
তিস্তাপারের সেই দিনগুলো আর নেই
দুই যুগ আগের সেই যৌবনবতী তিস্তা আজ আর নেই। তার বুক চিরে তৈরী হয়েছে ব্যারেজ। শুষ্ক বুকে চর পড়ছে। ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে তার কটাক্ষ বিদ্যুৎ।

দুই যুগ আগের সেই যৌবনবতী তিস্তা আজ আর নেই। তার বুক চিরে তৈরী হয়েছে ব্যারেজ। শুষ্ক বুকে চর পড়ছে। ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে তার কটাক্ষ বিদ্যুৎ।

Doctor, heal thyself কিন্তু দমকলেই যদি আগুন লাগে, সে আগুন নেভাবে কে? নেভানোর প্রসঙ্গে পরে আসছি। আগুন যে লাগতে পারে, আগুন লাগে এবং লেগেছে—একথা সমাজ,

অন্যের উপর খবরদারি এবং দাদাগিরি করাটা বোধহয় ‘হোমো স্যাপিয়েন্স’ বা বর্তমান মনুষ্যপ্রজাতির জিনগত বদভ্যাস। আমাদের শহরে বা গ্রামে থাকতে ভালো লাগে এবং সুবিধে হয় বলে

……ভোর হয়ে এসেছে। সিবি আপ ওয়ার্ড (দোতলা) থেকে নেমে এমার্জেন্সীর ঘুমন্ত ইন্টার্ন পিজিটি দের পাশ কাটিয়ে বাইরে এলাম। এমসিএইচ বিল্ডিং-এর সিঁড়িতে চা-ওয়ালা চাচা তখনও বসে।

সে অনেকদিন আগেকার কথা। মোবাইল ফোন তখনো হাতে গোনা কয়েকজনের হাতে। আর স্মার্টফোন ভবিষ্যতের গর্ভে। জরুরী ক্ষেত্রে এমার্জেন্সী বা ওয়ার্ড থেকে রাতবিরেতে জুনিয়র ডাক্তার বা

‘ডাক্তার বাবু একসপ্তাহ ধরে কোমরে অল্প অল্প ব্যথা হচ্ছিল। ভেবেছিলাম কমে যাবে। কিন্তু কাল থেকে ডানপায়ে এমন যন্ত্রণা শুরু হয়েছে যে পায়ের আঙুল পর্যন্ত কনকন

পড়ে গিয়ে, খেলতে গিয়ে অথবা দুর্ঘটনা ঘটে হাত-পা তো অনেকের-ই ভেঙে যায়। হাত-পা ছাড়াও মেরুদন্ড – অর্থ্যাৎ ঘাড়,পিঠ,কোমর- এছাড়া কাঁকাল ও মাথার খুলির হাড়ও কখনো
‘স্যার, সোমবার ওর অপারেশনটা কখন করবেন ?’ অল্পবয়স্ক মেয়েটি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে খুব আত্মবিশ্বাসের সাথে বলল। আমার সামনেই টেবিলের উপরে একটা ক্যালেন্ডার এবং প্ল্যানার

গাছ থেকে পড়ে, খাট থেকে পড়ে, স্কুটার থেকে পড়ে নানান রকম ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে। সেগুলো অনেক সময়েই খুব সিরিয়াস হয়ে থাকে। আপাততঃ ওই প্রসঙ্গ

এটা হল ‘প্ল্যান্টার ফ্যাসা’ -র ক্ষয় জনিত সমস্যা। ‘প্ল্যান্টার ফ্যাসা’ একটা মোটা এবং টানটান পর্দার মত টিস্যু যেটা পায়ের তলার আর্চ, শরীরের ওজন এবং চলনের

গতকাল এক বয়স্ক মহিলা এসেছিলেন দেখাতে। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ঢুকলেন চেম্বারে। সম্ভবতঃ হাঁটুর সমস্যা। সঙ্গে এক কমবয়সী মহিলা। মেয়ে কিম্বা বৌমা হবে! কমবয়সী মহিলা হি*জাব পরিহিতা।

ভালোপাহাড়ের স্কুল। এক থেকে আট। একশ কুড়ি জন ছাত্র ও ছাত্রী। আগে আবাসিক ছিল। কোভিডের পরে ডে-স্কুল। বাংলা- ঝাড়খন্ড সীমান্তে জঙ্গল পাহাড়ের প্রত্যন্ত গ্রামের বাচ্চা

দুই যুগ আগের সেই যৌবনবতী তিস্তা আজ আর নেই। তার বুক চিরে তৈরী হয়েছে ব্যারেজ। শুষ্ক বুকে চর পড়ছে। ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে তার কটাক্ষ বিদ্যুৎ।

Doctor, heal thyself কিন্তু দমকলেই যদি আগুন লাগে, সে আগুন নেভাবে কে? নেভানোর প্রসঙ্গে পরে আসছি। আগুন যে লাগতে পারে, আগুন লাগে এবং লেগেছে—একথা সমাজ,

অন্যের উপর খবরদারি এবং দাদাগিরি করাটা বোধহয় ‘হোমো স্যাপিয়েন্স’ বা বর্তমান মনুষ্যপ্রজাতির জিনগত বদভ্যাস। আমাদের শহরে বা গ্রামে থাকতে ভালো লাগে এবং সুবিধে হয় বলে

……ভোর হয়ে এসেছে। সিবি আপ ওয়ার্ড (দোতলা) থেকে নেমে এমার্জেন্সীর ঘুমন্ত ইন্টার্ন পিজিটি দের পাশ কাটিয়ে বাইরে এলাম। এমসিএইচ বিল্ডিং-এর সিঁড়িতে চা-ওয়ালা চাচা তখনও বসে।

সে অনেকদিন আগেকার কথা। মোবাইল ফোন তখনো হাতে গোনা কয়েকজনের হাতে। আর স্মার্টফোন ভবিষ্যতের গর্ভে। জরুরী ক্ষেত্রে এমার্জেন্সী বা ওয়ার্ড থেকে রাতবিরেতে জুনিয়র ডাক্তার বা

‘ডাক্তার বাবু একসপ্তাহ ধরে কোমরে অল্প অল্প ব্যথা হচ্ছিল। ভেবেছিলাম কমে যাবে। কিন্তু কাল থেকে ডানপায়ে এমন যন্ত্রণা শুরু হয়েছে যে পায়ের আঙুল পর্যন্ত কনকন

পড়ে গিয়ে, খেলতে গিয়ে অথবা দুর্ঘটনা ঘটে হাত-পা তো অনেকের-ই ভেঙে যায়। হাত-পা ছাড়াও মেরুদন্ড – অর্থ্যাৎ ঘাড়,পিঠ,কোমর- এছাড়া কাঁকাল ও মাথার খুলির হাড়ও কখনো
‘স্যার, সোমবার ওর অপারেশনটা কখন করবেন ?’ অল্পবয়স্ক মেয়েটি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে খুব আত্মবিশ্বাসের সাথে বলল। আমার সামনেই টেবিলের উপরে একটা ক্যালেন্ডার এবং প্ল্যানার

গাছ থেকে পড়ে, খাট থেকে পড়ে, স্কুটার থেকে পড়ে নানান রকম ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে। সেগুলো অনেক সময়েই খুব সিরিয়াস হয়ে থাকে। আপাততঃ ওই প্রসঙ্গ

এটা হল ‘প্ল্যান্টার ফ্যাসা’ -র ক্ষয় জনিত সমস্যা। ‘প্ল্যান্টার ফ্যাসা’ একটা মোটা এবং টানটান পর্দার মত টিস্যু যেটা পায়ের তলার আর্চ, শরীরের ওজন এবং চলনের

গতকাল এক বয়স্ক মহিলা এসেছিলেন দেখাতে। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ঢুকলেন চেম্বারে। সম্ভবতঃ হাঁটুর সমস্যা। সঙ্গে এক কমবয়সী মহিলা। মেয়ে কিম্বা বৌমা হবে! কমবয়সী মহিলা হি*জাব পরিহিতা।

ভালোপাহাড়ের স্কুল। এক থেকে আট। একশ কুড়ি জন ছাত্র ও ছাত্রী। আগে আবাসিক ছিল। কোভিডের পরে ডে-স্কুল। বাংলা- ঝাড়খন্ড সীমান্তে জঙ্গল পাহাড়ের প্রত্যন্ত গ্রামের বাচ্চা







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে