
কোইনসিডেন্স-৪ উনাস মুন্ডুস
কোইনসিডেন্স নিয়ে অনেকেই অনেক কাজ করেছেন। তাঁদের মধ্যে যেমন মনস্তাত্বিক, সমাজবিজ্ঞানী, বায়োলজিস্ট আছেন তেমনই আছেন কিছু মূল ধারার বিজ্ঞানীরাও। তাঁরা প্রায় সকলেই প্রথাগত বিজ্ঞানীদের দ্বারা

কোইনসিডেন্স নিয়ে অনেকেই অনেক কাজ করেছেন। তাঁদের মধ্যে যেমন মনস্তাত্বিক, সমাজবিজ্ঞানী, বায়োলজিস্ট আছেন তেমনই আছেন কিছু মূল ধারার বিজ্ঞানীরাও। তাঁরা প্রায় সকলেই প্রথাগত বিজ্ঞানীদের দ্বারা

এতদূর আমি আমার ব্যক্তিগত কোইনসিডেন্স-এর যে ক’টি উদাহরণ দিয়েছি ভালো করে লক্ষ্য করে দেখুন বেশিরভাগের সাথেই একটি জিনিস জড়িত সেটি মোবাইল বা ইন্টারনেট। বাইরের জগতের

গত দেড় মাস আগে অক্টোম্বর মাসের এক সকাল। ঘুম থেকে উঠে বুনুয়েলের আত্মজীবনী ‘শেষ দীর্ঘশ্বাস’ খুলে পড়ছি। রান্নার দিদি চা দিয়ে গেছে টেবিলে। হঠাৎ কী

চার্লস ফ্রান্সিস কগল্যান ছিলেন তাঁর সময়কার একজন খ্যাতিমান সেক্সপীয়রের নাটকের অভিনেতা। তিনি ১৮৪১ সালে কানাডার পূর্ব উপকূলের প্রিন্স এডওয়ার্ড দ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন। ১৮৯৯ সালে হঠাতই

লুই বুনুয়েল আমাদের অবচেতনা নিয়ে ছেলেখেলা করেছেন। আমাদের গোপন সন্তপ্ত যৌন আকাঙ্খাকে দেবতা জ্ঞানে পুজো করেছেন। যাকে আমরা সরিয়ে রাখি দূরে, মনে করি স্বপ্নের বিকৃত

বিখ্যাত রোমান সেনেটর, লেখক, বক্তা সিসেরো তাঁর লেখায় একটি বিখ্যাত গল্প বলেছিলেন। তিনি সেসময় তাঁর ছাত্রদের রেটোরিক নিয়ে শিক্ষা দিচ্ছিলেন। সিসেরো তাদের বললেন যে পাঁচটি

কুম্ভিলকবৃত্তি যে শুধুমাত্র সাহিত্যেই হয় তা নয় রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধেও মাঝেমাঝেই এই অভিযোগ ওঠে। কয়েক বছর আগে এমনই অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের

অনেক সময় এমন ঘটে আমাদের লেখা বা বক্তব্যে, শিল্পে, গানে-কবিতায় অন্যের প্রভাব পড়ে। এটা একটা খুব সাধারণ ঘটনা। কখনও এই প্রভাব খুব ছোটখাট মাত্রায় পড়ে।

স্মৃতি নিয়ে সারা পৃথিবীতে যত সাহিত্য রচিত হয়েছে তাদের মধ্যে সম্ভবত সর্বশ্রেষ্ঠ রচনাটি মার্সেল প্রুস্তের ‘ইন সার্চ অফ লস্ট টাইম’। অনেকের মতে পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত

ব্রোকা আর ওয়ার্নিক্সের আবিষ্কারের পরে এ কথা বোঝা গেল যে আমাদের মস্তিষ্কের একেকটি বিশেষ অংশ একটি বিশেষ কাজের জন্য দায়ী। এর মধ্যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ হয়ে

এই পর্বে এবং এর পরবর্তী পর্বে আমরা মনের খুব সাধারণ প্রচলিত একটি ধারণা এবং আমাদের স্মৃতি মস্তিষ্কের কোথায় থাকে তাই নিয়ে কথা বলব। এতে একটু

অলিভার স্যাকস আমার খুব প্রিয় লেখক। উনি নামজাদা স্নায়ুচিকিৎসক ছিলেন। তেমনি দুহাত ভরে লিখে গেছেন তার সারা চিকিৎসাজীবনের দুর্লভ অভিজ্ঞতার কথা। তার একটি বইয়ে তিনি

কোইনসিডেন্স নিয়ে অনেকেই অনেক কাজ করেছেন। তাঁদের মধ্যে যেমন মনস্তাত্বিক, সমাজবিজ্ঞানী, বায়োলজিস্ট আছেন তেমনই আছেন কিছু মূল ধারার বিজ্ঞানীরাও। তাঁরা প্রায় সকলেই প্রথাগত বিজ্ঞানীদের দ্বারা

এতদূর আমি আমার ব্যক্তিগত কোইনসিডেন্স-এর যে ক’টি উদাহরণ দিয়েছি ভালো করে লক্ষ্য করে দেখুন বেশিরভাগের সাথেই একটি জিনিস জড়িত সেটি মোবাইল বা ইন্টারনেট। বাইরের জগতের

গত দেড় মাস আগে অক্টোম্বর মাসের এক সকাল। ঘুম থেকে উঠে বুনুয়েলের আত্মজীবনী ‘শেষ দীর্ঘশ্বাস’ খুলে পড়ছি। রান্নার দিদি চা দিয়ে গেছে টেবিলে। হঠাৎ কী

চার্লস ফ্রান্সিস কগল্যান ছিলেন তাঁর সময়কার একজন খ্যাতিমান সেক্সপীয়রের নাটকের অভিনেতা। তিনি ১৮৪১ সালে কানাডার পূর্ব উপকূলের প্রিন্স এডওয়ার্ড দ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন। ১৮৯৯ সালে হঠাতই

লুই বুনুয়েল আমাদের অবচেতনা নিয়ে ছেলেখেলা করেছেন। আমাদের গোপন সন্তপ্ত যৌন আকাঙ্খাকে দেবতা জ্ঞানে পুজো করেছেন। যাকে আমরা সরিয়ে রাখি দূরে, মনে করি স্বপ্নের বিকৃত

বিখ্যাত রোমান সেনেটর, লেখক, বক্তা সিসেরো তাঁর লেখায় একটি বিখ্যাত গল্প বলেছিলেন। তিনি সেসময় তাঁর ছাত্রদের রেটোরিক নিয়ে শিক্ষা দিচ্ছিলেন। সিসেরো তাদের বললেন যে পাঁচটি

কুম্ভিলকবৃত্তি যে শুধুমাত্র সাহিত্যেই হয় তা নয় রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধেও মাঝেমাঝেই এই অভিযোগ ওঠে। কয়েক বছর আগে এমনই অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের

অনেক সময় এমন ঘটে আমাদের লেখা বা বক্তব্যে, শিল্পে, গানে-কবিতায় অন্যের প্রভাব পড়ে। এটা একটা খুব সাধারণ ঘটনা। কখনও এই প্রভাব খুব ছোটখাট মাত্রায় পড়ে।

স্মৃতি নিয়ে সারা পৃথিবীতে যত সাহিত্য রচিত হয়েছে তাদের মধ্যে সম্ভবত সর্বশ্রেষ্ঠ রচনাটি মার্সেল প্রুস্তের ‘ইন সার্চ অফ লস্ট টাইম’। অনেকের মতে পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত

ব্রোকা আর ওয়ার্নিক্সের আবিষ্কারের পরে এ কথা বোঝা গেল যে আমাদের মস্তিষ্কের একেকটি বিশেষ অংশ একটি বিশেষ কাজের জন্য দায়ী। এর মধ্যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ হয়ে

এই পর্বে এবং এর পরবর্তী পর্বে আমরা মনের খুব সাধারণ প্রচলিত একটি ধারণা এবং আমাদের স্মৃতি মস্তিষ্কের কোথায় থাকে তাই নিয়ে কথা বলব। এতে একটু

অলিভার স্যাকস আমার খুব প্রিয় লেখক। উনি নামজাদা স্নায়ুচিকিৎসক ছিলেন। তেমনি দুহাত ভরে লিখে গেছেন তার সারা চিকিৎসাজীবনের দুর্লভ অভিজ্ঞতার কথা। তার একটি বইয়ে তিনি







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে