
কিছু কিছু মুহূর্ত এমন আসে, যখন পক্ষ নিতে হয়।
গতকাল আদালতে সিবিআই চার্জশিট দাখিল করেছেন। মিডিয়ার সুবাদে যেটুকু জানলাম, প্রাথমিকভাবে সন্দেহভাজন হিসেবে ধৃত সঞ্জয়ের নামটুকুই সেখানে রয়েছে। হ্যাঁ, বৃহত্তর চক্রান্তে আরও অনেক নাম জড়িত

গতকাল আদালতে সিবিআই চার্জশিট দাখিল করেছেন। মিডিয়ার সুবাদে যেটুকু জানলাম, প্রাথমিকভাবে সন্দেহভাজন হিসেবে ধৃত সঞ্জয়ের নামটুকুই সেখানে রয়েছে। হ্যাঁ, বৃহত্তর চক্রান্তে আরও অনেক নাম জড়িত

আলিপুর বডিগার্ড লাইন-এ পুলিশের সভায়, মাননীয়া, দেখলাম, হাস্যোজ্জ্বল মুখে বলছেন – “কুত্তা ভোঁখে হাজার…”। মাননীয়ার এই এক মহৎ গুণ। চট করে কম কথায় শ্রোতার মনে

বাংলা কথাটা হলো – নগর পুড়িলে দেবালয়ে কি এড়ায় – অর্থাৎ, সমাজের বাকি সব ক্ষেত্র ঘুষখোর তোলাবাজ চিটিংবাজদের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠবে, কিন্তু চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যশিক্ষার

একটু অপ্রিয় কথা, যেটা এখুনি না বললেই নয়। কোনও নির্দিষ্ট পেশাজীবি/জনগোষ্ঠীর আন্দোলনই শাসককে বিচলিত করতে পারে না, যতদিন না সে আন্দোলন সমাজের বাকি অংশের সমর্থন

যেসব চিকিৎসকরা এরপরও শাসকদলের চাটুকারিতা করে চলবেন, তাঁদের মনে করিয়ে দিই : তেল মেরে ডাক্তারদের দীর্ঘমেয়াদী সুবিধে হওয়া মুশকিল, কেননা ডাক্তার, তিনি যে পদেই থাকুন

অনেকগুলো ছোটবড় লড়াই মিলেই যুদ্ধ – এমনকি যুদ্ধের মধ্যেও অনেকগুলো ফ্রন্ট, সেই প্রতিটি ফ্রন্টে অনেকগুলো লড়াই। প্রতিটি লড়াই গুরুত্বপূর্ণ – কেননা লড়াইগুলো না জিতে একটা

মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী অবশেষে ধর্ণামঞ্চে এলেন। অসাধারণ পদক্ষেপ। না, এতটুকু শ্লেষ নিয়ে বলছি না। খুব অনেস্টলি বলছি, মাননীয়ার এই পদক্ষেপ আমার অসাধারণ মনে হয়েছে।

কলকাতা বা শহরতলীর বাসিন্দা হলে দিন ও রাতের যে কোনও একটা সময়, অবশ্যই, অতি অবশ্যই, দশ মিনিটের জন্য হলেও, স্বাস্থ্যভবনের সামনে থেকে ঘুরে আসুন। বাড়ি

“বৃহত্তর স্বার্থে” ছাত্রছাত্রীদের আলোচনায় রাজি হওয়া উচিত ছিল। যা-ই বলুন, জনগণের টাকায় মাইনে পায় – কর্মবিরতিতে মানুষের এত অসুবিধে হচ্ছে – কাজে তো ফিরতে হবে,

দেখুন, অনেক হয়েছে। অনেকদিন হয়েছে। এবারে আন্দোলনের ধ্যাষ্টামো ছেড়ে উৎসবে ফিরুন। রোজ রোজ মিছিল করলে – আন্দোলন করলে – মানুষের অসুবিধে হয়। এটুকুও বোঝেন না?

এই আন্দোলন এমন অভাবনীয় উচ্চতায় পৌঁছেছে – সমাজের সব অংশের মানুষের পবিত্র ক্রোধ যেভাবে প্রকাশ পাচ্ছে – যে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখছি প্রতি মুহূর্তে – তাতে

এ পুলিশ কেমন পুলিশ, পেছন দিকের দরজা ধরো এ কেমন চাকরি তোমার, মিথ্যে কথার আবাদ করো এ পুলিশ কেমন পুলিশ, খিড়কি দিয়ে পালিয়ে বাঁচা প্রমাণ

গতকাল আদালতে সিবিআই চার্জশিট দাখিল করেছেন। মিডিয়ার সুবাদে যেটুকু জানলাম, প্রাথমিকভাবে সন্দেহভাজন হিসেবে ধৃত সঞ্জয়ের নামটুকুই সেখানে রয়েছে। হ্যাঁ, বৃহত্তর চক্রান্তে আরও অনেক নাম জড়িত

আলিপুর বডিগার্ড লাইন-এ পুলিশের সভায়, মাননীয়া, দেখলাম, হাস্যোজ্জ্বল মুখে বলছেন – “কুত্তা ভোঁখে হাজার…”। মাননীয়ার এই এক মহৎ গুণ। চট করে কম কথায় শ্রোতার মনে

বাংলা কথাটা হলো – নগর পুড়িলে দেবালয়ে কি এড়ায় – অর্থাৎ, সমাজের বাকি সব ক্ষেত্র ঘুষখোর তোলাবাজ চিটিংবাজদের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠবে, কিন্তু চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যশিক্ষার

একটু অপ্রিয় কথা, যেটা এখুনি না বললেই নয়। কোনও নির্দিষ্ট পেশাজীবি/জনগোষ্ঠীর আন্দোলনই শাসককে বিচলিত করতে পারে না, যতদিন না সে আন্দোলন সমাজের বাকি অংশের সমর্থন

যেসব চিকিৎসকরা এরপরও শাসকদলের চাটুকারিতা করে চলবেন, তাঁদের মনে করিয়ে দিই : তেল মেরে ডাক্তারদের দীর্ঘমেয়াদী সুবিধে হওয়া মুশকিল, কেননা ডাক্তার, তিনি যে পদেই থাকুন

অনেকগুলো ছোটবড় লড়াই মিলেই যুদ্ধ – এমনকি যুদ্ধের মধ্যেও অনেকগুলো ফ্রন্ট, সেই প্রতিটি ফ্রন্টে অনেকগুলো লড়াই। প্রতিটি লড়াই গুরুত্বপূর্ণ – কেননা লড়াইগুলো না জিতে একটা

মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী অবশেষে ধর্ণামঞ্চে এলেন। অসাধারণ পদক্ষেপ। না, এতটুকু শ্লেষ নিয়ে বলছি না। খুব অনেস্টলি বলছি, মাননীয়ার এই পদক্ষেপ আমার অসাধারণ মনে হয়েছে।

কলকাতা বা শহরতলীর বাসিন্দা হলে দিন ও রাতের যে কোনও একটা সময়, অবশ্যই, অতি অবশ্যই, দশ মিনিটের জন্য হলেও, স্বাস্থ্যভবনের সামনে থেকে ঘুরে আসুন। বাড়ি

“বৃহত্তর স্বার্থে” ছাত্রছাত্রীদের আলোচনায় রাজি হওয়া উচিত ছিল। যা-ই বলুন, জনগণের টাকায় মাইনে পায় – কর্মবিরতিতে মানুষের এত অসুবিধে হচ্ছে – কাজে তো ফিরতে হবে,

দেখুন, অনেক হয়েছে। অনেকদিন হয়েছে। এবারে আন্দোলনের ধ্যাষ্টামো ছেড়ে উৎসবে ফিরুন। রোজ রোজ মিছিল করলে – আন্দোলন করলে – মানুষের অসুবিধে হয়। এটুকুও বোঝেন না?

এই আন্দোলন এমন অভাবনীয় উচ্চতায় পৌঁছেছে – সমাজের সব অংশের মানুষের পবিত্র ক্রোধ যেভাবে প্রকাশ পাচ্ছে – যে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখছি প্রতি মুহূর্তে – তাতে

এ পুলিশ কেমন পুলিশ, পেছন দিকের দরজা ধরো এ কেমন চাকরি তোমার, মিথ্যে কথার আবাদ করো এ পুলিশ কেমন পুলিশ, খিড়কি দিয়ে পালিয়ে বাঁচা প্রমাণ







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে