
‘গণমিত্র’ প্রসঙ্গে (দ্বিতীয় পর্ব)
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা-ভাবনার বদল নিয়ে বাংলা সাহিত্যে একটি মাস্টারপিস ইতোপূর্বে লিখিত। আরোগ্য নিকেতন। কিন্তু সে মূলত ক্ষয়িষ্ণু এক চিকিৎসাপদ্ধতির বিপরীতে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের জয়ের কাহিনি।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা-ভাবনার বদল নিয়ে বাংলা সাহিত্যে একটি মাস্টারপিস ইতোপূর্বে লিখিত। আরোগ্য নিকেতন। কিন্তু সে মূলত ক্ষয়িষ্ণু এক চিকিৎসাপদ্ধতির বিপরীতে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের জয়ের কাহিনি।

একখানা উপন্যাস পড়তে পড়তে কিছু কথা মনে হলো। সেই ভাবনাচিন্তা গদ্যপদ্যপ্রবন্ধ-র বর্তমান খণ্ডে বইয়ের সমালোচনা হিসেবে প্রকাশিত হলেও এটা ঠিক গ্রন্থ-সমালোচনা নয়। বরং বইটা পড়তে

অদ্ভুত এক পরিস্থিতি। মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষরা একটি বিশেষ দলের পক্ষের চিকিৎসকদের ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। হ্যাঁ, বিশেষ এক চিকিৎসক-গোষ্ঠী নয় – বিশেষ এক দল।

লোকজনের মুখে প্রায়শই হাহাকার শুনি, শিক্ষিত মানুষ কেন রাজনীতিতে আসেন না।। এলে কী হয়, নিজেরাই দেখুন। এই প্রচারপুস্তিকা যাঁদের লেখা, তাঁরা সকলে চিকিৎসক। অর্থাৎ খাতায়কলমে

যা-ই বলুন, অর্ণব গোস্বামীর টক শো-গুলো কিন্তু দিব্যি হতো। যদিও অনেকদিন দেখা হয় না, কিন্তু যেটুকু দেখেছি তাতেই স্মৃতির মণিকোঠায় একেবারে উজ্জ্বল হয়ে আছে। অত্যন্ত

রাজ্য মেডিকেল কাউন্সিল নির্বাচন সমাগত। মেডিকেল কাউন্সিল একটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বডি। কাউন্সিলের নির্বাচনে, ইতিহাসে এই প্রথম, একগুচ্ছ প্রার্থী লড়ছেন সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের নামে। ‘তৃণমূলপন্থী চিকিৎসক’

আমি অরাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। আমি রাজনীতিতে, রাজনৈতিকতাতে বিশ্বাস করি। বিশ্বাস করি, এই পৃথিবীতে, এই আকাশের নিচে, এই সূর্যের আলোয় ও রাতের গভীরে যা যা

নয়ডা-র ‘টুইন টাওয়ার’ ভেঙে দেওয়া হলো। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে। অনেকেই দেখলেন নিশ্চিত। মস্ত বিল্ডিং এমন করে ভেঙে ফেলা, অনেকের অনেক পরিশ্রমে গড়ে তোলা অট্টালিকা ভেঙে

এটা আমার এক বন্ধুর গল্প। নিখাদ বন্ধুত্বের গল্প। বাঁকুড়ায় পড়ার সময় আলাপ তার সঙ্গে। ক্লাসে অল্পস্বল্প পরিচয় ছিল – কিন্তু সে মস্ত বড়লোকের মেয়ে, তায়

স্বাধীনতা দিবস নিয়ে ভাবতে বসলে যে কথাটা শুরুতেই স্বীকার করে নিতে হয়, এই বিশেষ দিনটা নিয়ে আমি কখনোই সেভাবে আবেগতাড়িত হয়ে পড়িনি। নাহ্, সেই ছোটবেলাতেও

কথাটা হলো, আমরা সংখ্যার প্রতি আবেগহীন ও নির্লিপ্ত থাকি, কিন্তু রক্তমাংসের মানুষের গল্প আমাদের হৃদয় স্পর্শ করে। অথচ, চাকরি না পেয়ে রোদে-বৃষ্টিতে বসে থাকতে থাকতে

আমার এমবিবিএস পড়া বাঁকুড়ায়। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজে। রামকৃষ্ণ মিশনের হস্টেল জীবনের পর সে এক অন্য ধরনের আবাসিক জীবন। কড়া শাসনের ফাঁক গলে ফাঁকি দেওয়ার

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা-ভাবনার বদল নিয়ে বাংলা সাহিত্যে একটি মাস্টারপিস ইতোপূর্বে লিখিত। আরোগ্য নিকেতন। কিন্তু সে মূলত ক্ষয়িষ্ণু এক চিকিৎসাপদ্ধতির বিপরীতে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের জয়ের কাহিনি।

একখানা উপন্যাস পড়তে পড়তে কিছু কথা মনে হলো। সেই ভাবনাচিন্তা গদ্যপদ্যপ্রবন্ধ-র বর্তমান খণ্ডে বইয়ের সমালোচনা হিসেবে প্রকাশিত হলেও এটা ঠিক গ্রন্থ-সমালোচনা নয়। বরং বইটা পড়তে

অদ্ভুত এক পরিস্থিতি। মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষরা একটি বিশেষ দলের পক্ষের চিকিৎসকদের ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। হ্যাঁ, বিশেষ এক চিকিৎসক-গোষ্ঠী নয় – বিশেষ এক দল।

লোকজনের মুখে প্রায়শই হাহাকার শুনি, শিক্ষিত মানুষ কেন রাজনীতিতে আসেন না।। এলে কী হয়, নিজেরাই দেখুন। এই প্রচারপুস্তিকা যাঁদের লেখা, তাঁরা সকলে চিকিৎসক। অর্থাৎ খাতায়কলমে

যা-ই বলুন, অর্ণব গোস্বামীর টক শো-গুলো কিন্তু দিব্যি হতো। যদিও অনেকদিন দেখা হয় না, কিন্তু যেটুকু দেখেছি তাতেই স্মৃতির মণিকোঠায় একেবারে উজ্জ্বল হয়ে আছে। অত্যন্ত

রাজ্য মেডিকেল কাউন্সিল নির্বাচন সমাগত। মেডিকেল কাউন্সিল একটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বডি। কাউন্সিলের নির্বাচনে, ইতিহাসে এই প্রথম, একগুচ্ছ প্রার্থী লড়ছেন সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের নামে। ‘তৃণমূলপন্থী চিকিৎসক’

আমি অরাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। আমি রাজনীতিতে, রাজনৈতিকতাতে বিশ্বাস করি। বিশ্বাস করি, এই পৃথিবীতে, এই আকাশের নিচে, এই সূর্যের আলোয় ও রাতের গভীরে যা যা

নয়ডা-র ‘টুইন টাওয়ার’ ভেঙে দেওয়া হলো। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে। অনেকেই দেখলেন নিশ্চিত। মস্ত বিল্ডিং এমন করে ভেঙে ফেলা, অনেকের অনেক পরিশ্রমে গড়ে তোলা অট্টালিকা ভেঙে

এটা আমার এক বন্ধুর গল্প। নিখাদ বন্ধুত্বের গল্প। বাঁকুড়ায় পড়ার সময় আলাপ তার সঙ্গে। ক্লাসে অল্পস্বল্প পরিচয় ছিল – কিন্তু সে মস্ত বড়লোকের মেয়ে, তায়

স্বাধীনতা দিবস নিয়ে ভাবতে বসলে যে কথাটা শুরুতেই স্বীকার করে নিতে হয়, এই বিশেষ দিনটা নিয়ে আমি কখনোই সেভাবে আবেগতাড়িত হয়ে পড়িনি। নাহ্, সেই ছোটবেলাতেও

কথাটা হলো, আমরা সংখ্যার প্রতি আবেগহীন ও নির্লিপ্ত থাকি, কিন্তু রক্তমাংসের মানুষের গল্প আমাদের হৃদয় স্পর্শ করে। অথচ, চাকরি না পেয়ে রোদে-বৃষ্টিতে বসে থাকতে থাকতে

আমার এমবিবিএস পড়া বাঁকুড়ায়। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজে। রামকৃষ্ণ মিশনের হস্টেল জীবনের পর সে এক অন্য ধরনের আবাসিক জীবন। কড়া শাসনের ফাঁক গলে ফাঁকি দেওয়ার







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে