
তৃতীয় ঢেউ বনাম শিশুদের কোভিড
করোনার সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউয়ের আগে সব অভিভাবকরাই তাঁদের বাচ্চাদের নিয়ে চিন্তিত। বিভিন্ন সূত্রে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যেহেতু শিশুরা টিকাকরণের আওতার বাইরে থাকবে তাই তারাই বেশি

করোনার সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউয়ের আগে সব অভিভাবকরাই তাঁদের বাচ্চাদের নিয়ে চিন্তিত। বিভিন্ন সূত্রে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যেহেতু শিশুরা টিকাকরণের আওতার বাইরে থাকবে তাই তারাই বেশি

কী বলবো একে, বন্যার জলোচ্ছ্বাস নাকি ঝড়ের তান্ডব? লকডাউন একটু শিথিল হতেই সারা পশ্চিমবঙ্গ এসে আছড়ে পড়েছে আমাদের আউটডোরে। নয় নয় করে চিকিৎসক জীবনের অনেকগুলো

লেখার কথা ছিল পয়লা জুলাই কিন্তু দম ফেলার ফুরসত পাইনি। সকালে আউটডোর তারপর রাতে বারো ঘন্টা ডিউটি। আমার অন্যান্য চিকিৎসক সহকর্মী বা স্বাস্থ্যকর্মীরা কেউই ওই

আপনি বলেন হোমিওপ্যাথি প্লাসিবো (মিছিমিছি ওষুধ)। ৮০% রোগ এমনিই সেরে যায়। সেটা নিশ্চয়ই মডার্ন মেডিসিনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তাহলে সেসব রোগে ডাক্তারের কাছে যাবো কেন? রোগগুলোর

চার মাসের বাচ্চাটার জন্মগত নার্ভের রোগ। বুকের ছবিতে বড় সাদা ছোপ। নিউমোনিয়া। জন্ম থেকেই বুক আর পেটের মাঝে বড় ছাতার মতো পেশিটা বাদে শ্বাস নেওয়ার

আমি জানি, আমার ‘মারীর দেশ’ সিরিজের লেখাগুলো ভীষণ একঘেঁয়ে। ‘সেই তো একই ঢাল-তলোয়ার’, সেই তো একই দৈত্যদানো। সামান্য কিছু টুকরো-টাকরা ঘটনা বাদ দিলে অধিকাংশ লেখাগুলোই

শেষ সপ্তাহ দুয়েকে হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা কমেছে উল্লেখযোগ্য ভাবে। কিছুদিন আগেও জ্বরজ্বালা, র্যাশ, সর্দি-কাশি, পেট খারাপ মানেই করোনা ধরে নেওয়া যেত। হাসপাতালের করোনা

পাঁশকুড়ার কাছে একটা জায়গায় একটু কাজ ছিল। খুব ভোর ভোর বেরিয়েছিলাম। আকাশটা বেশ থম মেরে আছে। ভোরের কোলকাতার সাথে দিনের ব্যস্ততা মেলানো যায় না। এমনিতেই

আন্দাজ দুপুর বারোটা। তিনদিনের জ্বর আর তিনদিনে প্রায় ১৪-১৫ বার খিঁচুনি নিয়ে সাত মাসের বাচ্চাটা যখন ভর্তি হয় তখন প্রায় এই যায় সেই যায় অবস্থা।

★ স্টেরয়েড কী কী ভাবে নেওয়া যা ? ‘যত মত তত পথ’ স্মরণ করুন। শরীরে যত রাস্তা আছে সব দিয়েই স্টেরয়েড নেওয়া যায়। মুখে খাওয়া,

আপনি কি সেইসব মহুয়াদের চেনেন যারা ‘কৃষ্ণকলি’ বলে কাব্যে আদিখ্যেতা আর বাস্তবে স্কুল-কলেজ-রাস্তাঘাটে উপহাসের পাত্রী হয়? আপনি কি সেইসব ফতেমাদের চেনেন যাদের গায়ের রঙ কালো

অ্যানাবলিক স্টেরয়েড নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক। আমি ছোটবেলায় এইভাবে মনে রাখতাম- অ্যানাবলিক মানে যে আনে আর ক্যাটাবলিক মানে যে কাটে। অ্যানাবলিক স্টেরয়েড শরীরে পেশির

করোনার সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউয়ের আগে সব অভিভাবকরাই তাঁদের বাচ্চাদের নিয়ে চিন্তিত। বিভিন্ন সূত্রে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যেহেতু শিশুরা টিকাকরণের আওতার বাইরে থাকবে তাই তারাই বেশি

কী বলবো একে, বন্যার জলোচ্ছ্বাস নাকি ঝড়ের তান্ডব? লকডাউন একটু শিথিল হতেই সারা পশ্চিমবঙ্গ এসে আছড়ে পড়েছে আমাদের আউটডোরে। নয় নয় করে চিকিৎসক জীবনের অনেকগুলো

লেখার কথা ছিল পয়লা জুলাই কিন্তু দম ফেলার ফুরসত পাইনি। সকালে আউটডোর তারপর রাতে বারো ঘন্টা ডিউটি। আমার অন্যান্য চিকিৎসক সহকর্মী বা স্বাস্থ্যকর্মীরা কেউই ওই

আপনি বলেন হোমিওপ্যাথি প্লাসিবো (মিছিমিছি ওষুধ)। ৮০% রোগ এমনিই সেরে যায়। সেটা নিশ্চয়ই মডার্ন মেডিসিনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তাহলে সেসব রোগে ডাক্তারের কাছে যাবো কেন? রোগগুলোর

চার মাসের বাচ্চাটার জন্মগত নার্ভের রোগ। বুকের ছবিতে বড় সাদা ছোপ। নিউমোনিয়া। জন্ম থেকেই বুক আর পেটের মাঝে বড় ছাতার মতো পেশিটা বাদে শ্বাস নেওয়ার

আমি জানি, আমার ‘মারীর দেশ’ সিরিজের লেখাগুলো ভীষণ একঘেঁয়ে। ‘সেই তো একই ঢাল-তলোয়ার’, সেই তো একই দৈত্যদানো। সামান্য কিছু টুকরো-টাকরা ঘটনা বাদ দিলে অধিকাংশ লেখাগুলোই

শেষ সপ্তাহ দুয়েকে হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা কমেছে উল্লেখযোগ্য ভাবে। কিছুদিন আগেও জ্বরজ্বালা, র্যাশ, সর্দি-কাশি, পেট খারাপ মানেই করোনা ধরে নেওয়া যেত। হাসপাতালের করোনা

পাঁশকুড়ার কাছে একটা জায়গায় একটু কাজ ছিল। খুব ভোর ভোর বেরিয়েছিলাম। আকাশটা বেশ থম মেরে আছে। ভোরের কোলকাতার সাথে দিনের ব্যস্ততা মেলানো যায় না। এমনিতেই

আন্দাজ দুপুর বারোটা। তিনদিনের জ্বর আর তিনদিনে প্রায় ১৪-১৫ বার খিঁচুনি নিয়ে সাত মাসের বাচ্চাটা যখন ভর্তি হয় তখন প্রায় এই যায় সেই যায় অবস্থা।

★ স্টেরয়েড কী কী ভাবে নেওয়া যা ? ‘যত মত তত পথ’ স্মরণ করুন। শরীরে যত রাস্তা আছে সব দিয়েই স্টেরয়েড নেওয়া যায়। মুখে খাওয়া,

আপনি কি সেইসব মহুয়াদের চেনেন যারা ‘কৃষ্ণকলি’ বলে কাব্যে আদিখ্যেতা আর বাস্তবে স্কুল-কলেজ-রাস্তাঘাটে উপহাসের পাত্রী হয়? আপনি কি সেইসব ফতেমাদের চেনেন যাদের গায়ের রঙ কালো

অ্যানাবলিক স্টেরয়েড নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক। আমি ছোটবেলায় এইভাবে মনে রাখতাম- অ্যানাবলিক মানে যে আনে আর ক্যাটাবলিক মানে যে কাটে। অ্যানাবলিক স্টেরয়েড শরীরে পেশির







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে