
ভীরু ভীরু চোখে চেয়ে চলে গেলে…
না, ইনি ডাক্তার নন। ডাক্তারদের ভোটে ‘ভোটাধিকার’ প্রয়োগ করতে এসেছিলেন আজ। আমাদের যথাসাধ্য প্রতিবাদ সত্ত্বেও কয়েকশো ব্যালট জমা করেই গিয়েছেন। ধরা পড়ার মুহূর্তে এমন করে

না, ইনি ডাক্তার নন। ডাক্তারদের ভোটে ‘ভোটাধিকার’ প্রয়োগ করতে এসেছিলেন আজ। আমাদের যথাসাধ্য প্রতিবাদ সত্ত্বেও কয়েকশো ব্যালট জমা করেই গিয়েছেন। ধরা পড়ার মুহূর্তে এমন করে

শাসকদলের মন্ত্রী-সান্ত্রীদের ঘর থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হতে দেখেছি – এমনকি তাঁদের বান্ধবী বা দেহরক্ষীদের ঘর থেকেও – আর এবারে দেখছি শাসকদলের চিকিৎসকদের হাতে

ভুল দুরকমভাবেই করা যেতে পারে। Act of commission বা act of omission. মানে, সরাসরি ভুল কাজটা করলেন। বা সঠিক কাজটা করলেন না এবং ভুলটা ঘটতে

পাপীতাপীদের কপালে একটু স্বস্তি জুটছে ইদানীং। উপরমহল থেকে যেই হুকুম আসছে, ব্যাটাদের ফুটন্ত তেলের কড়াইয়ে বছরকয়েক ডিপ ফ্রাই করে আন, অমনি স্টাফেদের তরফে উত্তর আসছে

ফাঁকা ব্যালট বিষয়ে একটি কাল্পনিক সংলাপ – শুনেছেন, বাজারে খবর, রামপুরহাট মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল নাকি অধ্যাপক-চিকিৎসকদের ফাঁকা ব্যালট জমা করতে বলছেন? – স্বাভাবিক। ওঁকেও তো

চিকিৎসাব্যবস্থার ভালোমন্দ নিয়ে স্বপ্নময়বাবু এই প্রথম ভাবতে বসলেন, এমনও নয়। এর আগে তাঁর একখানা চমৎকার বই রয়েছে – ‘চার ডাক্তার’ – চারখানা নাতিদীর্ঘ আখ্যান জুড়ে

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা-ভাবনার বদল নিয়ে বাংলা সাহিত্যে একটি মাস্টারপিস ইতোপূর্বে লিখিত। আরোগ্য নিকেতন। কিন্তু সে মূলত ক্ষয়িষ্ণু এক চিকিৎসাপদ্ধতির বিপরীতে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের জয়ের কাহিনি।

একখানা উপন্যাস পড়তে পড়তে কিছু কথা মনে হলো। সেই ভাবনাচিন্তা গদ্যপদ্যপ্রবন্ধ-র বর্তমান খণ্ডে বইয়ের সমালোচনা হিসেবে প্রকাশিত হলেও এটা ঠিক গ্রন্থ-সমালোচনা নয়। বরং বইটা পড়তে

অদ্ভুত এক পরিস্থিতি। মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষরা একটি বিশেষ দলের পক্ষের চিকিৎসকদের ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। হ্যাঁ, বিশেষ এক চিকিৎসক-গোষ্ঠী নয় – বিশেষ এক দল।

লোকজনের মুখে প্রায়শই হাহাকার শুনি, শিক্ষিত মানুষ কেন রাজনীতিতে আসেন না।। এলে কী হয়, নিজেরাই দেখুন। এই প্রচারপুস্তিকা যাঁদের লেখা, তাঁরা সকলে চিকিৎসক। অর্থাৎ খাতায়কলমে

যা-ই বলুন, অর্ণব গোস্বামীর টক শো-গুলো কিন্তু দিব্যি হতো। যদিও অনেকদিন দেখা হয় না, কিন্তু যেটুকু দেখেছি তাতেই স্মৃতির মণিকোঠায় একেবারে উজ্জ্বল হয়ে আছে। অত্যন্ত

রাজ্য মেডিকেল কাউন্সিল নির্বাচন সমাগত। মেডিকেল কাউন্সিল একটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বডি। কাউন্সিলের নির্বাচনে, ইতিহাসে এই প্রথম, একগুচ্ছ প্রার্থী লড়ছেন সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের নামে। ‘তৃণমূলপন্থী চিকিৎসক’

না, ইনি ডাক্তার নন। ডাক্তারদের ভোটে ‘ভোটাধিকার’ প্রয়োগ করতে এসেছিলেন আজ। আমাদের যথাসাধ্য প্রতিবাদ সত্ত্বেও কয়েকশো ব্যালট জমা করেই গিয়েছেন। ধরা পড়ার মুহূর্তে এমন করে

শাসকদলের মন্ত্রী-সান্ত্রীদের ঘর থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হতে দেখেছি – এমনকি তাঁদের বান্ধবী বা দেহরক্ষীদের ঘর থেকেও – আর এবারে দেখছি শাসকদলের চিকিৎসকদের হাতে

ভুল দুরকমভাবেই করা যেতে পারে। Act of commission বা act of omission. মানে, সরাসরি ভুল কাজটা করলেন। বা সঠিক কাজটা করলেন না এবং ভুলটা ঘটতে

পাপীতাপীদের কপালে একটু স্বস্তি জুটছে ইদানীং। উপরমহল থেকে যেই হুকুম আসছে, ব্যাটাদের ফুটন্ত তেলের কড়াইয়ে বছরকয়েক ডিপ ফ্রাই করে আন, অমনি স্টাফেদের তরফে উত্তর আসছে

ফাঁকা ব্যালট বিষয়ে একটি কাল্পনিক সংলাপ – শুনেছেন, বাজারে খবর, রামপুরহাট মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল নাকি অধ্যাপক-চিকিৎসকদের ফাঁকা ব্যালট জমা করতে বলছেন? – স্বাভাবিক। ওঁকেও তো

চিকিৎসাব্যবস্থার ভালোমন্দ নিয়ে স্বপ্নময়বাবু এই প্রথম ভাবতে বসলেন, এমনও নয়। এর আগে তাঁর একখানা চমৎকার বই রয়েছে – ‘চার ডাক্তার’ – চারখানা নাতিদীর্ঘ আখ্যান জুড়ে

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা-ভাবনার বদল নিয়ে বাংলা সাহিত্যে একটি মাস্টারপিস ইতোপূর্বে লিখিত। আরোগ্য নিকেতন। কিন্তু সে মূলত ক্ষয়িষ্ণু এক চিকিৎসাপদ্ধতির বিপরীতে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের জয়ের কাহিনি।

একখানা উপন্যাস পড়তে পড়তে কিছু কথা মনে হলো। সেই ভাবনাচিন্তা গদ্যপদ্যপ্রবন্ধ-র বর্তমান খণ্ডে বইয়ের সমালোচনা হিসেবে প্রকাশিত হলেও এটা ঠিক গ্রন্থ-সমালোচনা নয়। বরং বইটা পড়তে

অদ্ভুত এক পরিস্থিতি। মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষরা একটি বিশেষ দলের পক্ষের চিকিৎসকদের ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। হ্যাঁ, বিশেষ এক চিকিৎসক-গোষ্ঠী নয় – বিশেষ এক দল।

লোকজনের মুখে প্রায়শই হাহাকার শুনি, শিক্ষিত মানুষ কেন রাজনীতিতে আসেন না।। এলে কী হয়, নিজেরাই দেখুন। এই প্রচারপুস্তিকা যাঁদের লেখা, তাঁরা সকলে চিকিৎসক। অর্থাৎ খাতায়কলমে

যা-ই বলুন, অর্ণব গোস্বামীর টক শো-গুলো কিন্তু দিব্যি হতো। যদিও অনেকদিন দেখা হয় না, কিন্তু যেটুকু দেখেছি তাতেই স্মৃতির মণিকোঠায় একেবারে উজ্জ্বল হয়ে আছে। অত্যন্ত

রাজ্য মেডিকেল কাউন্সিল নির্বাচন সমাগত। মেডিকেল কাউন্সিল একটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বডি। কাউন্সিলের নির্বাচনে, ইতিহাসে এই প্রথম, একগুচ্ছ প্রার্থী লড়ছেন সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের নামে। ‘তৃণমূলপন্থী চিকিৎসক’







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে