
স্রেফ রাগ আর ঘেন্না
সত্যি বলছি, শুরুতে মনখারাপ হচ্ছিল। আর খুব খুউব কষ্ট। তার পরের ধাপে, খুব রাগ হচ্ছিল। সাঙ্ঘাতিক রাগ – এবং অক্ষম একটা রাগ। এবং তারও পর,

সত্যি বলছি, শুরুতে মনখারাপ হচ্ছিল। আর খুব খুউব কষ্ট। তার পরের ধাপে, খুব রাগ হচ্ছিল। সাঙ্ঘাতিক রাগ – এবং অক্ষম একটা রাগ। এবং তারও পর,

আরজিকর কাণ্ডের পনের দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর, আমার যেটুকু ব্যক্তিগত উপলব্ধি, তাতে মনে হয়, সেই রাত্রে ঠিক কীভাবে কী ঘটেছিল, তা কখনোই প্রকাশ্যে আসবে না।

দু’হাজার চব্বিশের আগস্ট মাসের নয় তারিখ। অনভিপ্রেত একটি দুর্ঘটনা ঘটে যায় রাজ্যের একটি হাসপাতালে। একটি মেডিকেল কলেজে। খবরটা সবাই জানেন, পুনরুল্লেখ নিষ্প্রয়োজন। দুর্ঘটনা হলেও ব্যাপারটা

প্রবল বৃষ্টি। নাইট অন-কল। অন-কল ডিউটি বলতে হস্টেলের ঘরে থাকা, প্রস্তুত থাকা, দরকার পড়লে সিস্টার দিদি কলবুক পাঠাবেন, সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছে যেতে হয়। ধরুন সেই

হোয়াটসঅ্যাপে একটি ছবি প্রায় ভাইরাল হয়ে ঘুরছে। শিরোনাম, স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট। সেখানে, প্রত্যাশিতভাবেই, কিছু চিকিৎসকের নাম। কেননা স্বাস্থ্যব্যবস্থা আদতে টিমওয়ার্ক হলেও সেখানে ডাক্তারের স্থান অবিসংবাদিত নেতার।

কোনও একটি আবাসনের বেনিয়ম নিয়ে লড়াই করার সময় আবিষ্কৃত হয়েছিল, তৎকালীন আবাসন-মন্ত্রী তথা রাজ্য আবাসন পর্ষদের চেয়ারম্যান কলকাতা পুরসভার তৎকালীন মেয়রের কাছ থেকে কিছু অনুমতি

ভোর রাত। সেমিনার রুম। দরজায় কে যেন নক করল। ভেতরে অনডিউটি ডাক্তার। ক্লান্ত। এখন আবার কে!! একজনই। ভেতরে ডাক্তার একা, দরজার বাইরে যে, সে-ও একা।

পুলিশের প্ল্যান্ট করা ছোট ছোট ইনফরমেশন নিয়ে ইলেকট্রনিক মিডিয়া নিজেদের দৈনন্দিন ‘ব্রেকিং নিউজ’-এর খাঁই মেটাচ্ছে – এরকম আগে কখনও হতে দেখিনি, এমন নয়। কিন্তু এবারের

আরজিকর-এর ঘটনা থেকে কিছু শিক্ষা আপনারা সবাই নিতে পারেন। আপনারা বলতে অন্তত তাঁরা, যাঁদের মেয়ে/দিদি/বোন/স্ত্রী – এককথায় বাড়ির/ প্রিয় যেকোনও মহিলা (বা পুরুষও) – ডাক্তার/নার্স/কোনো-না-কোনও

লোকজন এতরকমের খাদ্যবস্তু নিয়ে এত এত কথা লেখে – বিরিয়ানি কাবাব কষা-মাংস থেকে শুরু করে পান্তাভাত খিচুড়ি অবধি – আর ফুড-ভ্লগারদের দাপটে তো ফেসবুক-জীবন বিষময়

হোয়াটসঅ্যাপ খুললেই দেখবেন, নিচে ডানদিকে জ্বলজ্বল করছে নীল-বেগুনী-গোলাপি একটি বৃত্ত। মেটা এ-আই। যা খুশি প্রশ্ন করুন – ‘আস্ক মেটা এনিথিং’ – মেটা উত্তর নিয়ে হাজির।

কোভিডের সময় – বিশেষত লকডাউনের সময় – আমরা জানতে পারলাম, পরিযায়ী শ্রমিক বলে একটা প্রজাতি বর্তমান। আমরা, অর্থাৎ শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সমাজ – যাদের দেখার বৃত্তটুকু

সত্যি বলছি, শুরুতে মনখারাপ হচ্ছিল। আর খুব খুউব কষ্ট। তার পরের ধাপে, খুব রাগ হচ্ছিল। সাঙ্ঘাতিক রাগ – এবং অক্ষম একটা রাগ। এবং তারও পর,

আরজিকর কাণ্ডের পনের দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর, আমার যেটুকু ব্যক্তিগত উপলব্ধি, তাতে মনে হয়, সেই রাত্রে ঠিক কীভাবে কী ঘটেছিল, তা কখনোই প্রকাশ্যে আসবে না।

দু’হাজার চব্বিশের আগস্ট মাসের নয় তারিখ। অনভিপ্রেত একটি দুর্ঘটনা ঘটে যায় রাজ্যের একটি হাসপাতালে। একটি মেডিকেল কলেজে। খবরটা সবাই জানেন, পুনরুল্লেখ নিষ্প্রয়োজন। দুর্ঘটনা হলেও ব্যাপারটা

প্রবল বৃষ্টি। নাইট অন-কল। অন-কল ডিউটি বলতে হস্টেলের ঘরে থাকা, প্রস্তুত থাকা, দরকার পড়লে সিস্টার দিদি কলবুক পাঠাবেন, সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছে যেতে হয়। ধরুন সেই

হোয়াটসঅ্যাপে একটি ছবি প্রায় ভাইরাল হয়ে ঘুরছে। শিরোনাম, স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট। সেখানে, প্রত্যাশিতভাবেই, কিছু চিকিৎসকের নাম। কেননা স্বাস্থ্যব্যবস্থা আদতে টিমওয়ার্ক হলেও সেখানে ডাক্তারের স্থান অবিসংবাদিত নেতার।

কোনও একটি আবাসনের বেনিয়ম নিয়ে লড়াই করার সময় আবিষ্কৃত হয়েছিল, তৎকালীন আবাসন-মন্ত্রী তথা রাজ্য আবাসন পর্ষদের চেয়ারম্যান কলকাতা পুরসভার তৎকালীন মেয়রের কাছ থেকে কিছু অনুমতি

ভোর রাত। সেমিনার রুম। দরজায় কে যেন নক করল। ভেতরে অনডিউটি ডাক্তার। ক্লান্ত। এখন আবার কে!! একজনই। ভেতরে ডাক্তার একা, দরজার বাইরে যে, সে-ও একা।

পুলিশের প্ল্যান্ট করা ছোট ছোট ইনফরমেশন নিয়ে ইলেকট্রনিক মিডিয়া নিজেদের দৈনন্দিন ‘ব্রেকিং নিউজ’-এর খাঁই মেটাচ্ছে – এরকম আগে কখনও হতে দেখিনি, এমন নয়। কিন্তু এবারের

আরজিকর-এর ঘটনা থেকে কিছু শিক্ষা আপনারা সবাই নিতে পারেন। আপনারা বলতে অন্তত তাঁরা, যাঁদের মেয়ে/দিদি/বোন/স্ত্রী – এককথায় বাড়ির/ প্রিয় যেকোনও মহিলা (বা পুরুষও) – ডাক্তার/নার্স/কোনো-না-কোনও

লোকজন এতরকমের খাদ্যবস্তু নিয়ে এত এত কথা লেখে – বিরিয়ানি কাবাব কষা-মাংস থেকে শুরু করে পান্তাভাত খিচুড়ি অবধি – আর ফুড-ভ্লগারদের দাপটে তো ফেসবুক-জীবন বিষময়

হোয়াটসঅ্যাপ খুললেই দেখবেন, নিচে ডানদিকে জ্বলজ্বল করছে নীল-বেগুনী-গোলাপি একটি বৃত্ত। মেটা এ-আই। যা খুশি প্রশ্ন করুন – ‘আস্ক মেটা এনিথিং’ – মেটা উত্তর নিয়ে হাজির।

কোভিডের সময় – বিশেষত লকডাউনের সময় – আমরা জানতে পারলাম, পরিযায়ী শ্রমিক বলে একটা প্রজাতি বর্তমান। আমরা, অর্থাৎ শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সমাজ – যাদের দেখার বৃত্তটুকু







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে