
দার্জিলিঙের ডাইরি ৬
আজ দার্জিলিং ঘুরতে যাব। হোম স্টের সব জানলাই কাঁচের। ফলে ভোর ভোর উঠে পর্দা সরাতেই সারা ঘর আলো ঝলমল করে উঠলো। আমরা সবে ভাবছি এই

আজ দার্জিলিং ঘুরতে যাব। হোম স্টের সব জানলাই কাঁচের। ফলে ভোর ভোর উঠে পর্দা সরাতেই সারা ঘর আলো ঝলমল করে উঠলো। আমরা সবে ভাবছি এই

মিমে আমাদের হোটেলে পৌঁছাতে কাল বেশ রাত হয়ে গেছিল। আমরা যে রাস্তা দিয়ে এলাম, বেশ জটিল। রাস্তা এতটাই খাড়াই মাঝে মাঝেই আমাদের গাড়ি উঠতে পারছিল

মিরিক থেকে মিমে আসার পথে পশুপতি মার্কেট দেখলাম। একপাশে নেপাল, অন্য পাশে ভারত। যদিও বিনা পাসপোর্টে বিদেশ যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগালাম না। তারপর সীমানা

পরের গন্তব্য মিরিক। আমরা যারা কালেভদ্রে বেড়াতে যাই, তারা হেব্বি বিরক্তি নিয়ে বেড়াতে বেরোই, এবং একবার বেরিয়ে পড়লে যা দেখি তাতেই অভিভূত হয়ে যাই। রাস্তায়

টিংলিং চা বাগানের পৌঁছেছি। ঐ যেখানে ‘আই লাভ মিরিক’ লেখা আছে। যদিও মিরিক এখান থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার। সেখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে টেখে চিকেন মোমো

হাওয়াই জাহাজে হাওয়াই চটি পরি। আমার বিপজ্জনক প্রথম বিমান অভিজ্ঞতা এর জন্য দায়ী। কিন্তু লোকজন আমার সমস্যা নিয়ে চিন্তিত নয়। জুতো পরতেই হবে। বলতে গেলাম,

যদিও এটা মেডিকেল কলেজের গল্প। স্কুলের গল্প বলে চালিয়ে দিলাম। স্কুল খুলুক। স্কুল ও কলেজের স্মৃতি এক অমূল্য সম্পদ। আমাদের পাড়ার মোটাদা ডাক্তারি পড়ে। ভালো

লালু বলল, “বলত দেখি তাড়াতাড়ি… উট উঁচু, উটকা পিঠ উঁচু।” আমি বললাম, “উট উঁচু, উটকা পিঠ উঁচু। উচ উঁচু, উটকা পিটুচু। উচুচু… উটকা পিচুচু…” “থাম,

স্কুল খোলা জরুরি। স্কুলে শুধু পড়াশুনো না, আরও অনেক কিছু শেখা যায়। (গল্পটি চেনা বলে মনে হতে পারে। এটি আনন্দমেলা পত্রিকায় ২০১৯ সালে প্রকাশিত) কানের

শীতলবাবুর হাতের লিকলিকে বেতটা টেবিলের উপর আছড়ে পড়ল। ‘চুপ, কেউ একটা কথা বললেই খাতা নিয়ে বাইরে বার করে দেব।’ সমস্ত শ্রেণী কক্ষে শ্মশানের নিস্তব্ধতা নেমে

ডাক্তারদের নিয়ে সারাক্ষণই সমালোচনা চলে- চায়ের দোকানে, ট্রেনে-বাসে, শ্মশানে- কবরখানায়। রোগীদের নিয়ে সমালোচনা তেমন শোনা যায় না। আমার সম্বল ফেসবুক। রোগীদের নিয়েও একটু সমালোচনা করি।

১ অফিস ফেরৎ বেহিসাবী হওয়ার সুযোগ নেই, অরণ্যের অচেনা পথের মতো নিশানা চিনে চিনে ঘরে ফেরা সযত্নে জমা খরচের তাকে তুলে রাখা দিন। এইভাবে ঘুরছে

আজ দার্জিলিং ঘুরতে যাব। হোম স্টের সব জানলাই কাঁচের। ফলে ভোর ভোর উঠে পর্দা সরাতেই সারা ঘর আলো ঝলমল করে উঠলো। আমরা সবে ভাবছি এই

মিমে আমাদের হোটেলে পৌঁছাতে কাল বেশ রাত হয়ে গেছিল। আমরা যে রাস্তা দিয়ে এলাম, বেশ জটিল। রাস্তা এতটাই খাড়াই মাঝে মাঝেই আমাদের গাড়ি উঠতে পারছিল

মিরিক থেকে মিমে আসার পথে পশুপতি মার্কেট দেখলাম। একপাশে নেপাল, অন্য পাশে ভারত। যদিও বিনা পাসপোর্টে বিদেশ যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগালাম না। তারপর সীমানা

পরের গন্তব্য মিরিক। আমরা যারা কালেভদ্রে বেড়াতে যাই, তারা হেব্বি বিরক্তি নিয়ে বেড়াতে বেরোই, এবং একবার বেরিয়ে পড়লে যা দেখি তাতেই অভিভূত হয়ে যাই। রাস্তায়

টিংলিং চা বাগানের পৌঁছেছি। ঐ যেখানে ‘আই লাভ মিরিক’ লেখা আছে। যদিও মিরিক এখান থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার। সেখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে টেখে চিকেন মোমো

হাওয়াই জাহাজে হাওয়াই চটি পরি। আমার বিপজ্জনক প্রথম বিমান অভিজ্ঞতা এর জন্য দায়ী। কিন্তু লোকজন আমার সমস্যা নিয়ে চিন্তিত নয়। জুতো পরতেই হবে। বলতে গেলাম,

যদিও এটা মেডিকেল কলেজের গল্প। স্কুলের গল্প বলে চালিয়ে দিলাম। স্কুল খুলুক। স্কুল ও কলেজের স্মৃতি এক অমূল্য সম্পদ। আমাদের পাড়ার মোটাদা ডাক্তারি পড়ে। ভালো

লালু বলল, “বলত দেখি তাড়াতাড়ি… উট উঁচু, উটকা পিঠ উঁচু।” আমি বললাম, “উট উঁচু, উটকা পিঠ উঁচু। উচ উঁচু, উটকা পিটুচু। উচুচু… উটকা পিচুচু…” “থাম,

স্কুল খোলা জরুরি। স্কুলে শুধু পড়াশুনো না, আরও অনেক কিছু শেখা যায়। (গল্পটি চেনা বলে মনে হতে পারে। এটি আনন্দমেলা পত্রিকায় ২০১৯ সালে প্রকাশিত) কানের

শীতলবাবুর হাতের লিকলিকে বেতটা টেবিলের উপর আছড়ে পড়ল। ‘চুপ, কেউ একটা কথা বললেই খাতা নিয়ে বাইরে বার করে দেব।’ সমস্ত শ্রেণী কক্ষে শ্মশানের নিস্তব্ধতা নেমে

ডাক্তারদের নিয়ে সারাক্ষণই সমালোচনা চলে- চায়ের দোকানে, ট্রেনে-বাসে, শ্মশানে- কবরখানায়। রোগীদের নিয়ে সমালোচনা তেমন শোনা যায় না। আমার সম্বল ফেসবুক। রোগীদের নিয়েও একটু সমালোচনা করি।

১ অফিস ফেরৎ বেহিসাবী হওয়ার সুযোগ নেই, অরণ্যের অচেনা পথের মতো নিশানা চিনে চিনে ঘরে ফেরা সযত্নে জমা খরচের তাকে তুলে রাখা দিন। এইভাবে ঘুরছে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে