
করোনার দিনগুলি ৫১
কাল লকডাউনে রাস্তাঘাট ছিল শুনশান। লকডাউন সফল করার জন্য প্রশাসনকে তেমন কোন কষ্ট করতে হয়নি। মানুষ আতঙ্কে ঘর থেকে বেরোয়নি। আতঙ্কিত হওয়ার কারণও আছে। গত

কাল লকডাউনে রাস্তাঘাট ছিল শুনশান। লকডাউন সফল করার জন্য প্রশাসনকে তেমন কোন কষ্ট করতে হয়নি। মানুষ আতঙ্কে ঘর থেকে বেরোয়নি। আতঙ্কিত হওয়ার কারণও আছে। গত

জ্বরের রোগী দেখতে দেখতে ফোন ধরা উচিৎ নয়। কিন্তু কেউ যদি একটানা ফোন করে, করেই যায়; তখন কী করবো? বাধ্য হয়ে স্টেরিলিটির পিণ্ডি চটকে ফোন

রাত সাড়ে নটার সময় চেম্বার সেরে বাড়ি ফেরার সময় তিনমাস আগের অনুভূতি হল। মধ্যমগ্রামে আবার লক ডাউন শুরু হয়েছে। রাস্তাঘাট খাঁ খাঁ করছে। মধ্যমগ্রাম ব্রিজে

১৯৬৯ সালের জুলাই মাস। জায়গাটার নাম মালুমঘাট। পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্মা বর্ডারের কাছাকাছি দুর্গম অঞ্চল। খ্রিষ্টান মিশন হাসপাতালের একটি ঘরে মুখোমুখি বসে আছেন দুইজন ডাক্তারবাবু। ডাঃ

আম গাছের তলায় মেডিকেল ক্যাম্প চলছিলো। বিচ্ছিরি রকমের কাশতে কাশতে বুড়ো মানুষটি সামনের চেয়ারে বসল। এসময় লোকজনকে কাশতে দেখলে আতঙ্ক হয়। তার উপর কাশির দমকে

১৮৯২ সালের জার্মানির হামবুর্গ। কলেরা মহামারির আকার নিয়েছে। বার্লিনে বসে ডাঃ রবার্ট কখ ঘোষণা করলেন এর জন্য দায়ী ভিব্রিও কলেরি ব্যাকটেরিয়া। এবং তা ছড়িয়েছে এলবে

১৮৫৪ সাল। লন্ডনের এক শীতল ও ভূতুড়ে রাত্রি। রাস্তায় কুকুর বেড়ালও দেখা যাচ্ছে না। টিম টিম করে কয়েকটা গ্যাসের আলো জ্বলছে। সেগুলোর অবস্থা দেখে মনে

করোনা ছড়িয়ে গেছে। বেসরকারি ল্যাবরেটরীতে পরীক্ষা করার সুযোগ থাকায় প্রায় প্রতিদিনই আমার একজন-দুজন রোগীর পজিটিভ বেরোচ্ছে। লকডাউনের সময় জ্বরের রোগী খুব কম ছিল। এখন শুধুই

টিভিতে অখাদ্য সিরিয়াল দেখার সময় লোকজনের ধৈর্যের অভাব দেখা যায় না। ধৈর্যের অভাব ঘটে ডাক্তারের চেম্বারে এলেই। রোজকার মতোই চেম্বার চলছে। বাইরে সঞ্জয়দার সাথে রোগীদের

ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসা চলাকালীন হঠাৎ করে রক্তের গ্লুকোজ খুব কমে যেতে পারে এবং তার ফলে জটিল অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। একে বলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া। সাধারণত রক্তের

ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসার মূল লক্ষ রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা। এর জন্য বিভিন্ন ওষুধ ব্যবহার করা হয়। ওষুধ প্রথম ওষুধ হলো মেটফরমিন। এটি অত্যন্ত সস্তা

নিয়মিত শরীরচর্চা করা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই জরুরী। প্রতিদিন কমপক্ষে একটানা ত্রিশ মিনিট জোরে জোরে হাঁটা প্রয়োজন। এবং সপ্তাহে অন্তত পাঁচদিন এভাবে হাঁটা প্রয়োজন। অর্থাৎ

কাল লকডাউনে রাস্তাঘাট ছিল শুনশান। লকডাউন সফল করার জন্য প্রশাসনকে তেমন কোন কষ্ট করতে হয়নি। মানুষ আতঙ্কে ঘর থেকে বেরোয়নি। আতঙ্কিত হওয়ার কারণও আছে। গত

জ্বরের রোগী দেখতে দেখতে ফোন ধরা উচিৎ নয়। কিন্তু কেউ যদি একটানা ফোন করে, করেই যায়; তখন কী করবো? বাধ্য হয়ে স্টেরিলিটির পিণ্ডি চটকে ফোন

রাত সাড়ে নটার সময় চেম্বার সেরে বাড়ি ফেরার সময় তিনমাস আগের অনুভূতি হল। মধ্যমগ্রামে আবার লক ডাউন শুরু হয়েছে। রাস্তাঘাট খাঁ খাঁ করছে। মধ্যমগ্রাম ব্রিজে

১৯৬৯ সালের জুলাই মাস। জায়গাটার নাম মালুমঘাট। পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্মা বর্ডারের কাছাকাছি দুর্গম অঞ্চল। খ্রিষ্টান মিশন হাসপাতালের একটি ঘরে মুখোমুখি বসে আছেন দুইজন ডাক্তারবাবু। ডাঃ

আম গাছের তলায় মেডিকেল ক্যাম্প চলছিলো। বিচ্ছিরি রকমের কাশতে কাশতে বুড়ো মানুষটি সামনের চেয়ারে বসল। এসময় লোকজনকে কাশতে দেখলে আতঙ্ক হয়। তার উপর কাশির দমকে

১৮৯২ সালের জার্মানির হামবুর্গ। কলেরা মহামারির আকার নিয়েছে। বার্লিনে বসে ডাঃ রবার্ট কখ ঘোষণা করলেন এর জন্য দায়ী ভিব্রিও কলেরি ব্যাকটেরিয়া। এবং তা ছড়িয়েছে এলবে

১৮৫৪ সাল। লন্ডনের এক শীতল ও ভূতুড়ে রাত্রি। রাস্তায় কুকুর বেড়ালও দেখা যাচ্ছে না। টিম টিম করে কয়েকটা গ্যাসের আলো জ্বলছে। সেগুলোর অবস্থা দেখে মনে

করোনা ছড়িয়ে গেছে। বেসরকারি ল্যাবরেটরীতে পরীক্ষা করার সুযোগ থাকায় প্রায় প্রতিদিনই আমার একজন-দুজন রোগীর পজিটিভ বেরোচ্ছে। লকডাউনের সময় জ্বরের রোগী খুব কম ছিল। এখন শুধুই

টিভিতে অখাদ্য সিরিয়াল দেখার সময় লোকজনের ধৈর্যের অভাব দেখা যায় না। ধৈর্যের অভাব ঘটে ডাক্তারের চেম্বারে এলেই। রোজকার মতোই চেম্বার চলছে। বাইরে সঞ্জয়দার সাথে রোগীদের

ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসা চলাকালীন হঠাৎ করে রক্তের গ্লুকোজ খুব কমে যেতে পারে এবং তার ফলে জটিল অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। একে বলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া। সাধারণত রক্তের

ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসার মূল লক্ষ রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা। এর জন্য বিভিন্ন ওষুধ ব্যবহার করা হয়। ওষুধ প্রথম ওষুধ হলো মেটফরমিন। এটি অত্যন্ত সস্তা

নিয়মিত শরীরচর্চা করা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই জরুরী। প্রতিদিন কমপক্ষে একটানা ত্রিশ মিনিট জোরে জোরে হাঁটা প্রয়োজন। এবং সপ্তাহে অন্তত পাঁচদিন এভাবে হাঁটা প্রয়োজন। অর্থাৎ







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে