
খুপরির গল্প ২
সোদপুরের চেম্বার শেষ করে স্কুটার নিয়ে যখন পাড়ায় ঢুকছি, এগারোটা বেজে গেছে। গলির মোর থেকেই দেখলাম বাড়ির সামনে ভিড় জমে গেছে। বেশ কয়েকটা টোটো, অটো

সোদপুরের চেম্বার শেষ করে স্কুটার নিয়ে যখন পাড়ায় ঢুকছি, এগারোটা বেজে গেছে। গলির মোর থেকেই দেখলাম বাড়ির সামনে ভিড় জমে গেছে। বেশ কয়েকটা টোটো, অটো

রুপালী আপত্তি জানিয়েছিল। বউয়ের আপত্তি অবশ্যই শোনা উচিৎ। তাহলে ঝামেলায় পড়তাম না। ঘটনাটা শুরু হয়েছিল সাধারণ ভাবেই। রাত বারোটায় খাওয়াদাওয়া সেরে একটা বইয়ের পৃষ্ঠা উল্টাচ্ছিলাম।

পাড়ায় ঢুকেই দীর্ঘশ্বাস ছাড়ি। বাড়ির সামনে ভিড় জমে গেছে। টোটো, অটো, সাইকেল, বাইক, মানুষ মিলে জট পাকিয়ে গেছে। কোনও রকমে স্কুটারটা গ্যারেজে ঢোকাই। জমায়েতের লোকজনের

ভদ্রমহিলার অবস্থা জটিল। হেন রোগ নেই, ওনার শরীরে খুঁজলে পাওয়া যাবে না। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা হৃদপিণ্ডের। বছর পাঁচেক আগে হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। তারপর ইশ্চেমিক কার্ডিও

ডাক্তারি পাশ করার পর যে রোম্যান্টিক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, তা বুদ্বুদ হয়ে মিলিয়ে গেছে। যত দিন যাচ্ছে, ক্রমশ এই পেশার অন্ধকার দিক গুলিই বেশি চোখে পড়ছে।

মেডিকেল কলেজে রাতের এমারজেন্সিতে বসে হাই তোলার নিয়ম নেই। একান্তই যদি হাই ওঠে তাহলে দুনম্বর গেটের ঠিক সামনের দোকান থেকে একটা সিগারেট আর গরম চা

দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি বিশেষ ৮ ডাঃ ড্যানিয়েল কারলেট গজডুসেকের রাতের ঘুম চলে গেছে। একটা রোগ হাজার হাজার লোকের জীবন কেড়ে নিচ্ছে, আর সেটাকে শুধু মানসিক রোগ

“কি শুনলি” আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল বুড়ি। আমি বুড়ির বুকের থেকে স্টেথো তুলে বললাম, “ঠিক আছে। খারাপ কিছু নেই।” “কিচ্ছু খারাপ নাই? তুই তা’লে

ইদানীং কিছুই লিখতে ইচ্ছে করে না। তাছাড়া আমি যা লিখি তা মহৎ কিছু নয়। আমি লিখি রোজনামচা। যা দেখি তাই লিখি। কল্প জগতে পাঠককে ভাসিয়ে

সোমবার, বৃহস্পতিবার সকালে ঘোলায় চেম্বার থাকে। সেখানে রোগী দেখা শেষে বাড়িতে ঢুকতে দেরী হয়ে যায়। বাড়িতে তারমধ্যে বেশ কিছু রোগী উপস্থিত হয়ে যান। ফলে ঘোলা

১. বাংলার সবচেয়ে নামী সাহিত্য পত্রিকার চারটি গল্প পরপর পড়ে রামতনু বাবুর মনে হল বাংলা সাহিত্য উচ্ছন্নে যাচ্ছে। চারটি গল্পের প্রথমটির বিষয় বস্তু দুই বুড়ো-

পুজোয় আমরা যখন আনন্দে গা ভাসিয়ে দিয়েছি, তখন আর জি কর হাসপাতালে কয়েকটি হতভাগা ছেলে মেয়ে দাবি আদায়ের জন্য অনশন চালিয়ে যাচ্ছিল। তারা কয়েকদিন বাদেই

সোদপুরের চেম্বার শেষ করে স্কুটার নিয়ে যখন পাড়ায় ঢুকছি, এগারোটা বেজে গেছে। গলির মোর থেকেই দেখলাম বাড়ির সামনে ভিড় জমে গেছে। বেশ কয়েকটা টোটো, অটো

রুপালী আপত্তি জানিয়েছিল। বউয়ের আপত্তি অবশ্যই শোনা উচিৎ। তাহলে ঝামেলায় পড়তাম না। ঘটনাটা শুরু হয়েছিল সাধারণ ভাবেই। রাত বারোটায় খাওয়াদাওয়া সেরে একটা বইয়ের পৃষ্ঠা উল্টাচ্ছিলাম।

পাড়ায় ঢুকেই দীর্ঘশ্বাস ছাড়ি। বাড়ির সামনে ভিড় জমে গেছে। টোটো, অটো, সাইকেল, বাইক, মানুষ মিলে জট পাকিয়ে গেছে। কোনও রকমে স্কুটারটা গ্যারেজে ঢোকাই। জমায়েতের লোকজনের

ভদ্রমহিলার অবস্থা জটিল। হেন রোগ নেই, ওনার শরীরে খুঁজলে পাওয়া যাবে না। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা হৃদপিণ্ডের। বছর পাঁচেক আগে হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। তারপর ইশ্চেমিক কার্ডিও

ডাক্তারি পাশ করার পর যে রোম্যান্টিক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, তা বুদ্বুদ হয়ে মিলিয়ে গেছে। যত দিন যাচ্ছে, ক্রমশ এই পেশার অন্ধকার দিক গুলিই বেশি চোখে পড়ছে।

মেডিকেল কলেজে রাতের এমারজেন্সিতে বসে হাই তোলার নিয়ম নেই। একান্তই যদি হাই ওঠে তাহলে দুনম্বর গেটের ঠিক সামনের দোকান থেকে একটা সিগারেট আর গরম চা

দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি বিশেষ ৮ ডাঃ ড্যানিয়েল কারলেট গজডুসেকের রাতের ঘুম চলে গেছে। একটা রোগ হাজার হাজার লোকের জীবন কেড়ে নিচ্ছে, আর সেটাকে শুধু মানসিক রোগ

“কি শুনলি” আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল বুড়ি। আমি বুড়ির বুকের থেকে স্টেথো তুলে বললাম, “ঠিক আছে। খারাপ কিছু নেই।” “কিচ্ছু খারাপ নাই? তুই তা’লে

ইদানীং কিছুই লিখতে ইচ্ছে করে না। তাছাড়া আমি যা লিখি তা মহৎ কিছু নয়। আমি লিখি রোজনামচা। যা দেখি তাই লিখি। কল্প জগতে পাঠককে ভাসিয়ে

সোমবার, বৃহস্পতিবার সকালে ঘোলায় চেম্বার থাকে। সেখানে রোগী দেখা শেষে বাড়িতে ঢুকতে দেরী হয়ে যায়। বাড়িতে তারমধ্যে বেশ কিছু রোগী উপস্থিত হয়ে যান। ফলে ঘোলা

১. বাংলার সবচেয়ে নামী সাহিত্য পত্রিকার চারটি গল্প পরপর পড়ে রামতনু বাবুর মনে হল বাংলা সাহিত্য উচ্ছন্নে যাচ্ছে। চারটি গল্পের প্রথমটির বিষয় বস্তু দুই বুড়ো-

পুজোয় আমরা যখন আনন্দে গা ভাসিয়ে দিয়েছি, তখন আর জি কর হাসপাতালে কয়েকটি হতভাগা ছেলে মেয়ে দাবি আদায়ের জন্য অনশন চালিয়ে যাচ্ছিল। তারা কয়েকদিন বাদেই







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে