
হাইপারটেনশনের অ থেকে চন্দ্রবিন্দু–১৮
ওষুধপত্র এই পর্বে হাইপারটেনশনের ওষুধ পত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হচ্ছে। কিন্তু সবসময়ই মনে রাখতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে বা ওষুধের দোকানে জিজ্ঞেস করে

ওষুধপত্র এই পর্বে হাইপারটেনশনের ওষুধ পত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হচ্ছে। কিন্তু সবসময়ই মনে রাখতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে বা ওষুধের দোকানে জিজ্ঞেস করে

শরীরচর্চা নিয়মিত শরীরচর্চা হাইপারটেনসিভ রোগীদের জন্য খুবই জরুরী। প্রতিদিন কমপক্ষে একটানা ত্রিশ মিনিট জোরে জোরে হাঁটা প্রয়োজন। এবং সপ্তাহে অন্তত পাঁচদিন এভাবে হাঁটা প্রয়োজন। অর্থাৎ

ভদ্রলোক কথা বলতে গিয়ে কাশছেন। কাশতে কাশতে চোখ দিয়ে জল বেরোচ্ছে৷ কোনো রকমে কাশি থামিয়ে বললেন, ‘ডাক্তারবাবু, কিছু একটা করুন। দেখছেন তো অবস্থা।’ তারপর আবার

খাদ্য হাইপারটেনশন প্রতিরোধে এবং হাইপারটেনশনের চিকিৎসায় ওষুধপত্রের সাথে সাথে খাদ্য ও শরীরচর্চার যথেষ্ট ভূমিকা আছে। যেসব খাবার উপকারীঃ হাইপারটেনশনে তাজা ফল যেমন- লেবু, পেয়ারা, আমলকী,

হাইপারটেনসিভ রোগীর মূল্যায়ন যখনই কারও হাইপারটেনশন ধরা পড়ে তখন তার আরও কিছু মূল্যায়ন জরুরী। কারণ হাইপারটেনশন হৃদপিণ্ড, মস্তিষ্ক ইত্যাদির ক্ষতি করে মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় হাইপারটেনশন (Pregnancy Induce Hypertension) গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহের পরে হবু মায়ের রক্তচাপ যদি >১৪০/৯০ মিলি মিটার পারদের বেশি হয় তাকে গর্ভাবস্থায় হাইপারটেনশন (Pregnancy Induce Hypertension)

আরো কিছু প্রশ্নোত্তর ডক্টরস ডায়লগে হাইপারটেনশন নিয়ে লেখার সময় পাঠকেরা অনেক প্রশ্ন করেছেন। আজকের পর্বে সে রকম কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো। ১) রক্তচাপ

হাইপারটেনসিভ আর্জেন্সি এবং এমারজেন্সি হাইপারটেনসিভ আর্জেন্সি এবং এমারজেন্সি দুটি একে অপরের থেকে আলাদা। যদিও দুই ক্ষেত্রেই রক্তচাপ অত্যাধিক বেশি হয়। দুটির চিকিৎসাও আলাদা। আরজেন্সির ক্ষেত্রে

হাইপারটেনশন ও কিডনি হাইপাটেনশনের জন্য কিডনির সমস্যা বা নেফ্রোপ্যাথি হয়। আবার কিডনির সমস্যার জন্যও হাইপারটেনশন হয়। কিডনির অসুখই সেকেন্ডারি হাইপারটেনশনের প্রধান কারণ। দীর্ঘ দিন ধরে

হাইপারটেনশন ও স্ট্রোক স্ট্রোক হলো হৃদরোগের পরেই হাইপারটেনশনের রোগীদের মৃত্যুর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কারণ। প্রতিবছর পৃথিবীতে অন্তত ৫০ লক্ষ মানুষ স্ট্রোকের ফলে মারা যান। এবং প্রায়

হাইপারটেনশন ও হৃদরোগ হাইপারটেনশনের রোগীদের মৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণ হৃদরোগ। রক্তচাপ বেশি থাকার জন্য শরীরে রক্তপ্রবাহ বজায় রাখার জন্য হৃদপিণ্ডকে বেশি কাজ করতে হয়। অতিরিক্ত

হাইপারটেনশন ও চোখ আরও একবার বলি, হাইপারটেনশন হল নিঃশব্দ ঘাতক। সাধারণত প্রথমে কোনো উপসর্গ না থাকলেও হাইপারটেনশন আমাদের দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি করে এবং হঠাৎ

ওষুধপত্র এই পর্বে হাইপারটেনশনের ওষুধ পত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হচ্ছে। কিন্তু সবসময়ই মনে রাখতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে বা ওষুধের দোকানে জিজ্ঞেস করে

শরীরচর্চা নিয়মিত শরীরচর্চা হাইপারটেনসিভ রোগীদের জন্য খুবই জরুরী। প্রতিদিন কমপক্ষে একটানা ত্রিশ মিনিট জোরে জোরে হাঁটা প্রয়োজন। এবং সপ্তাহে অন্তত পাঁচদিন এভাবে হাঁটা প্রয়োজন। অর্থাৎ

ভদ্রলোক কথা বলতে গিয়ে কাশছেন। কাশতে কাশতে চোখ দিয়ে জল বেরোচ্ছে৷ কোনো রকমে কাশি থামিয়ে বললেন, ‘ডাক্তারবাবু, কিছু একটা করুন। দেখছেন তো অবস্থা।’ তারপর আবার

খাদ্য হাইপারটেনশন প্রতিরোধে এবং হাইপারটেনশনের চিকিৎসায় ওষুধপত্রের সাথে সাথে খাদ্য ও শরীরচর্চার যথেষ্ট ভূমিকা আছে। যেসব খাবার উপকারীঃ হাইপারটেনশনে তাজা ফল যেমন- লেবু, পেয়ারা, আমলকী,

হাইপারটেনসিভ রোগীর মূল্যায়ন যখনই কারও হাইপারটেনশন ধরা পড়ে তখন তার আরও কিছু মূল্যায়ন জরুরী। কারণ হাইপারটেনশন হৃদপিণ্ড, মস্তিষ্ক ইত্যাদির ক্ষতি করে মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় হাইপারটেনশন (Pregnancy Induce Hypertension) গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহের পরে হবু মায়ের রক্তচাপ যদি >১৪০/৯০ মিলি মিটার পারদের বেশি হয় তাকে গর্ভাবস্থায় হাইপারটেনশন (Pregnancy Induce Hypertension)

আরো কিছু প্রশ্নোত্তর ডক্টরস ডায়লগে হাইপারটেনশন নিয়ে লেখার সময় পাঠকেরা অনেক প্রশ্ন করেছেন। আজকের পর্বে সে রকম কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো। ১) রক্তচাপ

হাইপারটেনসিভ আর্জেন্সি এবং এমারজেন্সি হাইপারটেনসিভ আর্জেন্সি এবং এমারজেন্সি দুটি একে অপরের থেকে আলাদা। যদিও দুই ক্ষেত্রেই রক্তচাপ অত্যাধিক বেশি হয়। দুটির চিকিৎসাও আলাদা। আরজেন্সির ক্ষেত্রে

হাইপারটেনশন ও কিডনি হাইপাটেনশনের জন্য কিডনির সমস্যা বা নেফ্রোপ্যাথি হয়। আবার কিডনির সমস্যার জন্যও হাইপারটেনশন হয়। কিডনির অসুখই সেকেন্ডারি হাইপারটেনশনের প্রধান কারণ। দীর্ঘ দিন ধরে

হাইপারটেনশন ও স্ট্রোক স্ট্রোক হলো হৃদরোগের পরেই হাইপারটেনশনের রোগীদের মৃত্যুর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কারণ। প্রতিবছর পৃথিবীতে অন্তত ৫০ লক্ষ মানুষ স্ট্রোকের ফলে মারা যান। এবং প্রায়

হাইপারটেনশন ও হৃদরোগ হাইপারটেনশনের রোগীদের মৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণ হৃদরোগ। রক্তচাপ বেশি থাকার জন্য শরীরে রক্তপ্রবাহ বজায় রাখার জন্য হৃদপিণ্ডকে বেশি কাজ করতে হয়। অতিরিক্ত

হাইপারটেনশন ও চোখ আরও একবার বলি, হাইপারটেনশন হল নিঃশব্দ ঘাতক। সাধারণত প্রথমে কোনো উপসর্গ না থাকলেও হাইপারটেনশন আমাদের দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি করে এবং হঠাৎ







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে