
ভয়
ডোবার জলের মাছকে সমুদ্রে ছেড়ে দিলে যা হয়, মুর্শিদাবাদের খড়গ্রাম হাসপাতালে চাকরি করতে এসে আমার তাই হলো। ছিলাম মেডিকেল কলেজের ডাক্তার। জীবন অত্যন্ত সহজ সরল

ডোবার জলের মাছকে সমুদ্রে ছেড়ে দিলে যা হয়, মুর্শিদাবাদের খড়গ্রাম হাসপাতালে চাকরি করতে এসে আমার তাই হলো। ছিলাম মেডিকেল কলেজের ডাক্তার। জীবন অত্যন্ত সহজ সরল

আমার প্রায় সব পেশারই রোগী আছে- ভিখারি থেকে মন্ত্রী পর্যন্ত। একেক পেশার রোগীরা একেক রকম হন। পরে সেসব নিয়ে বিস্তারিত লেখা যাবে। আপাতত গল্পে ঢুকে

১। রোজ একটি করে মাল্টিভিতামিন ট্যাবলেট খাওয়া কি স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো? এতে কি আমাদের শরীরের ইমিউনিটি ক্ষমতা বাড়ে? ক্যান্সার বা হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে? উত্তরঃ

(পুরোটাই অনেক কষ্টেসৃষ্টে বানিয়ে লেখা। কেউ দয়া করে বাস্তবের সাথে মিল খুঁজবেন না।) ‘হাসপাতালে মেয়ে দেখা কি উচিৎ হবে? মানে এথিক্যালি কারেক্ট?’ ‘দাদা, পাত্রী সব

উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর অকৃতকার্য, বঞ্চিত ও তেজী ছাত্র-ছাত্রীরা রাস্তা অবরোধ ও নানা রকম আন্দোলন করেছিলেন। সেখানে সাংবাদিকরা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে তাঁদের পরীক্ষা নিতে

গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটায় মনোরমার খুপরিতে বসে রোগী দেখছিলাম। রাত সাড়ে নটার মধ্যে যে করেই হোক বাড়ি ফিরতে হবে। বহরমপুর থেকে শ্বশুর- শ্বাশুড়ির আসার

আমার হিন্দি একেবারেই সুবিধাজনক নয়। দার্জিলিঙে মীমের হোম স্টে থেকে সিতং এর হোম স্টে তে যাচ্ছিলাম। সিতং থেকে ফোন করে জানতে চাইল দুপুরের খাবার আমরা

অবশেষে ঘোরা শেষ হোল। বাগডোগরা এয়ারপোর্টে বসে আছি। কাল থেকে আবার যে যার জীবনে ফিরে যাব। মাঝের এই সময়টুকুই স্বপ্নের মতো থেকে যাবে। যখনই একঘেঁয়ে

আজ সিতং এর আশপাশ ঘুরে দেখলাম। প্রথমেই গেলাম অহলদাড়া ভিউ পয়েন্টে। এটা সিতং এর সবচেয়ে উঁচু স্থান, যেখান থেকে প্রায় ৩৬০° দেখা যায়। গাড়ি নীচেই

লামহাটা থেকে বেরোনো মাত্রই বৃষ্টি শুরু হলো। ওদিকে আমাদের গাড়ি দাঁড়িয়েছে আধ মাইল দূরে। আধ ভেজা হয়ে গাড়িতে উঠলাম। এরপর সেখান থেকে সোজা তিনচুল। তিনচুলে

রক গার্ডেন যাওয়ার রাস্তাটা পুরোটাই চা বাগানের মধ্যে দিয়ে। দার্জিলিঙের জ্যাম থেকে বেরোতেই চোখ জুড়িয়ে গেল। দার্জিলিং শহর থেকে অনেকটা নীচে নামতে হয়। দুপাশে সবুজ

দার্জিলিং নিয়ে অনেকেরই অনেক মধুর স্মৃতি আছে। সেই স্মৃতি নিয়ে নস্টালজিয়ায় ভোগেন। তবে দার্জিলিং নিয়ে আমার আগের স্মৃতি ততটা মধুর নয়। এর আগে দার্জিলিং এসেছিলাম

ডোবার জলের মাছকে সমুদ্রে ছেড়ে দিলে যা হয়, মুর্শিদাবাদের খড়গ্রাম হাসপাতালে চাকরি করতে এসে আমার তাই হলো। ছিলাম মেডিকেল কলেজের ডাক্তার। জীবন অত্যন্ত সহজ সরল

আমার প্রায় সব পেশারই রোগী আছে- ভিখারি থেকে মন্ত্রী পর্যন্ত। একেক পেশার রোগীরা একেক রকম হন। পরে সেসব নিয়ে বিস্তারিত লেখা যাবে। আপাতত গল্পে ঢুকে

১। রোজ একটি করে মাল্টিভিতামিন ট্যাবলেট খাওয়া কি স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো? এতে কি আমাদের শরীরের ইমিউনিটি ক্ষমতা বাড়ে? ক্যান্সার বা হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে? উত্তরঃ

(পুরোটাই অনেক কষ্টেসৃষ্টে বানিয়ে লেখা। কেউ দয়া করে বাস্তবের সাথে মিল খুঁজবেন না।) ‘হাসপাতালে মেয়ে দেখা কি উচিৎ হবে? মানে এথিক্যালি কারেক্ট?’ ‘দাদা, পাত্রী সব

উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর অকৃতকার্য, বঞ্চিত ও তেজী ছাত্র-ছাত্রীরা রাস্তা অবরোধ ও নানা রকম আন্দোলন করেছিলেন। সেখানে সাংবাদিকরা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে তাঁদের পরীক্ষা নিতে

গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটায় মনোরমার খুপরিতে বসে রোগী দেখছিলাম। রাত সাড়ে নটার মধ্যে যে করেই হোক বাড়ি ফিরতে হবে। বহরমপুর থেকে শ্বশুর- শ্বাশুড়ির আসার

আমার হিন্দি একেবারেই সুবিধাজনক নয়। দার্জিলিঙে মীমের হোম স্টে থেকে সিতং এর হোম স্টে তে যাচ্ছিলাম। সিতং থেকে ফোন করে জানতে চাইল দুপুরের খাবার আমরা

অবশেষে ঘোরা শেষ হোল। বাগডোগরা এয়ারপোর্টে বসে আছি। কাল থেকে আবার যে যার জীবনে ফিরে যাব। মাঝের এই সময়টুকুই স্বপ্নের মতো থেকে যাবে। যখনই একঘেঁয়ে

আজ সিতং এর আশপাশ ঘুরে দেখলাম। প্রথমেই গেলাম অহলদাড়া ভিউ পয়েন্টে। এটা সিতং এর সবচেয়ে উঁচু স্থান, যেখান থেকে প্রায় ৩৬০° দেখা যায়। গাড়ি নীচেই

লামহাটা থেকে বেরোনো মাত্রই বৃষ্টি শুরু হলো। ওদিকে আমাদের গাড়ি দাঁড়িয়েছে আধ মাইল দূরে। আধ ভেজা হয়ে গাড়িতে উঠলাম। এরপর সেখান থেকে সোজা তিনচুল। তিনচুলে

রক গার্ডেন যাওয়ার রাস্তাটা পুরোটাই চা বাগানের মধ্যে দিয়ে। দার্জিলিঙের জ্যাম থেকে বেরোতেই চোখ জুড়িয়ে গেল। দার্জিলিং শহর থেকে অনেকটা নীচে নামতে হয়। দুপাশে সবুজ

দার্জিলিং নিয়ে অনেকেরই অনেক মধুর স্মৃতি আছে। সেই স্মৃতি নিয়ে নস্টালজিয়ায় ভোগেন। তবে দার্জিলিং নিয়ে আমার আগের স্মৃতি ততটা মধুর নয়। এর আগে দার্জিলিং এসেছিলাম







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে