
অপরাজিত
প্রথমে আসা যাক চিত্রনাট্য কাহিনী সংলাপ নিয়ে। এই ছবিতে পরিচালক অনীক দত্ত মশাই সত্যজিৎ এর গোটা জীবন নিয়ে নয়, পথের পাঁচালী তৈরির সময়টা মূলত ১৯৫০,

প্রথমে আসা যাক চিত্রনাট্য কাহিনী সংলাপ নিয়ে। এই ছবিতে পরিচালক অনীক দত্ত মশাই সত্যজিৎ এর গোটা জীবন নিয়ে নয়, পথের পাঁচালী তৈরির সময়টা মূলত ১৯৫০,

Aedes Aegyptie হল সেই মশা যারা ডেঙ্গু ছড়ায়। হাজার দুয়েক বছর আগে এডিস ইজিপ্টি মিশরের সংলগ্ন বনভূমির মশা ছিল (সিলভ্যাটিক)। স্বভাবে জুফিলিক মানে পশুর রক্তখেকো।

সে বছর, ১৮৯৭ তে বর্ষা নামতে দেরি হচ্ছিল। গরমও ছিল তেমনি অসহ্য। ডাঃ রস, ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল সার্ভিসের মাদ্রাজ শাখার কমিশন্ড অফিসারের কপাল থেকে টপটপ করে

সাত সকালে ঘুম ভেঙে গেল ফোনের আওয়াজে। স্ক্রিনে ভেসে উঠেছে একটা নাম আর আরেকটা শব্দ। নামটা না হয় নাই লিখলাম। ধরে নিন ফুলেশ্বরী, ফিরোজা বা

সেই ব্লক পাবলিক হেলথ নার্স বা BPHN দিদির রাগী বলে সুনাম ছিল, ব্লকের এএন এম দিদিরা তো বটেই, আমিও মনে মনে একটু ভয় খেতাম। সেই

বিল জমা দেয়ার পরে সরকারি অফিস থেকে তার পেমেন্ট পেতে কি পরিমাণ ঝক্কি ঝামেলার সেটা ভুক্তভোগী মাত্রেই জানেন। যাঁরা ঝামেলা করেন সেই ঝামেলাবাজদের নিয়েই গল্প।

মামুলি ভাঙাচোরা একটা বাড়ির গল্প। গ্রামের মধ্যে একটা ভাড়া বাড়িতে চলা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র। আগে ঐটা একটা প্রাথমিক স্কুল বাড়ি ছিল। এখন সরকারের দয়ায় স্কুল একটা

সুধী, ডাক্তার পেটানো নিয়ে ঘরোয়া আড্ডায় বা ফেসবুকের আড্ডায় কিছু বলতে গেলেই যেটা শুনে আসছি সেই আলোচনার বেশির ভাগটাই এত অযৌক্তিক যে বেশির ভাগ সময়

রেফার রোগ অর্থাৎ আননেসেসারি রেফারালের সর্বজনগ্রাহ্য কারণ খুঁজতে সিস্টেম এনালিসিস করে প্রথমেই যেটা মাথায় আসে তা হল- উপযুক্ত সংখ্যায় উপযুক্ত ডাক্তার ও অন্যান্য কর্মীর অভাব।

একটা সেকেন্ড হ্যান্ড হুইল চেয়ার নিলামে বিক্রি হবে। বিজ্ঞাপনে লেখা “১২৭ সেমি × ৫৮ সেমি × ৭২ সেমি। লাল ও মেরুন চামড়ায় মোড়া। চেয়ারটির মোটরে

বইমেলায় যতবার যাই ততবার দেখি মেলার মাঠের সবুজ ঘাসে চুঁইয়ে পরছে কিছু সুখ কিছু দুঃখের সব অতি চেনা পরিচিত সব ছবি। কেউ দু হাতে নতুন

আজ সন্ধ্যায় একটা ছোট অনুষ্ঠান ছিল। বাংলায় একটি বই প্রকাশকে ঘিরে নানান কর্মসূচি দিয়ে সাজানো ছিল সেই অনুষ্ঠান। সেই বইতে যেহেতু আমারও একটি লেখা আছে

প্রথমে আসা যাক চিত্রনাট্য কাহিনী সংলাপ নিয়ে। এই ছবিতে পরিচালক অনীক দত্ত মশাই সত্যজিৎ এর গোটা জীবন নিয়ে নয়, পথের পাঁচালী তৈরির সময়টা মূলত ১৯৫০,

Aedes Aegyptie হল সেই মশা যারা ডেঙ্গু ছড়ায়। হাজার দুয়েক বছর আগে এডিস ইজিপ্টি মিশরের সংলগ্ন বনভূমির মশা ছিল (সিলভ্যাটিক)। স্বভাবে জুফিলিক মানে পশুর রক্তখেকো।

সে বছর, ১৮৯৭ তে বর্ষা নামতে দেরি হচ্ছিল। গরমও ছিল তেমনি অসহ্য। ডাঃ রস, ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল সার্ভিসের মাদ্রাজ শাখার কমিশন্ড অফিসারের কপাল থেকে টপটপ করে

সাত সকালে ঘুম ভেঙে গেল ফোনের আওয়াজে। স্ক্রিনে ভেসে উঠেছে একটা নাম আর আরেকটা শব্দ। নামটা না হয় নাই লিখলাম। ধরে নিন ফুলেশ্বরী, ফিরোজা বা

সেই ব্লক পাবলিক হেলথ নার্স বা BPHN দিদির রাগী বলে সুনাম ছিল, ব্লকের এএন এম দিদিরা তো বটেই, আমিও মনে মনে একটু ভয় খেতাম। সেই

বিল জমা দেয়ার পরে সরকারি অফিস থেকে তার পেমেন্ট পেতে কি পরিমাণ ঝক্কি ঝামেলার সেটা ভুক্তভোগী মাত্রেই জানেন। যাঁরা ঝামেলা করেন সেই ঝামেলাবাজদের নিয়েই গল্প।

মামুলি ভাঙাচোরা একটা বাড়ির গল্প। গ্রামের মধ্যে একটা ভাড়া বাড়িতে চলা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র। আগে ঐটা একটা প্রাথমিক স্কুল বাড়ি ছিল। এখন সরকারের দয়ায় স্কুল একটা

সুধী, ডাক্তার পেটানো নিয়ে ঘরোয়া আড্ডায় বা ফেসবুকের আড্ডায় কিছু বলতে গেলেই যেটা শুনে আসছি সেই আলোচনার বেশির ভাগটাই এত অযৌক্তিক যে বেশির ভাগ সময়

রেফার রোগ অর্থাৎ আননেসেসারি রেফারালের সর্বজনগ্রাহ্য কারণ খুঁজতে সিস্টেম এনালিসিস করে প্রথমেই যেটা মাথায় আসে তা হল- উপযুক্ত সংখ্যায় উপযুক্ত ডাক্তার ও অন্যান্য কর্মীর অভাব।

একটা সেকেন্ড হ্যান্ড হুইল চেয়ার নিলামে বিক্রি হবে। বিজ্ঞাপনে লেখা “১২৭ সেমি × ৫৮ সেমি × ৭২ সেমি। লাল ও মেরুন চামড়ায় মোড়া। চেয়ারটির মোটরে

বইমেলায় যতবার যাই ততবার দেখি মেলার মাঠের সবুজ ঘাসে চুঁইয়ে পরছে কিছু সুখ কিছু দুঃখের সব অতি চেনা পরিচিত সব ছবি। কেউ দু হাতে নতুন

আজ সন্ধ্যায় একটা ছোট অনুষ্ঠান ছিল। বাংলায় একটি বই প্রকাশকে ঘিরে নানান কর্মসূচি দিয়ে সাজানো ছিল সেই অনুষ্ঠান। সেই বইতে যেহেতু আমারও একটি লেখা আছে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে