’ পত্রিকা আবার প্রকাশিত হতে চলেছে। নতুন করে শুরুর প্রথম সংখ্যার ফোকাস, শ্রমিকের স্বাস্থ্য। সরাসরি সেই বিষয় নিয়ে কাজ করার সুযোগ

ডা সুব্রত গোস্বামীকে সবার দেখাদেখি আমিও টাকোদা বলেই বলি বটে, কিন্তু আমি তাঁকে খুবই কম চিনতাম। মুখোমুখি দেখা হয়েছে এক কি দু’বার। কথা হয়েছে আদতে

তিন-বছরে-ডাক্তার প্রকল্প নিয়ে বলার কিছু নেই। বড়রা ভেবেচিন্তে যখন করছেন, নিশ্চয়ই ভালো ভেবেই করছেন। তবু মনের মধ্যে একটা খটকা বড্ড জ্বালাচ্ছে। সেটা হল, কেন এই

রাজস্থান সরকার রাজ্যের নাগরিকদের স্বাস্থ্যের অধিকার সুনিশ্চিত করতে বিল এনেছেন। বিধানসভায় সে বিল পাস-ও হয়ে গিয়েছে। স্বাস্থ্য নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হোক, এমন দাবি

খবরের কাগজে কত খবরই তো আসে। বড় একটা অবাক হই না। কিন্তু একখানা খবর পড়ে একেবারে চমকে গেলাম। কলকাতার একটি নামকরা কর্পোরেট হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে

সম্প্রতি আরজিকর মেডিকেল কলেজের ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগ থেকে কিছু ‘বেওয়ারিশ লাশ’ পাঠানো হয়েছিল সেই হাসপাতালেরই নাক-কান-গলা বিভাগে, যে শবদেহ এসেছিল ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগে পোস্ট-মর্টেম পরীক্ষার

যথার্থ জ্ঞানীর অন্যতম লক্ষণ, বিষয়টা সহজ করে বোঝা এবং জলের মতো করে বোঝাতে পারা। ছাত্রজীবনে এক অত্যন্ত প্রিয় শিক্ষক – শিক্ষক নাকি অগ্রজ, বোঝা মুশকিল

আমাদের সেই আড্ডাগুলো দিয়ে নিতে হবে, যা অনেকদিন ধরে পেন্ডিং। সেইসব দেখাসাক্ষাৎ হইচই হুল্লোড়, বা ওরকম কিছু নয়, স্রেফ একান্তে বসে কিছু কথাবার্তা, মাঝেমধ্যে ফোনের

বড় বড় মানুষের আক্ষেপও বড় বড়। এই যেমন উমবার্তো ইকো আক্ষেপ করেছিলেন, মানুষকে যাতে গলায় পেন্ডুলাম-ঘড়ি ঝুলিয়ে না চলতে হয়, অথবা যাতে খানিকক্ষণ বাদে বাদেই

কর্পোরেট হাসপাতালে চিকিৎসার লাগামছাড়া বিল, চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে রোগী-পরিজনের ঘটিবাটি বিক্কিরি হওয়া – এসব কোনও নতুন কথা নয়। ভুক্তভোগীরা তো জানেনই, যাঁরা সরাসরি তেমন

একজন চিকিৎসক। ক্ষুরধার তাঁর বুদ্ধি। তেমনি তাঁর নিষ্ঠা। একেবারে স্কুলজীবন থেকেই ছাত্র হিসেবে তুখোড়। পরবর্তী কালেও যখনই যে পরীক্ষায় বসেছেন, আটকানো তো দূর, প্রতিটিতেই একেবারে

ওপেনহাইমার’ হুজুগের বাজারে অন্তত দুখানা বাংলা বইয়ের বাজার চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। নারায়ণ সান্যালের ‘বিশ্বাসঘাতক’ এবং জ্যোতিপ্রকাশ চট্টোপাধ্যায়ের ‘নির্বাপিত সূর্যের সাধনা’। দুটিই অনেক বছর আগে লেখা।

নাতিদীর্ঘ বিরতির পর ‘স্বাস্থ্যের বৃত্তে’ পত্রিকা আবার প্রকাশিত হতে চলেছে। নতুন করে শুরুর প্রথম সংখ্যার ফোকাস, শ্রমিকের স্বাস্থ্য। সরাসরি সেই বিষয় নিয়ে কাজ করার সুযোগ

ডা সুব্রত গোস্বামীকে সবার দেখাদেখি আমিও টাকোদা বলেই বলি বটে, কিন্তু আমি তাঁকে খুবই কম চিনতাম। মুখোমুখি দেখা হয়েছে এক কি দু’বার। কথা হয়েছে আদতে

তিন-বছরে-ডাক্তার প্রকল্প নিয়ে বলার কিছু নেই। বড়রা ভেবেচিন্তে যখন করছেন, নিশ্চয়ই ভালো ভেবেই করছেন। তবু মনের মধ্যে একটা খটকা বড্ড জ্বালাচ্ছে। সেটা হল, কেন এই

রাজস্থান সরকার রাজ্যের নাগরিকদের স্বাস্থ্যের অধিকার সুনিশ্চিত করতে বিল এনেছেন। বিধানসভায় সে বিল পাস-ও হয়ে গিয়েছে। স্বাস্থ্য নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হোক, এমন দাবি

খবরের কাগজে কত খবরই তো আসে। বড় একটা অবাক হই না। কিন্তু একখানা খবর পড়ে একেবারে চমকে গেলাম। কলকাতার একটি নামকরা কর্পোরেট হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে

সম্প্রতি আরজিকর মেডিকেল কলেজের ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগ থেকে কিছু ‘বেওয়ারিশ লাশ’ পাঠানো হয়েছিল সেই হাসপাতালেরই নাক-কান-গলা বিভাগে, যে শবদেহ এসেছিল ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগে পোস্ট-মর্টেম পরীক্ষার

যথার্থ জ্ঞানীর অন্যতম লক্ষণ, বিষয়টা সহজ করে বোঝা এবং জলের মতো করে বোঝাতে পারা। ছাত্রজীবনে এক অত্যন্ত প্রিয় শিক্ষক – শিক্ষক নাকি অগ্রজ, বোঝা মুশকিল

আমাদের সেই আড্ডাগুলো দিয়ে নিতে হবে, যা অনেকদিন ধরে পেন্ডিং। সেইসব দেখাসাক্ষাৎ হইচই হুল্লোড়, বা ওরকম কিছু নয়, স্রেফ একান্তে বসে কিছু কথাবার্তা, মাঝেমধ্যে ফোনের







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে