
মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা অনশনে
মেডিকেল কলেজ আমার কলেজ। এই কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা চিরকাল আমার ভাইবোনের মতো। সেই ভায়েরা আবার অনশন শুরু করেছে। অনশন দুদিন পেরিয়ে গেল। এবং সময় যত গড়াচ্ছে

মেডিকেল কলেজ আমার কলেজ। এই কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা চিরকাল আমার ভাইবোনের মতো। সেই ভায়েরা আবার অনশন শুরু করেছে। অনশন দুদিন পেরিয়ে গেল। এবং সময় যত গড়াচ্ছে

দুপুরে খুপরিতে ঝিমাতে ঝিমাতে দিনগত পাপক্ষয় করছিলাম। শীতকাল চলছে। তাও রোগী দেখতে দেখতে ঘাম হচ্ছে। বাইরে পার্থর সাথে কারো ঝগড়া চলছে। যিনি ঝগড়া করছেন, তাঁর

বিনা কথোপকথনেই কাটিয়ে দিতে পারি দুই দিন দুই দিন মানে দুই হাজার আটশো আশি মিনিট দুই দিন মানে একশো আশিটি দলে যাওয়া ফুল দুই দিন

কদিন থেকেই মনটা খিঁচরে আছে। আর মন খারাপ থাকলে গদ্য লেখা যায় না। যাই লিখি পদ্য হয়ে যায়। আমার পদ্য অতি অখাদ্য। পাতে দেওয়ার মতো

খুপরি থেকে মুক্তি পেয়ে রাত নটা নাগাদ মধ্যমগ্রাম চৌমাথার সুভাষ ময়দানে গেলাম। কাল থেকে বই মেলা। দিনের বেলা সময় পাব না। আজ রাতেই আমাদের স্টলটা

রূপালীর সাথে দেখা সাক্ষাত খুব কমই হয়। সৌভাগ্যক্রমে আজ রবিবার রাত আটটায় বাড়ি ফিরে দেখি রূপালীও উপস্থিত। দুজনে বসে বসে চা খাচ্ছিলাম, আর সুখ দুঃখের

গ্রামে চাকরি করতে গিয়ে অনেক কিছু শিখেছি। ভোর বেলা একজন মাঝবয়সী লোককে ভ্যানে করে হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন চারজন মিলে। রোগীর বাড়ির লোকের বক্তব্য স্ট্রোক হয়েছে।

আজ নীরবে চলে গেলেন ডা. দিলীপ মহলানবীশ। তাঁর নাম চিকিৎসকরা ছাড়া খুব বেশি মানুষ জানেন না। অথচ তাঁর আবিষ্কার লক্ষ লক্ষ মানুষের বিশেষত শিশুদের জীবন

আমি মধ্যমগ্রামের অরুণাচলের ছেলে, সোদপুরের অরুণাচল থেকে ডা. দোলনচাঁপা দাশগুপ্তর ফোন পেলাম। ‘ঐন্দ্রিল, শোন না, আমাদের পাড়ার পুজোর এবারের থিম ‘মনের জানলা’ অর্থাৎ বই। মণ্ডপে

আজ ষষ্ঠী। বাইরে ঢাক বাজছে আর আমি খুপরিতে রোগী দেখছি। রোগী দেখায় বারবার ছন্দ কেটে যাচ্ছে। আজ রোগীও প্রচুর। ডেংগুর ভালোই বাড়বাড়ন্ত হয়েছে। জ্বর নিয়ে

মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত। আর আমার দৌড় ঘোলা থেকে মধ্যমগ্রাম পর্যন্ত। এই আট দশ কিলোমিটারের মধ্যেই দিন চলে যায়, মাস চলে যায়, বছর চলে যায়।

আমি তখন শিশু বিভাগের ইন্টার্ন। আগের দিন এডমিশন ডে গেছে। সকালে ওয়ার্ডে ছোটাছুটি করে কাজ করছি। হাতে পিজিটি দাদা কাজের লিস্ট ধরিয়ে দিয়েছে। রাউন্ড শুরুর

মেডিকেল কলেজ আমার কলেজ। এই কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা চিরকাল আমার ভাইবোনের মতো। সেই ভায়েরা আবার অনশন শুরু করেছে। অনশন দুদিন পেরিয়ে গেল। এবং সময় যত গড়াচ্ছে

দুপুরে খুপরিতে ঝিমাতে ঝিমাতে দিনগত পাপক্ষয় করছিলাম। শীতকাল চলছে। তাও রোগী দেখতে দেখতে ঘাম হচ্ছে। বাইরে পার্থর সাথে কারো ঝগড়া চলছে। যিনি ঝগড়া করছেন, তাঁর

বিনা কথোপকথনেই কাটিয়ে দিতে পারি দুই দিন দুই দিন মানে দুই হাজার আটশো আশি মিনিট দুই দিন মানে একশো আশিটি দলে যাওয়া ফুল দুই দিন

কদিন থেকেই মনটা খিঁচরে আছে। আর মন খারাপ থাকলে গদ্য লেখা যায় না। যাই লিখি পদ্য হয়ে যায়। আমার পদ্য অতি অখাদ্য। পাতে দেওয়ার মতো

খুপরি থেকে মুক্তি পেয়ে রাত নটা নাগাদ মধ্যমগ্রাম চৌমাথার সুভাষ ময়দানে গেলাম। কাল থেকে বই মেলা। দিনের বেলা সময় পাব না। আজ রাতেই আমাদের স্টলটা

রূপালীর সাথে দেখা সাক্ষাত খুব কমই হয়। সৌভাগ্যক্রমে আজ রবিবার রাত আটটায় বাড়ি ফিরে দেখি রূপালীও উপস্থিত। দুজনে বসে বসে চা খাচ্ছিলাম, আর সুখ দুঃখের

গ্রামে চাকরি করতে গিয়ে অনেক কিছু শিখেছি। ভোর বেলা একজন মাঝবয়সী লোককে ভ্যানে করে হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন চারজন মিলে। রোগীর বাড়ির লোকের বক্তব্য স্ট্রোক হয়েছে।

আজ নীরবে চলে গেলেন ডা. দিলীপ মহলানবীশ। তাঁর নাম চিকিৎসকরা ছাড়া খুব বেশি মানুষ জানেন না। অথচ তাঁর আবিষ্কার লক্ষ লক্ষ মানুষের বিশেষত শিশুদের জীবন

আমি মধ্যমগ্রামের অরুণাচলের ছেলে, সোদপুরের অরুণাচল থেকে ডা. দোলনচাঁপা দাশগুপ্তর ফোন পেলাম। ‘ঐন্দ্রিল, শোন না, আমাদের পাড়ার পুজোর এবারের থিম ‘মনের জানলা’ অর্থাৎ বই। মণ্ডপে

আজ ষষ্ঠী। বাইরে ঢাক বাজছে আর আমি খুপরিতে রোগী দেখছি। রোগী দেখায় বারবার ছন্দ কেটে যাচ্ছে। আজ রোগীও প্রচুর। ডেংগুর ভালোই বাড়বাড়ন্ত হয়েছে। জ্বর নিয়ে

মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত। আর আমার দৌড় ঘোলা থেকে মধ্যমগ্রাম পর্যন্ত। এই আট দশ কিলোমিটারের মধ্যেই দিন চলে যায়, মাস চলে যায়, বছর চলে যায়।

আমি তখন শিশু বিভাগের ইন্টার্ন। আগের দিন এডমিশন ডে গেছে। সকালে ওয়ার্ডে ছোটাছুটি করে কাজ করছি। হাতে পিজিটি দাদা কাজের লিস্ট ধরিয়ে দিয়েছে। রাউন্ড শুরুর







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে