
ডাক্তারির কথকতা ১৯: র্যাগিং (Ragging)
প্রথমেই ডিসক্লেমার দিয়ে রাখি। আমি স্কুলের পরে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে (যার আসল নাম মেডিক্যাল কলেজ বেঙ্গল) পড়েছি। পশ্চিমবঙ্গের কোনো মেডিক্যাল কলেজেই প্রায় কোনো র্যাগিং তখন

প্রথমেই ডিসক্লেমার দিয়ে রাখি। আমি স্কুলের পরে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে (যার আসল নাম মেডিক্যাল কলেজ বেঙ্গল) পড়েছি। পশ্চিমবঙ্গের কোনো মেডিক্যাল কলেজেই প্রায় কোনো র্যাগিং তখন

‘গলব্লাডার আবার একটা অপারেশন নাকি? আমি সব জানি। আমার খুড়তুতো ননদের হয়েছে! অপারেশনের সাতদিন বাদে সে মন্দারমনি বেড়াতে চলে গেল।’ ‘আপনার দিদির সাথে চুড়ান্ত অন্যায় হয়েছে। ডাক্তারগুলো

গতকাল ছেলেটার সাত নম্বর অপারেশনের সেলাই কাটলাম। আঠেরো বছর। ছিপছিপে। চৌকো মুখ। উজ্জ্বল চোখ। যদিও পরপর অপারেশনের ধাক্কায় এবং তার আগে দুর্ঘটনার আতঙ্কে- চোখের উজ্জ্বলতা

জীবনের বিভিন্ন স্বাদ। জিভেরও। টক-ঝাল-মিষ্টি-তেতো। জিভের উপরতলে সব স্বাদেরই স্বাদকোরক থাকে। জীবনের দীর্ঘ পথেও সব স্বাদেরই অভিজ্ঞতা হয়। কখনো রোদ, কখনো বৃষ্টি। কখনো ধ্বংস, কখনো

যে কোনো ধরনের শল্যচিকিৎসার কথা উঠলেই মনে বিপদের আশঙ্কা জেগে ওঠে। বুকটা দুরুদুরু করতে থাকে। আর সেটা যদি কারো নিজের ক্ষেত্রে হয়- তাহলে তো কথাই

“মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে।” কবি শঙ্খ ঘোষের এই অমোঘ পংক্তিও আজকাল ক্লিশে। কারণ শুধু মুখ নয়- হাত,পা, নরনারীদেহ এবং পরিবেশ- এ যুগে সব কিছুই বিজ্ঞাপনে

শুধুমাত্র মঞ্চ বা রূপোলী পর্দার মার্কা মারা অভিনেতা-অভিনেত্রীরাই অভিনয় করেন না। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষকে জীবনে কমবেশী অভিনয় করে চলতে হয়। দরিদ্র পরিবারের বাবা-মা ছেলেমেয়েকে ভালো

প্রিন্সিপ্যালের রুমের কাঁচ ঢাকা বড় টেবিলটার উল্টোদিকে রাখা কালো ভারী টেলিফোনটা বেজে উঠল। ষ্টুডেন্টস ইউনিয়নের সেক্রেটারি পরিতোষ রিসিভারটা তুলে ডাঃ অমিতাভ বোসের হাতে সেটা এগিয়ে

১ পাঠক জানেন শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘সত্যান্বষী’ গল্প- যে গল্পে তিনি ব্যোমকেশ বক্সীকে প্রথম উপস্থাপিত করেন- তাতে অন্যতম প্রতিপাদ্য বিষয় হিসেবে একটা ‘ইয়েল লক’-এর কথা আছে।

আমরা সবাই জানি পুরুষের আয় আর মহিলাদের বয়স কখনো জিজ্ঞেস করতে নেই। সেটা ভদ্রতা বিরোধী। আরো জানি, সিনেমার নায়িকাদের বয়স প্রতি পাঁচ বছরে এক বছর

ধরুন মাঝ রাস্তায় আপনার গাড়ি খারাপ হয়ে গেছে। কিছুতেই আর ইঞ্জিন চালু হচ্ছে না। তখন কি করা হয়? আপনি বা ড্রাইভার গাড়ির ষ্টিয়ারিং ধরে ড্রাইভার

ডাঃ মহেন্দ্রলাল সরকার ছিলেন উনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভারতীয় চিকিৎসক ও বিজ্ঞান সাধক। তিনি অত্যন্ত সত্যনিষ্ঠ, জ্ঞানী অথচ কাঠখোট্টা মানুষ। শোনা যায়, তিনি এমনকি যুগপুরুষ

প্রথমেই ডিসক্লেমার দিয়ে রাখি। আমি স্কুলের পরে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে (যার আসল নাম মেডিক্যাল কলেজ বেঙ্গল) পড়েছি। পশ্চিমবঙ্গের কোনো মেডিক্যাল কলেজেই প্রায় কোনো র্যাগিং তখন

‘গলব্লাডার আবার একটা অপারেশন নাকি? আমি সব জানি। আমার খুড়তুতো ননদের হয়েছে! অপারেশনের সাতদিন বাদে সে মন্দারমনি বেড়াতে চলে গেল।’ ‘আপনার দিদির সাথে চুড়ান্ত অন্যায় হয়েছে। ডাক্তারগুলো

গতকাল ছেলেটার সাত নম্বর অপারেশনের সেলাই কাটলাম। আঠেরো বছর। ছিপছিপে। চৌকো মুখ। উজ্জ্বল চোখ। যদিও পরপর অপারেশনের ধাক্কায় এবং তার আগে দুর্ঘটনার আতঙ্কে- চোখের উজ্জ্বলতা

জীবনের বিভিন্ন স্বাদ। জিভেরও। টক-ঝাল-মিষ্টি-তেতো। জিভের উপরতলে সব স্বাদেরই স্বাদকোরক থাকে। জীবনের দীর্ঘ পথেও সব স্বাদেরই অভিজ্ঞতা হয়। কখনো রোদ, কখনো বৃষ্টি। কখনো ধ্বংস, কখনো

যে কোনো ধরনের শল্যচিকিৎসার কথা উঠলেই মনে বিপদের আশঙ্কা জেগে ওঠে। বুকটা দুরুদুরু করতে থাকে। আর সেটা যদি কারো নিজের ক্ষেত্রে হয়- তাহলে তো কথাই

“মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে।” কবি শঙ্খ ঘোষের এই অমোঘ পংক্তিও আজকাল ক্লিশে। কারণ শুধু মুখ নয়- হাত,পা, নরনারীদেহ এবং পরিবেশ- এ যুগে সব কিছুই বিজ্ঞাপনে

শুধুমাত্র মঞ্চ বা রূপোলী পর্দার মার্কা মারা অভিনেতা-অভিনেত্রীরাই অভিনয় করেন না। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষকে জীবনে কমবেশী অভিনয় করে চলতে হয়। দরিদ্র পরিবারের বাবা-মা ছেলেমেয়েকে ভালো

প্রিন্সিপ্যালের রুমের কাঁচ ঢাকা বড় টেবিলটার উল্টোদিকে রাখা কালো ভারী টেলিফোনটা বেজে উঠল। ষ্টুডেন্টস ইউনিয়নের সেক্রেটারি পরিতোষ রিসিভারটা তুলে ডাঃ অমিতাভ বোসের হাতে সেটা এগিয়ে

১ পাঠক জানেন শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘সত্যান্বষী’ গল্প- যে গল্পে তিনি ব্যোমকেশ বক্সীকে প্রথম উপস্থাপিত করেন- তাতে অন্যতম প্রতিপাদ্য বিষয় হিসেবে একটা ‘ইয়েল লক’-এর কথা আছে।

আমরা সবাই জানি পুরুষের আয় আর মহিলাদের বয়স কখনো জিজ্ঞেস করতে নেই। সেটা ভদ্রতা বিরোধী। আরো জানি, সিনেমার নায়িকাদের বয়স প্রতি পাঁচ বছরে এক বছর

ধরুন মাঝ রাস্তায় আপনার গাড়ি খারাপ হয়ে গেছে। কিছুতেই আর ইঞ্জিন চালু হচ্ছে না। তখন কি করা হয়? আপনি বা ড্রাইভার গাড়ির ষ্টিয়ারিং ধরে ড্রাইভার

ডাঃ মহেন্দ্রলাল সরকার ছিলেন উনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভারতীয় চিকিৎসক ও বিজ্ঞান সাধক। তিনি অত্যন্ত সত্যনিষ্ঠ, জ্ঞানী অথচ কাঠখোট্টা মানুষ। শোনা যায়, তিনি এমনকি যুগপুরুষ







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে