
মাদাম কুরি
আজ, সাতই নভেম্বর, মাদাম কুরির জন্মদিন। তাঁর কথা প্রায় সকলে জানেন, মোটামুটি বিশদেই জানেন। কাজেই খুব বেশি বলার মতো কিছু নেই। হয়ত কিছুই লিখতাম না,

আজ, সাতই নভেম্বর, মাদাম কুরির জন্মদিন। তাঁর কথা প্রায় সকলে জানেন, মোটামুটি বিশদেই জানেন। কাজেই খুব বেশি বলার মতো কিছু নেই। হয়ত কিছুই লিখতাম না,

আজকের কাগজে সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে একটি ঘোষণার কথা পড়লাম। পুরোটা বুঝে উঠতে পারিনি। যেটুকু বুঝলাম – রোগী চিকিৎসার জন্যে হাসপাতালে এলে প্রথমেই দেখা হবে –

ডাক্তার গ্রামে যেতে চায় না। কথাটা খানিকটা সত্যি। কিন্তু কেন? প্রশ্নটা উল্টোদিক থেকে শুরু করুন। কেন যেতে চাইবে? চিকিৎসা বিজ্ঞানের পাঠ্যক্রম এমন দাঁড়িয়েছে, যা এক্কেবারে

কোভিড নিয়ে লিখতে লিখতে একেবারে তিতিবিরক্ত হয়ে গেছি। তবুও লিখলাম, খানিকটা পীড়াপীড়িতেই। কিছু কিছু অনুরোধ এমন আন্তরিক হয়, জাস্ট ফেলা যায় না। অনুরোধটা ছিল, একটা

সংরক্ষণ বা কোটা নিয়ে ভাবছিলাম। কোটা তো ক্রমশই বাড়ছে, বেড়েই চলেছে। লাভ কিছু হচ্ছে কি? হলেও, কাদের হচ্ছে? কোটা দিয়ে একেবারেই কিছু লাভ হয়নি, এমন

দ্বিশতবার্ষিকীতে ফিরে দেখা প্রসঙ্গে মেন্ডেলকে নিয়ে একখানা লেখা পোস্ট করেছিলাম। যথেষ্ট বড় সে লেখা। ফেসবুকের নিরিখে অতিদীর্ঘ, সম্ভবত। কিন্তু, এও অনস্বীকার্য, গ্রেগর যোহান মেন্ডেল বা

গ্রেগর যোহান মেন্ডেল। আধুনিক জিনশাস্ত্রের জনক। দুশো বছরে পা দিলেন। আধুনিক জীবনবিজ্ঞানের ধারায় তাঁর গবেষণার গুরুত্ব বা অবদান নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। তাঁর

“Only a crisis – actual or perceived – produces real change. When that crisis occurs, the actions that are taken depend on the ideas that

কাল ছিল মে-দিবস। শ্রমিকদের দিন। স্বাস্থ্যকর্মীদের শ্রমিক বলা যায় কিনা, প্রথাগত সংজ্ঞা অনুসারে তাঁরা শ্রমিক পদবাচ্য কিনা, সেসব আলোচনা তাত্ত্বিক-বিশেষজ্ঞরা করুন। কিন্তু আজ, এবছরের মে-দিবসে,

দেশে এবং রাজ্যে কোভিড পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর। দেশে দৈনিক আক্রান্ত তিন লক্ষেরও বেশী। রাজ্যে প্রায় বারো হাজার। সরকারি হিসেবেই রাজ্যে রোজ মারা যাচ্ছেন পঞ্চাশের বেশী। মৃত্যুর

২০১৫ সাল। চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতলেন চিনদেশের এক বিজ্ঞানী। মহিলা বিজ্ঞানী। চিনদেশের প্রথম বিজ্ঞানী, যিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত হলেন। কে? তিনি কে, সে বিষয়ে

হাইকোর্ট রায় দিয়েছেন। তাঁদের কাজ রায় দেওয়া – করেছেন। তাতে কী এলো গেল!! ওরকম রায় তো রবীন্দ্রসরোবরে ছটপুজো নিয়েও এসেছিল। কী ক্ষতিবৃদ্ধি হয়েছিল তাতে? সাধারণভাবে

আজ, সাতই নভেম্বর, মাদাম কুরির জন্মদিন। তাঁর কথা প্রায় সকলে জানেন, মোটামুটি বিশদেই জানেন। কাজেই খুব বেশি বলার মতো কিছু নেই। হয়ত কিছুই লিখতাম না,

আজকের কাগজে সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে একটি ঘোষণার কথা পড়লাম। পুরোটা বুঝে উঠতে পারিনি। যেটুকু বুঝলাম – রোগী চিকিৎসার জন্যে হাসপাতালে এলে প্রথমেই দেখা হবে –

ডাক্তার গ্রামে যেতে চায় না। কথাটা খানিকটা সত্যি। কিন্তু কেন? প্রশ্নটা উল্টোদিক থেকে শুরু করুন। কেন যেতে চাইবে? চিকিৎসা বিজ্ঞানের পাঠ্যক্রম এমন দাঁড়িয়েছে, যা এক্কেবারে

কোভিড নিয়ে লিখতে লিখতে একেবারে তিতিবিরক্ত হয়ে গেছি। তবুও লিখলাম, খানিকটা পীড়াপীড়িতেই। কিছু কিছু অনুরোধ এমন আন্তরিক হয়, জাস্ট ফেলা যায় না। অনুরোধটা ছিল, একটা

সংরক্ষণ বা কোটা নিয়ে ভাবছিলাম। কোটা তো ক্রমশই বাড়ছে, বেড়েই চলেছে। লাভ কিছু হচ্ছে কি? হলেও, কাদের হচ্ছে? কোটা দিয়ে একেবারেই কিছু লাভ হয়নি, এমন

দ্বিশতবার্ষিকীতে ফিরে দেখা প্রসঙ্গে মেন্ডেলকে নিয়ে একখানা লেখা পোস্ট করেছিলাম। যথেষ্ট বড় সে লেখা। ফেসবুকের নিরিখে অতিদীর্ঘ, সম্ভবত। কিন্তু, এও অনস্বীকার্য, গ্রেগর যোহান মেন্ডেল বা

গ্রেগর যোহান মেন্ডেল। আধুনিক জিনশাস্ত্রের জনক। দুশো বছরে পা দিলেন। আধুনিক জীবনবিজ্ঞানের ধারায় তাঁর গবেষণার গুরুত্ব বা অবদান নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। তাঁর

“Only a crisis – actual or perceived – produces real change. When that crisis occurs, the actions that are taken depend on the ideas that

কাল ছিল মে-দিবস। শ্রমিকদের দিন। স্বাস্থ্যকর্মীদের শ্রমিক বলা যায় কিনা, প্রথাগত সংজ্ঞা অনুসারে তাঁরা শ্রমিক পদবাচ্য কিনা, সেসব আলোচনা তাত্ত্বিক-বিশেষজ্ঞরা করুন। কিন্তু আজ, এবছরের মে-দিবসে,

দেশে এবং রাজ্যে কোভিড পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর। দেশে দৈনিক আক্রান্ত তিন লক্ষেরও বেশী। রাজ্যে প্রায় বারো হাজার। সরকারি হিসেবেই রাজ্যে রোজ মারা যাচ্ছেন পঞ্চাশের বেশী। মৃত্যুর

২০১৫ সাল। চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতলেন চিনদেশের এক বিজ্ঞানী। মহিলা বিজ্ঞানী। চিনদেশের প্রথম বিজ্ঞানী, যিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত হলেন। কে? তিনি কে, সে বিষয়ে

হাইকোর্ট রায় দিয়েছেন। তাঁদের কাজ রায় দেওয়া – করেছেন। তাতে কী এলো গেল!! ওরকম রায় তো রবীন্দ্রসরোবরে ছটপুজো নিয়েও এসেছিল। কী ক্ষতিবৃদ্ধি হয়েছিল তাতে? সাধারণভাবে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে