
এবার বিদায় দাও……?
আপনি কি সিঙারা, জিলিপি, পকোড়া,পাও ভাজি –এসব খেতে খুব পছন্দ করেন? তাহলে আপনার জন্য একটি বিধিসম্মত সতর্কীকরণের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তাঁদের

আপনি কি সিঙারা, জিলিপি, পকোড়া,পাও ভাজি –এসব খেতে খুব পছন্দ করেন? তাহলে আপনার জন্য একটি বিধিসম্মত সতর্কীকরণের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তাঁদের

খবরটা পড়ে চমকে উঠলাম। ঘটনার কেন্দ্রস্থল মহারাষ্ট্রের পুনেতে যাকে বলা হয় মারাঠি সংস্কৃতির আঁতুড়ঘর, সেই পুনে জেলার অন্তর্গত একটি গ্রাম থেকে এক আদিবাসী পরিবারের ১৪

দিন কয়েক ধরে জ্বরে ভুগছে ছেলেটা। এখন সিজন চেঞ্জের সময়। ভাবলাম সেই কারণেই হয়তো এই বিপত্তি। বাড়িতে ঘরোয়া মেডিসিন বক্সে থাকা খুব চেনা একটা ট্যাবলেট

কন্যা মোদের এমন করে আর কতকাল শিকার হবে? খোলস ঢাকা কীটগুলো সব , আর কবে গো মানুষ হবে? স্বস্তি কি আর পাচ্ছি মোরা? মোদের মেয়ের

আজ আপনাদের এক আশ্চর্য মানুষের কথা শোনাই। তাঁর নাম মেরী, মেরী সুরিন। আমাদের পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলমহল লাতেহারের বাসিন্দা তিনি। মাটির কাছাকাছি থাকা এই অপরিচিত

পৃথিবীর নীল ফুসফুস গভীর ক্ষয়রোগে আক্রান্ত। একটু একটু করে তা অন্তিমের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীর সুবিস্তৃত নীল জলভাগ থেকে ভেসে আসা অস্ফুট আর্তনাদ প্রতিনিয়তই জানান

নদী বাঁধ নির্মাণ নিয়ে আন্দোলন খুব নতুন কিছু নয়। বৃহত্তর উন্নয়নের দোহাই দিয়ে নদীতে বাঁধ দিয়ে জল আটকে রেখে তাকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হয়।

আরও একটা পরিবেশ দিবস পার হয়ে গেল। এমন দিনগুলোর আসা যাওয়ার মাঝখানের সময়টাই হলো আমাদের সক্রিয়তার সময় অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আমরা পরিবেশ নিয়ে কতটা

আরও একটা পরিবেশ দিবস এলো এবং ধীরেসুস্থে চলেও গেল। প্রচূর সভা সমাবেশ সেমিনার মিছিল পদযাত্রা ইত্যাদি হলো। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাঠে নেমে হাতে কলমে কাজও

প্রাক্ মৌসুমী বৃষ্টিপাতের পর্ব শুরু হতে না হতেই উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোতে বন্যার দাপট শুরু হয়ে গেছে। অসম, মণিপুর, মেঘালয়, অরুণাচল, ত্রিপুরা – সর্বত্রই থৈ

পাহাড়তলির ছোট্ট গ্রামের নাম ব্লাতেন। একেবারে ছবির মতো। চারদিকে সফেদ বরফে ঢাকা পর্বতের সারি।আর সেইসব পর্বতের সানু দেশের বিস্তির্ণ উপত্যকায় শান্ত নিরিবিলি দীর্ঘ ৮০০ বছরের

পাঁপড় – একটি অতি পরিচিত মনোলোভা মুচমুচে খাবারের নাম সমগ্র ভারতের হেঁসেলে। ভারতের প্রায় প্রতিটি রাজ্যের মানুষের দৈনন্দিন খাবারের পাতে সগৌরবে নানান রূপে – সেঁকা,

আপনি কি সিঙারা, জিলিপি, পকোড়া,পাও ভাজি –এসব খেতে খুব পছন্দ করেন? তাহলে আপনার জন্য একটি বিধিসম্মত সতর্কীকরণের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তাঁদের

খবরটা পড়ে চমকে উঠলাম। ঘটনার কেন্দ্রস্থল মহারাষ্ট্রের পুনেতে যাকে বলা হয় মারাঠি সংস্কৃতির আঁতুড়ঘর, সেই পুনে জেলার অন্তর্গত একটি গ্রাম থেকে এক আদিবাসী পরিবারের ১৪

দিন কয়েক ধরে জ্বরে ভুগছে ছেলেটা। এখন সিজন চেঞ্জের সময়। ভাবলাম সেই কারণেই হয়তো এই বিপত্তি। বাড়িতে ঘরোয়া মেডিসিন বক্সে থাকা খুব চেনা একটা ট্যাবলেট

কন্যা মোদের এমন করে আর কতকাল শিকার হবে? খোলস ঢাকা কীটগুলো সব , আর কবে গো মানুষ হবে? স্বস্তি কি আর পাচ্ছি মোরা? মোদের মেয়ের

আজ আপনাদের এক আশ্চর্য মানুষের কথা শোনাই। তাঁর নাম মেরী, মেরী সুরিন। আমাদের পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলমহল লাতেহারের বাসিন্দা তিনি। মাটির কাছাকাছি থাকা এই অপরিচিত

পৃথিবীর নীল ফুসফুস গভীর ক্ষয়রোগে আক্রান্ত। একটু একটু করে তা অন্তিমের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীর সুবিস্তৃত নীল জলভাগ থেকে ভেসে আসা অস্ফুট আর্তনাদ প্রতিনিয়তই জানান

নদী বাঁধ নির্মাণ নিয়ে আন্দোলন খুব নতুন কিছু নয়। বৃহত্তর উন্নয়নের দোহাই দিয়ে নদীতে বাঁধ দিয়ে জল আটকে রেখে তাকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হয়।

আরও একটা পরিবেশ দিবস পার হয়ে গেল। এমন দিনগুলোর আসা যাওয়ার মাঝখানের সময়টাই হলো আমাদের সক্রিয়তার সময় অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আমরা পরিবেশ নিয়ে কতটা

আরও একটা পরিবেশ দিবস এলো এবং ধীরেসুস্থে চলেও গেল। প্রচূর সভা সমাবেশ সেমিনার মিছিল পদযাত্রা ইত্যাদি হলো। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাঠে নেমে হাতে কলমে কাজও

প্রাক্ মৌসুমী বৃষ্টিপাতের পর্ব শুরু হতে না হতেই উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোতে বন্যার দাপট শুরু হয়ে গেছে। অসম, মণিপুর, মেঘালয়, অরুণাচল, ত্রিপুরা – সর্বত্রই থৈ

পাহাড়তলির ছোট্ট গ্রামের নাম ব্লাতেন। একেবারে ছবির মতো। চারদিকে সফেদ বরফে ঢাকা পর্বতের সারি।আর সেইসব পর্বতের সানু দেশের বিস্তির্ণ উপত্যকায় শান্ত নিরিবিলি দীর্ঘ ৮০০ বছরের

পাঁপড় – একটি অতি পরিচিত মনোলোভা মুচমুচে খাবারের নাম সমগ্র ভারতের হেঁসেলে। ভারতের প্রায় প্রতিটি রাজ্যের মানুষের দৈনন্দিন খাবারের পাতে সগৌরবে নানান রূপে – সেঁকা,







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে