
দ্বিতীয় ঢেউ এর দিনগুলি ২১
হ্যালো ডাক্তারবাবু মনে হচ্ছে আমার ‘দ্বিতীয় ঢেউয়ের দিনগুলি’ লেখার সময় ফুরিয়ে এসেছে। দ্বিতীয় ঢেউয়ে যেমন হইহই রইরই করে কেস বেড়েছিল, তার চেয়েও দ্রুতগতিতে কেস কমছে।

হ্যালো ডাক্তারবাবু মনে হচ্ছে আমার ‘দ্বিতীয় ঢেউয়ের দিনগুলি’ লেখার সময় ফুরিয়ে এসেছে। দ্বিতীয় ঢেউয়ে যেমন হইহই রইরই করে কেস বেড়েছিল, তার চেয়েও দ্রুতগতিতে কেস কমছে।

ভালোবাসার জন্য আমি পাহাড় ডিঙাতেও পারব না অথবা একাই ছয়জন ভিলেনকে পিটিয়ে পাট পাট করতে পারব না। ভালোবাসার জন্য ঝর্ণার জলে ভিজে ভিজে গানও গাইতে

মন খারাপ হঠাৎ হঠাৎ কোলাহল। আবার থেমেও যায়। অকস্মাৎ নিস্তব্ধ হয়ে যায় আশপাশ। সামনের চেয়ারে নতমস্তকে বসে থাকে চৌদ্দ বছরের অনাথ ছেলে। অনাথ ছিল না

ইয়াস, মিউকরমাইকোসিস ও হাঁটুজলে সাঁতার ভয় পেতে লোকজন যে বেশ ভালোবাসে, সেটা খুপরিতে রোগী দেখার সময় হাড়ে হাড়ে বুঝি। মুশকিল হলো ভয়ের যে চারাগাছ সকলে

মন ভালো করার গল্প প্রায় সব রোগীই পজিটিভ। কিন্তু এতো পজিটিভ রোগীর মধ্যে বসেও নিজে পজিটিভ থাকতে পারছিলাম না। দ্বিতীয় ঢেউয়ের দিন যত গড়াচ্ছে, তত

মৃত্যু মিছিল এরকম অকারণে মৃত্যু মিছিল কোনোদিনও দেখিনি। ডাক্তারি পাশ করার পর থেকেই একটানা রোগী দেখে যাচ্ছি। একাধিক সরকারি হাসপাতালে ডিউটি করেছি। মেডিকেল কলেজে মেডিসিনে

লড়াই করে বাঁচতে চাই আমার চেম্বারে প্রায় কোনো রোগীই গাড়ি করে আসেন না। বেশিরভাগই আসেন পায়ে হেঁটে। দু’চারজন টোটো বা রিক্সা ভ্যানে। রোগীর অবস্থা খুব

কসাই ডাক্তার অনেক চেষ্টা করেও পজিটিভ থাকা যাচ্ছে না। রবিবার রবি ঠাকুরের জন্মদিন ছিল। ওনার গান একবারে পজিটিভিটির চূড়ান্ত। সাতসকালে স্কুটারে ঘোলার চেম্বারে যেতে যেতে

চক্রব্যূহ দমটম আটকে আসছে। একেবারে বিচ্ছিরি অবস্থার মধ্যে ফেঁসে গেছি। জানি না কবে এর থেকে মুক্তি পাব। রোজ ঘুম থেকে উঠে প্রায় ঘুমাতে যাওয়ার আগে

শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ইদানীং বেশ খারাপ খারাপ জ্বরের রোগী আসছে। রোজই বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তির জন্য বলতে হচ্ছে। একজন রোগিণী খুপরিতে ঢুকেই মাথা টাথা ঘুরে পড়ে

যে ভাবে রাত কাটছে গীতায় আছে ‘ফলের আশা না করে কর্ম করে যাও’। আমরা তুচ্ছ খুপরিজীবি ডাক্তার। এইসব মহান বাণীকে আত্তিকরণ করতে পারিনি। কর্মের ফলাফল

মা- মাটি- মানুষ ভোর সাড়ে পাঁচটায় অ্যালার্ম দিয়ে উঠে পড়াশোনা করার আপ্রাণ চেষ্টা করছি। এক সম্পাদিকা দিদি একটি ওয়েব ম্যাগাজিনের জন্য করোনা নিয়ে তথ্যসমৃদ্ধ লেখা

হ্যালো ডাক্তারবাবু মনে হচ্ছে আমার ‘দ্বিতীয় ঢেউয়ের দিনগুলি’ লেখার সময় ফুরিয়ে এসেছে। দ্বিতীয় ঢেউয়ে যেমন হইহই রইরই করে কেস বেড়েছিল, তার চেয়েও দ্রুতগতিতে কেস কমছে।

ভালোবাসার জন্য আমি পাহাড় ডিঙাতেও পারব না অথবা একাই ছয়জন ভিলেনকে পিটিয়ে পাট পাট করতে পারব না। ভালোবাসার জন্য ঝর্ণার জলে ভিজে ভিজে গানও গাইতে

মন খারাপ হঠাৎ হঠাৎ কোলাহল। আবার থেমেও যায়। অকস্মাৎ নিস্তব্ধ হয়ে যায় আশপাশ। সামনের চেয়ারে নতমস্তকে বসে থাকে চৌদ্দ বছরের অনাথ ছেলে। অনাথ ছিল না

ইয়াস, মিউকরমাইকোসিস ও হাঁটুজলে সাঁতার ভয় পেতে লোকজন যে বেশ ভালোবাসে, সেটা খুপরিতে রোগী দেখার সময় হাড়ে হাড়ে বুঝি। মুশকিল হলো ভয়ের যে চারাগাছ সকলে

মন ভালো করার গল্প প্রায় সব রোগীই পজিটিভ। কিন্তু এতো পজিটিভ রোগীর মধ্যে বসেও নিজে পজিটিভ থাকতে পারছিলাম না। দ্বিতীয় ঢেউয়ের দিন যত গড়াচ্ছে, তত

মৃত্যু মিছিল এরকম অকারণে মৃত্যু মিছিল কোনোদিনও দেখিনি। ডাক্তারি পাশ করার পর থেকেই একটানা রোগী দেখে যাচ্ছি। একাধিক সরকারি হাসপাতালে ডিউটি করেছি। মেডিকেল কলেজে মেডিসিনে

লড়াই করে বাঁচতে চাই আমার চেম্বারে প্রায় কোনো রোগীই গাড়ি করে আসেন না। বেশিরভাগই আসেন পায়ে হেঁটে। দু’চারজন টোটো বা রিক্সা ভ্যানে। রোগীর অবস্থা খুব

কসাই ডাক্তার অনেক চেষ্টা করেও পজিটিভ থাকা যাচ্ছে না। রবিবার রবি ঠাকুরের জন্মদিন ছিল। ওনার গান একবারে পজিটিভিটির চূড়ান্ত। সাতসকালে স্কুটারে ঘোলার চেম্বারে যেতে যেতে

চক্রব্যূহ দমটম আটকে আসছে। একেবারে বিচ্ছিরি অবস্থার মধ্যে ফেঁসে গেছি। জানি না কবে এর থেকে মুক্তি পাব। রোজ ঘুম থেকে উঠে প্রায় ঘুমাতে যাওয়ার আগে

শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ইদানীং বেশ খারাপ খারাপ জ্বরের রোগী আসছে। রোজই বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তির জন্য বলতে হচ্ছে। একজন রোগিণী খুপরিতে ঢুকেই মাথা টাথা ঘুরে পড়ে

যে ভাবে রাত কাটছে গীতায় আছে ‘ফলের আশা না করে কর্ম করে যাও’। আমরা তুচ্ছ খুপরিজীবি ডাক্তার। এইসব মহান বাণীকে আত্তিকরণ করতে পারিনি। কর্মের ফলাফল

মা- মাটি- মানুষ ভোর সাড়ে পাঁচটায় অ্যালার্ম দিয়ে উঠে পড়াশোনা করার আপ্রাণ চেষ্টা করছি। এক সম্পাদিকা দিদি একটি ওয়েব ম্যাগাজিনের জন্য করোনা নিয়ে তথ্যসমৃদ্ধ লেখা







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে