
ল্যাজের ব্যথার গোপন কথা
কক্সিডাইনিয়া হল coccyx অর্থ্যাৎ tailbone বা ল্যাজের হাড়ে ব্যথা।কোমরে ব্যথার প্রায় 1% থেকে 3% এর জন্য দায়ী ল্যাজের হাড়ে ব্যাথা। মানুষের শরীরে ককসিক্স হল বিবর্তনের

কক্সিডাইনিয়া হল coccyx অর্থ্যাৎ tailbone বা ল্যাজের হাড়ে ব্যথা।কোমরে ব্যথার প্রায় 1% থেকে 3% এর জন্য দায়ী ল্যাজের হাড়ে ব্যাথা। মানুষের শরীরে ককসিক্স হল বিবর্তনের

স্কুলের দিন শেষ। জয়েন্ট এন্ট্রান্সের পর যাদবপুর আর শিবপুর ঘুরে অবশেষে মেডিক্যাল কলেজ। তখন গুগল ম্যাপ ছিল না। কলেজ ষ্ট্রীটে বাস থেকে নেমে ফুটপাথে দাঁড়িয়ে

দীর্ঘ আলাপ আলোচনার পর, অতীত অভিজ্ঞতার নিরিখে আজকের গুরুত্বপূর্ণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে দুটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হল:- ১. পূজোর সময় কোনো বাঁদরের উত্তরপুরুষ যদি গায়ে বাজি ছোড়ে

পূর্ববর্তী পর্বের পর………. বিধাতা পুরুষ না নারী- এক লহমায় দেখিয়া অসিতবাবু তা ঠাহর করিতে পারিলেন না। এত বৎসরের চিকিৎসাবিদ্যা কোনও কাজে আসিল না। বস্তুতঃ ঠাহর

স্বর্গের দ্বাররক্ষক অসিত ডাক্তারের পথ রুদ্ধ করিল। অবশ্য তাহা অনাদিকালের অভ্যাসবশে। চিত্রগুপ্তের কম্পিউটার হইতে সিগন্যাল না আসিলে আধুনিক স্বর্গের স্বয়ংক্রিয় দ্বার উন্মুক্ত হয় না। মান্ধাতার

অসিতবাবু চেম্বারে রোগী দেখিতে দেখিতে বুকের বামদিকে হঠাৎ তীব্র ব্যথা অনুভব করিলেন। তিনি স্বীয় অভিজ্ঞতা হইতে বুঝিলেন, সময় আর বিশেষ নাই। ডাক আসিয়াছে। এই মুহূর্তে

সেটা ১৯৯০ সালের শেষ দিক। ডিসেকশন, অষ্টিওলজি, এম্ব্রায়োলজি নিয়ে অ্যানাটমি সাবজেক্টে একেবারে ল্যাজেগোবরে অবস্থা। অথচ ফার্স্ট এমবিবিএস পরীক্ষা ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে। এমন সময় মেঘ

খেলায় জেতার আনন্দে ছেলেপিলেদের ডিগবাজি বা Somersault দিতে দেখা যায়। সে তো তাৎক্ষণিক ব্যপার- প্রবল আনন্দ ও উত্তেজনায় খেলোয়াড় বা সমর্থকরা যেটা হঠাৎ করে ফেলে।

এক দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যুর পরিপ্রক্ষিতে র্যাগিং নিয়ে লিখেছিলাম কদিন আগে। তারপরের কয়েকদিনে দেখলাম ঘোলা জলে ল্যাঠা, শোল ইত্যাদি মাছ ধরা শুরু হয়ে গেছে। কেউ কেউ আবার

আপনার ফ্র্যাকচারের ব্যথা কমানোর জন্য বেশ কড়া ব্যথার ওষুধ দিতে হল। সঙ্গে ভালো করে অ্যান্টাসিড দিলাম। খেতে ভুলবেন না।’ ‘অ্যান্টাসিড লাগবে না। ঘরে প্যান্টি আছে।

বিভিন্ন অঞ্চলে একই রোগের রোগীদের, আর্থিক- সামাজিক- সাংস্কৃতিক- ভাষাগত- পেশাগত চরিত্র আলাদা হয়। সাগরদিঘী-র এক গ্রাম্য বৃদ্ধার হাঁটু ব্যথা আর বালিগঞ্জের সুউচ্চ বহুতল বাসিনী মাঝবয়সী

শুধু ডাক্তারী করলেই হয় না, ডাক্তারী যে করছি সেটা সারা বিশ্ব-কে জানানো দরকার। আর শুধু ডাক্তারীই বা কেন? উচ্চশিক্ষার যে কোনো বিষয়ে, বিশেষতঃ যেখানে পঠন-পাঠন

কক্সিডাইনিয়া হল coccyx অর্থ্যাৎ tailbone বা ল্যাজের হাড়ে ব্যথা।কোমরে ব্যথার প্রায় 1% থেকে 3% এর জন্য দায়ী ল্যাজের হাড়ে ব্যাথা। মানুষের শরীরে ককসিক্স হল বিবর্তনের

স্কুলের দিন শেষ। জয়েন্ট এন্ট্রান্সের পর যাদবপুর আর শিবপুর ঘুরে অবশেষে মেডিক্যাল কলেজ। তখন গুগল ম্যাপ ছিল না। কলেজ ষ্ট্রীটে বাস থেকে নেমে ফুটপাথে দাঁড়িয়ে

দীর্ঘ আলাপ আলোচনার পর, অতীত অভিজ্ঞতার নিরিখে আজকের গুরুত্বপূর্ণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে দুটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হল:- ১. পূজোর সময় কোনো বাঁদরের উত্তরপুরুষ যদি গায়ে বাজি ছোড়ে

পূর্ববর্তী পর্বের পর………. বিধাতা পুরুষ না নারী- এক লহমায় দেখিয়া অসিতবাবু তা ঠাহর করিতে পারিলেন না। এত বৎসরের চিকিৎসাবিদ্যা কোনও কাজে আসিল না। বস্তুতঃ ঠাহর

স্বর্গের দ্বাররক্ষক অসিত ডাক্তারের পথ রুদ্ধ করিল। অবশ্য তাহা অনাদিকালের অভ্যাসবশে। চিত্রগুপ্তের কম্পিউটার হইতে সিগন্যাল না আসিলে আধুনিক স্বর্গের স্বয়ংক্রিয় দ্বার উন্মুক্ত হয় না। মান্ধাতার

অসিতবাবু চেম্বারে রোগী দেখিতে দেখিতে বুকের বামদিকে হঠাৎ তীব্র ব্যথা অনুভব করিলেন। তিনি স্বীয় অভিজ্ঞতা হইতে বুঝিলেন, সময় আর বিশেষ নাই। ডাক আসিয়াছে। এই মুহূর্তে

সেটা ১৯৯০ সালের শেষ দিক। ডিসেকশন, অষ্টিওলজি, এম্ব্রায়োলজি নিয়ে অ্যানাটমি সাবজেক্টে একেবারে ল্যাজেগোবরে অবস্থা। অথচ ফার্স্ট এমবিবিএস পরীক্ষা ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে। এমন সময় মেঘ

খেলায় জেতার আনন্দে ছেলেপিলেদের ডিগবাজি বা Somersault দিতে দেখা যায়। সে তো তাৎক্ষণিক ব্যপার- প্রবল আনন্দ ও উত্তেজনায় খেলোয়াড় বা সমর্থকরা যেটা হঠাৎ করে ফেলে।

এক দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যুর পরিপ্রক্ষিতে র্যাগিং নিয়ে লিখেছিলাম কদিন আগে। তারপরের কয়েকদিনে দেখলাম ঘোলা জলে ল্যাঠা, শোল ইত্যাদি মাছ ধরা শুরু হয়ে গেছে। কেউ কেউ আবার

আপনার ফ্র্যাকচারের ব্যথা কমানোর জন্য বেশ কড়া ব্যথার ওষুধ দিতে হল। সঙ্গে ভালো করে অ্যান্টাসিড দিলাম। খেতে ভুলবেন না।’ ‘অ্যান্টাসিড লাগবে না। ঘরে প্যান্টি আছে।

বিভিন্ন অঞ্চলে একই রোগের রোগীদের, আর্থিক- সামাজিক- সাংস্কৃতিক- ভাষাগত- পেশাগত চরিত্র আলাদা হয়। সাগরদিঘী-র এক গ্রাম্য বৃদ্ধার হাঁটু ব্যথা আর বালিগঞ্জের সুউচ্চ বহুতল বাসিনী মাঝবয়সী

শুধু ডাক্তারী করলেই হয় না, ডাক্তারী যে করছি সেটা সারা বিশ্ব-কে জানানো দরকার। আর শুধু ডাক্তারীই বা কেন? উচ্চশিক্ষার যে কোনো বিষয়ে, বিশেষতঃ যেখানে পঠন-পাঠন







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে