
ভাষার কাছে প্রার্থনা
ভাষা, তুমি ভাষা দাও সেই সব জিভে, ইদানিং জং যার কলমের নিব-এ, এক এক করে যায় আলো সব নিভে, তবু আঁধারের হয়ে দেয় হাততালি, ভাষা,

ভাষা, তুমি ভাষা দাও সেই সব জিভে, ইদানিং জং যার কলমের নিব-এ, এক এক করে যায় আলো সব নিভে, তবু আঁধারের হয়ে দেয় হাততালি, ভাষা,

সন্দেশখালিকে নিয়ে কোনো কবিতা হয় না। কবি কী লিখবেন শুনি? দু দশটা পংক্তি জুড়ে পর পর শুধু ছিঃ ছিঃ? নিজের সঙ্গে সে যে খেলা কানামাছি

মানুষকে আপোস করতেই হবে। হয় বিবেকের সাথে, অথবা স্বাচ্ছন্দের সাথে, কী মানবে আর কী এড়িয়ে যাবে, সেটা ব্যক্তির ওপর। তবে আপোস না করে কেউ পার

প্রতি চতুর্থ প্রজন্মে মানুষেরা পুনরায় উদ্বাস্তু হয়। যা তোমার ঘর বলে ভাবো, প্রপৌত্র-পৌত্রীর সেটা বাড়ি নয়, তারা চলে যাবে কোনো অন্য ভূমিতে,ভিন্ন প্রদেশ দেশ গাঁ

তিরিশটা শহর ভিখারিশূন্য হবে নাকি। বেশ বেশ। এগোচ্ছে তার মানে দেশ। সকলের হাতে কাজ, সব ঘরে রোজগার, সকলের পাতে ভাত, থালা ভরে রোজকার.. আহা ..

We the people of India.. আরে দাঁড়াও দাঁড়াও, মানে বোঝাও, টিকা এবং হিন্ট দিয়া.. ইন্ডিয়াই কি ভারত নাকি? বই পড়াতে দিলে ফাঁকি, এ প্রশ্নটা আসবে

বাবা, আমি বড় হয়ে গেছি। বহুদিন জিগেস করিনি, ফিক্সে কোথায় বেশি সুদ। বাবা আমি বড় হয়ে গেছি। গোলাপ জবার সার জানি,নিজে বাছি গাছের ওষুধ। আশা

বনের থেকে লিখছি তোমায়, সুজনেষু, আশা করি নাম ভোলোনি, অযোধ্যারাজ, আমার এখন একার জীবন, সংবাদে সু, ভ্রষ্টা বলে দেয় না খোঁটা গাছের সমাজ। সে এক

সারার ওষুধ ফুরিয়ে গিয়েছে সব, অসুখই এখন লোক ভাবে স্বাভাবিক। অতীতে ছড়িয়ে গলে পচে যাওয়া শব, দুর্বাসে ছায় নাক, অথচ অবাক, বর্তমানের ঘ্রাণে লাগে তাই

সুদাম চৌধুরি ব্যাধ নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারছিলো না! কলকাতার থেকে বাবুরা এসছেন তাকে বায়না করতে, তাকে বলা ভুল হলো, তাদের। তাদের মানে পুরো দলটাই, লক্ষ্মণ

আঠেরোই এপ্রিল, মনে আছে কারো কি, স্মৃতি থেকে মুছে গেছে স্বাধীনতা-স্মারকই, আঠেরোই এপ্রিল, ভারতের চাট-গাঁ, ব্রিটিশকে বলেছিলো পারিস তো আটকা, শাসকের ভাগ্যতে এনেছিলো দুর্যোগ বাঘা

সবলের পক্ষে বিচার গেলে পুলিশ আদালত ও রাষ্ট্র, সবার সুবিধা। দুর্বলের না থাকে পয়সার জোর, না ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস , কাঁপা হাতে পুনরায় কেনই বা

ভাষা, তুমি ভাষা দাও সেই সব জিভে, ইদানিং জং যার কলমের নিব-এ, এক এক করে যায় আলো সব নিভে, তবু আঁধারের হয়ে দেয় হাততালি, ভাষা,

সন্দেশখালিকে নিয়ে কোনো কবিতা হয় না। কবি কী লিখবেন শুনি? দু দশটা পংক্তি জুড়ে পর পর শুধু ছিঃ ছিঃ? নিজের সঙ্গে সে যে খেলা কানামাছি

মানুষকে আপোস করতেই হবে। হয় বিবেকের সাথে, অথবা স্বাচ্ছন্দের সাথে, কী মানবে আর কী এড়িয়ে যাবে, সেটা ব্যক্তির ওপর। তবে আপোস না করে কেউ পার

প্রতি চতুর্থ প্রজন্মে মানুষেরা পুনরায় উদ্বাস্তু হয়। যা তোমার ঘর বলে ভাবো, প্রপৌত্র-পৌত্রীর সেটা বাড়ি নয়, তারা চলে যাবে কোনো অন্য ভূমিতে,ভিন্ন প্রদেশ দেশ গাঁ

তিরিশটা শহর ভিখারিশূন্য হবে নাকি। বেশ বেশ। এগোচ্ছে তার মানে দেশ। সকলের হাতে কাজ, সব ঘরে রোজগার, সকলের পাতে ভাত, থালা ভরে রোজকার.. আহা ..

We the people of India.. আরে দাঁড়াও দাঁড়াও, মানে বোঝাও, টিকা এবং হিন্ট দিয়া.. ইন্ডিয়াই কি ভারত নাকি? বই পড়াতে দিলে ফাঁকি, এ প্রশ্নটা আসবে

বাবা, আমি বড় হয়ে গেছি। বহুদিন জিগেস করিনি, ফিক্সে কোথায় বেশি সুদ। বাবা আমি বড় হয়ে গেছি। গোলাপ জবার সার জানি,নিজে বাছি গাছের ওষুধ। আশা

বনের থেকে লিখছি তোমায়, সুজনেষু, আশা করি নাম ভোলোনি, অযোধ্যারাজ, আমার এখন একার জীবন, সংবাদে সু, ভ্রষ্টা বলে দেয় না খোঁটা গাছের সমাজ। সে এক

সারার ওষুধ ফুরিয়ে গিয়েছে সব, অসুখই এখন লোক ভাবে স্বাভাবিক। অতীতে ছড়িয়ে গলে পচে যাওয়া শব, দুর্বাসে ছায় নাক, অথচ অবাক, বর্তমানের ঘ্রাণে লাগে তাই

সুদাম চৌধুরি ব্যাধ নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারছিলো না! কলকাতার থেকে বাবুরা এসছেন তাকে বায়না করতে, তাকে বলা ভুল হলো, তাদের। তাদের মানে পুরো দলটাই, লক্ষ্মণ

আঠেরোই এপ্রিল, মনে আছে কারো কি, স্মৃতি থেকে মুছে গেছে স্বাধীনতা-স্মারকই, আঠেরোই এপ্রিল, ভারতের চাট-গাঁ, ব্রিটিশকে বলেছিলো পারিস তো আটকা, শাসকের ভাগ্যতে এনেছিলো দুর্যোগ বাঘা

সবলের পক্ষে বিচার গেলে পুলিশ আদালত ও রাষ্ট্র, সবার সুবিধা। দুর্বলের না থাকে পয়সার জোর, না ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস , কাঁপা হাতে পুনরায় কেনই বা







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে