
হাড়ের মাঝখানে ব্যথা
অস্থিসন্ধি এবং মেরুদন্ড ছাড়াও লম্বা হাড়ের মাঝামাঝিও ব্যথা হতে পারে। এই মাঝহাড়ে ব্যথা শিশু,যুবা, বৃদ্ধ সকল বয়সেই হতে পারে। এই ধরণের ব্যথারও নানান কারণ থাকে।

অস্থিসন্ধি এবং মেরুদন্ড ছাড়াও লম্বা হাড়ের মাঝামাঝিও ব্যথা হতে পারে। এই মাঝহাড়ে ব্যথা শিশু,যুবা, বৃদ্ধ সকল বয়সেই হতে পারে। এই ধরণের ব্যথারও নানান কারণ থাকে।

এই লেখা শুরু করব একটা গল্প দিয়ে। এটা কারও কারও মজার বলে মনে হতে পারে। কিন্তু আসলে মোটেই মজার গল্প নয়। কয়েক মাস আগে বছর

রোগী দেখা শেষ করে সবে রুটি আর ঝিঙেপোস্ত দিয়ে লাঞ্চ সারছি চেম্বারে বসেই, এমন সময় কম্পিউটারের স্ক্রীনে ভেসে উঠল আপডেট- ‘মহামান্য হাইকোর্ট রানী রাসমনি রোডে

আজ খুব সকালে ঘুম ভাঙ্গল বড়দিদি স্থানীয়া এক রোগীনির ফোনে। তাঁর দু-পায়ের হাঁটু বদলে দেওয়ায় তিনি এখন সুস্থ। বললেন, “শুভ বিজয়া, ভালো থাকবেন।” একটু থতমত

সেই রাস্তায় আবার আমরা ফিরে আসব। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত সেই রাজপথে শুনব তারুণ্যের গর্জন। কেঁপে উঠবে আশেপাশের দেওয়ালের ইট গুলো। কাঁপতে কাঁপতে বলে ফেলবে অপরাধীদের

বাড়ি ফিরেই আবার নেমে পড়লাম আন্দোলনে। এমন অভ্যেস নেই বহুকাল। মিছিলে হেঁটে মাঝে মাঝে পায়ে ব্যথা হয়। অনভ্যাসের কাঁটা শতগুণ হয়ে ফোটে পায়ে। কিন্ত বিচার

আমাদের ভাই-বোনেরা (আমি তাদের জুনিয়র বলতে রাজি নই) যা করে দেখাল, তা আমাদের এবং আমাদের আগের প্রজন্ম কোনোদিন ভাবতেও পারে নি।তার একটা বিরাট কারণ সারা

‘তবে যে ওরা বলল- আপনি ওদের ছাত্র!’ ‘ঠিক-ই বলেছে।’ ‘মানে, ওরা তো আপনার চেয়ে বয়েসে অনেক ছোট মনে হল।’ আমার চেম্বারে উল্টোদিকের চেয়ারে বসে খুব

দৃশ্য -১ ভদ্রলোককে দেখে চিনতেই পারিনি। মাথাভর্তি পাকা চুল, পাকা ভ্রূ, চোখের চারদিকের কোঁচকানো চামড়া, অথচ এমন দৃপ্ত ভঙ্গিমায় আমার চেম্বারে প্রবেশ আমাকে ক্ষণিকের জন্য

প্রথম রোগী ‘বুঝলেন ডাক্তারবাবু, ভুল চিকিৎসার জন্যে আজ আমার এত কোমরে ব্যথা।’ নতুন রোগী। মধ্যবয়স্ক পুরুষ। বেশ দোহারা চেহারা। মাথায় কাঁচাপাকা চুল। বয়স ছাপ্পান্ন। বছর

২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২২। মুখোমুখি দেখা হয়েছিল একটা শ্রুতিনাটকের রিহার্সালে। আমাদের একসঙ্গে ‘তাহার নামটি রঞ্জনা’ করার কথা ছিল ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে। তরুণ বয়স।অত্যন্ত প্রতিভাবান, প্রবল প্রাণশক্তির

ভার্টিগো বা মাথা ঘোরা এক অত্যন্ত পরিচিত উপসর্গ যা অনেক মানুষেরই হয়ে থাকে। এই বিষয়ে আলফ্রেড হিচকক এক সুপারহিট সিনেমা বানিয়েছিলেন গত শতাব্দীর পাঁচের দশকে।

অস্থিসন্ধি এবং মেরুদন্ড ছাড়াও লম্বা হাড়ের মাঝামাঝিও ব্যথা হতে পারে। এই মাঝহাড়ে ব্যথা শিশু,যুবা, বৃদ্ধ সকল বয়সেই হতে পারে। এই ধরণের ব্যথারও নানান কারণ থাকে।

এই লেখা শুরু করব একটা গল্প দিয়ে। এটা কারও কারও মজার বলে মনে হতে পারে। কিন্তু আসলে মোটেই মজার গল্প নয়। কয়েক মাস আগে বছর

রোগী দেখা শেষ করে সবে রুটি আর ঝিঙেপোস্ত দিয়ে লাঞ্চ সারছি চেম্বারে বসেই, এমন সময় কম্পিউটারের স্ক্রীনে ভেসে উঠল আপডেট- ‘মহামান্য হাইকোর্ট রানী রাসমনি রোডে

আজ খুব সকালে ঘুম ভাঙ্গল বড়দিদি স্থানীয়া এক রোগীনির ফোনে। তাঁর দু-পায়ের হাঁটু বদলে দেওয়ায় তিনি এখন সুস্থ। বললেন, “শুভ বিজয়া, ভালো থাকবেন।” একটু থতমত

সেই রাস্তায় আবার আমরা ফিরে আসব। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত সেই রাজপথে শুনব তারুণ্যের গর্জন। কেঁপে উঠবে আশেপাশের দেওয়ালের ইট গুলো। কাঁপতে কাঁপতে বলে ফেলবে অপরাধীদের

বাড়ি ফিরেই আবার নেমে পড়লাম আন্দোলনে। এমন অভ্যেস নেই বহুকাল। মিছিলে হেঁটে মাঝে মাঝে পায়ে ব্যথা হয়। অনভ্যাসের কাঁটা শতগুণ হয়ে ফোটে পায়ে। কিন্ত বিচার

আমাদের ভাই-বোনেরা (আমি তাদের জুনিয়র বলতে রাজি নই) যা করে দেখাল, তা আমাদের এবং আমাদের আগের প্রজন্ম কোনোদিন ভাবতেও পারে নি।তার একটা বিরাট কারণ সারা

‘তবে যে ওরা বলল- আপনি ওদের ছাত্র!’ ‘ঠিক-ই বলেছে।’ ‘মানে, ওরা তো আপনার চেয়ে বয়েসে অনেক ছোট মনে হল।’ আমার চেম্বারে উল্টোদিকের চেয়ারে বসে খুব

দৃশ্য -১ ভদ্রলোককে দেখে চিনতেই পারিনি। মাথাভর্তি পাকা চুল, পাকা ভ্রূ, চোখের চারদিকের কোঁচকানো চামড়া, অথচ এমন দৃপ্ত ভঙ্গিমায় আমার চেম্বারে প্রবেশ আমাকে ক্ষণিকের জন্য

প্রথম রোগী ‘বুঝলেন ডাক্তারবাবু, ভুল চিকিৎসার জন্যে আজ আমার এত কোমরে ব্যথা।’ নতুন রোগী। মধ্যবয়স্ক পুরুষ। বেশ দোহারা চেহারা। মাথায় কাঁচাপাকা চুল। বয়স ছাপ্পান্ন। বছর

২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২২। মুখোমুখি দেখা হয়েছিল একটা শ্রুতিনাটকের রিহার্সালে। আমাদের একসঙ্গে ‘তাহার নামটি রঞ্জনা’ করার কথা ছিল ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে। তরুণ বয়স।অত্যন্ত প্রতিভাবান, প্রবল প্রাণশক্তির

ভার্টিগো বা মাথা ঘোরা এক অত্যন্ত পরিচিত উপসর্গ যা অনেক মানুষেরই হয়ে থাকে। এই বিষয়ে আলফ্রেড হিচকক এক সুপারহিট সিনেমা বানিয়েছিলেন গত শতাব্দীর পাঁচের দশকে।







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে